ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

কাউন্সিলর মঞ্জুর ১০ দিনের রিমান্ড করল আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদক: অস্ত্র ও মাদক আইনে করা দুই মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জুর ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

গতকাল শুক্রবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। ওয়ারী থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে করা দুই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাতদিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডল অস্ত্র মামলায় ৫ দিন ও মাদক মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান ও শুদ্ধি অভিযানের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে টিকাটুলির নিজ কার্যালয় থেকে কাউন্সিলর মঞ্জুকে গ্রেফতার করার পর র‌্যাব-৩ এর পক্ষ থেকে রাতে ওয়ারী থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করা হয়।

র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফিউল্লাহ বুলবুল বলেন, অভিযানকালে তার কার্যালয় থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ও নিষিদ্ধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছিল। এ কারণে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করা হয়। ওয়ারী থানার মামলা নং ২৬ ও ২৭।

এর আগে গ্রেফতারের পর তার কার্যালয়ে র‌্যাব-৩ সিও সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জু চাঁদাবাজির মাধ্যমে আয়কৃত বিপুল পরিমাণ অর্থ আমেরিকায় বসবাসরত পরিবারের কাছে পাচার করেছেন।

গত বুধবার রাতে ওয়ারী থানায় দায়েরকৃত এক চাঁদাবাজি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি কাউন্সিলর মঞ্জু। তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা রয়েছে। সবগুলো মামলাই তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলবাজি ও সন্ত্রাসবাদীর অভিযোগ রয়েছে।

র‌্যাব-৩ সিও বলেন, অভিযোগ রয়েছে- কাউন্সিলর মঞ্জু চাঁদাবাজির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছেন এবং সেসব অর্থ আমেরিকায় বসবাসরত পরিবারের কাছে হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করেছেন। কী পরিমাণ অর্থ তিনি পাচার করেছেন এটি আইনিভাবে তদন্তের বিষয়। কাউন্সিলর মঞ্জু নিজেও একজন মাদকসেবী ছিলেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

কাউন্সিলর মঞ্জুর ১০ দিনের রিমান্ড করল আদালত

আপডেট টাইম : ০২:৫৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: অস্ত্র ও মাদক আইনে করা দুই মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জুর ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

গতকাল শুক্রবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। ওয়ারী থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে করা দুই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাতদিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডল অস্ত্র মামলায় ৫ দিন ও মাদক মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান ও শুদ্ধি অভিযানের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে টিকাটুলির নিজ কার্যালয় থেকে কাউন্সিলর মঞ্জুকে গ্রেফতার করার পর র‌্যাব-৩ এর পক্ষ থেকে রাতে ওয়ারী থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করা হয়।

র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফিউল্লাহ বুলবুল বলেন, অভিযানকালে তার কার্যালয় থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ও নিষিদ্ধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছিল। এ কারণে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করা হয়। ওয়ারী থানার মামলা নং ২৬ ও ২৭।

এর আগে গ্রেফতারের পর তার কার্যালয়ে র‌্যাব-৩ সিও সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জু চাঁদাবাজির মাধ্যমে আয়কৃত বিপুল পরিমাণ অর্থ আমেরিকায় বসবাসরত পরিবারের কাছে পাচার করেছেন।

গত বুধবার রাতে ওয়ারী থানায় দায়েরকৃত এক চাঁদাবাজি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি কাউন্সিলর মঞ্জু। তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা রয়েছে। সবগুলো মামলাই তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলবাজি ও সন্ত্রাসবাদীর অভিযোগ রয়েছে।

র‌্যাব-৩ সিও বলেন, অভিযোগ রয়েছে- কাউন্সিলর মঞ্জু চাঁদাবাজির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছেন এবং সেসব অর্থ আমেরিকায় বসবাসরত পরিবারের কাছে হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করেছেন। কী পরিমাণ অর্থ তিনি পাচার করেছেন এটি আইনিভাবে তদন্তের বিষয়। কাউন্সিলর মঞ্জু নিজেও একজন মাদকসেবী ছিলেন।


প্রিন্ট