ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের প্যারামিলিটারির তিন সদস্য নিহত বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, পায়রা বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ মাদক-বাল্যবিয়ে-গুজব প্রতিরোধ বিষয়ে উঠান বৈঠক মরক্কো থেকে ৭০ হাজার টন সার কিনবে সরকার, ব্যয় ৬৮৮ কোটি টাকা রিজভিঃ জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কোনো পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত নেয়নি রংপুরে সাংবাদিক উৎস হত্যা : একজনের মৃত্যুদণ্ড, দুজনের যাবজ্জীবন সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল তৈরিতে ইরানকে সহায়তা করছে রাশিয়া চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপিকে ঘিরে শুরু হয়েছে প্রবল বিতর্ক বিচারকদের জন্য এআই ব্যবহারে সতর্ক করলেন আইনমন্ত্রী

মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল ব্যবহারে নীতিমালা খসড়ার অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক:‘জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল ব্যবহার নীতিমালা-২০১৯’ এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই নীতিমালা অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

প্রথম ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘দক্ষ জনশক্তি একটি জাতির সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য খুবই অপরিহার্য। এ কারণে দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্রমবর্ধমান চাহিদার লক্ষ্যে দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই নীতিমালা প্রণয়ন করেছে।’

অর্থ মন্ত্রণালয় জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল অনুমোদন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দক্ষতা উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, কার্যক্রম, গবেষণা সমীক্ষার ক্ষেত্রে আর্থিক অনুদান প্রদান করার ক্ষেত্রে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের আবেদন যাচাই, বাছাইপূর্বক নিষ্পত্তি করবে এবং জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল কোম্পানিকে প্রত্যাশী প্রতিষ্ঠানকে অনুদান প্রদানে অনুরোধ জানাবে।’

অর্থ বিভাগ ইতোমধ্যে জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল কোম্পানি গঠন করেছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘অর্থ বরাদ্দের জন্য যোগ্য প্রতিষ্ঠান বা কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ প্রদানকারীদের নির্বাচন প্রক্রিয়া, অর্থ বরাদ্দ প্রাপ্তিতে প্রতিষ্ঠানসমূহের যোগ্যতা নির্ধারণ, প্রশিক্ষণার্থীকে উপবৃত্তি প্রদানের মানদণ্ড, দক্ষতা উন্নয়ন সম্পর্কিত কার্যক্রম গবেষণা সমীক্ষা ও উদ্ভাবন কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং তহবিলের জন্য আবেদন প্রক্রিয়াকরণ, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নের বিষয়ে নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল সুষ্ঠুভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিপুল জনশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করার করার চলমান প্রক্রিয়া আরও বেগবান হবে। দক্ষ জনশক্তি রফতানি বৃদ্ধি পাবে এবং দক্ষ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকার সমস্যার নিরসন হবে এবং সর্বোপরি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।’

এই নীতির মাধ্যমে তহবিলের অর্থ বরাদ্দ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘প্রশিক্ষণার্থী, প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, শিল্প দক্ষতা পরিষদ, অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, চর ও হাওর অঞ্চলের জনগোষ্ঠী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, পথশিশু, তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী, বস্তিবাসী, বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া, চাকরিপ্রার্থী, বেকার বিদেশগামী কর্মী, বিদেশ প্রত্যাবর্তন কর্মী আলাদা আলাদা কর্মসূচিতে এই তহবিলের সুবিধা পাবেন।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের প্যারামিলিটারির তিন সদস্য নিহত

মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল ব্যবহারে নীতিমালা খসড়ার অনুমোদন

আপডেট টাইম : ১১:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক:‘জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল ব্যবহার নীতিমালা-২০১৯’ এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই নীতিমালা অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

প্রথম ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘দক্ষ জনশক্তি একটি জাতির সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য খুবই অপরিহার্য। এ কারণে দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্রমবর্ধমান চাহিদার লক্ষ্যে দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই নীতিমালা প্রণয়ন করেছে।’

অর্থ মন্ত্রণালয় জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল অনুমোদন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দক্ষতা উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, কার্যক্রম, গবেষণা সমীক্ষার ক্ষেত্রে আর্থিক অনুদান প্রদান করার ক্ষেত্রে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের আবেদন যাচাই, বাছাইপূর্বক নিষ্পত্তি করবে এবং জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল কোম্পানিকে প্রত্যাশী প্রতিষ্ঠানকে অনুদান প্রদানে অনুরোধ জানাবে।’

অর্থ বিভাগ ইতোমধ্যে জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল কোম্পানি গঠন করেছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘অর্থ বরাদ্দের জন্য যোগ্য প্রতিষ্ঠান বা কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ প্রদানকারীদের নির্বাচন প্রক্রিয়া, অর্থ বরাদ্দ প্রাপ্তিতে প্রতিষ্ঠানসমূহের যোগ্যতা নির্ধারণ, প্রশিক্ষণার্থীকে উপবৃত্তি প্রদানের মানদণ্ড, দক্ষতা উন্নয়ন সম্পর্কিত কার্যক্রম গবেষণা সমীক্ষা ও উদ্ভাবন কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং তহবিলের জন্য আবেদন প্রক্রিয়াকরণ, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নের বিষয়ে নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল সুষ্ঠুভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিপুল জনশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করার করার চলমান প্রক্রিয়া আরও বেগবান হবে। দক্ষ জনশক্তি রফতানি বৃদ্ধি পাবে এবং দক্ষ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকার সমস্যার নিরসন হবে এবং সর্বোপরি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।’

এই নীতির মাধ্যমে তহবিলের অর্থ বরাদ্দ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘প্রশিক্ষণার্থী, প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, শিল্প দক্ষতা পরিষদ, অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, চর ও হাওর অঞ্চলের জনগোষ্ঠী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, পথশিশু, তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী, বস্তিবাসী, বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া, চাকরিপ্রার্থী, বেকার বিদেশগামী কর্মী, বিদেশ প্রত্যাবর্তন কর্মী আলাদা আলাদা কর্মসূচিতে এই তহবিলের সুবিধা পাবেন।’


প্রিন্ট