ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেতৃত্ব নির্ধারণে ভোট দিচ্ছেন সাংবাদিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) আগামী এক বছরের নেতৃত্ব নির্ধারণে ভোট দিচ্ছেন সাংবাদিকরা।

আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে কার্যনির্বাহী কমিটির এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

২০২০ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের মোট ২১টি পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নেতৃত্ব নির্বাচনের ভোট উপলক্ষে সকাল থেকেই প্রার্থী ও ভোটারদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে ডিঅরইউ চত্বর। ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন প্রার্থীরা।

নির্বাচনে সভাপতির পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রফিকুল ইসলাম আজাদ, রাজু আহমেদ, শাহনেওয়াজ দুলাল, শামসুল হক বসুনিয়া এবং শরিফুল ইসলাম (বিলু)। তবে রাজু আহমেদ সম্প্রতি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

সহ-সভাপতির পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নজরুল কবীর, ওসমান গনি বাবুল ও রাশেদুল হক। সাধারণ সম্পাদক পদে নুরুল ইসলাম হাসিব, রিয়াজ চৌধুরী ও শেখ মুহাম্মদ জামাল হোসাইন (শেখ জামাল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

যুগ্ম সম্পাদক পদে লড়ছেন হেলিমুল আলম বিপ্লব ও মেহদী আজাদ মাসুম। অর্থ সম্পাদক জিয়াউল হক সবুজ (প্রতিযোগী নেই)। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হাবীবুর রহমান ও মাইনুল হাসান সোহেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দফতর সম্পাদক পদে লড়ছেন মো. জাফর ইকবাল ও জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না। নারীবিষয়ক সম্পাদক রীতা নাহার (প্রতিযোগী নেই)। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আবদুল হাই তুহিন ও মাইদুর রহমান রুবেল।

তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক পদে সাখাওয়াত হোসেন সুমন ও জান্নাতুল ফেরদৌসী মানু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ক্রীড়া সম্পাদক পদে লড়ছেন মাকসুদা লিসা ও মো. মজিবুর রহমান।

সাংস্কৃতিক সম্পাদকে লড়ছেন মো. এমদাদুল হক খান ও মিজান চৌধুরী। আর আপ্যায়ন সম্পাদক এইচ এম আকতার (প্রতিযোগী নেই) এবং কল্যাণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ (প্রতিযোগী নেই)।

এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্যের সাতটি পদে মোট ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- আহমেদ মুশফিকা নাজনীন, আহমেদ সিরাজ, আমান-উদ-দৌলা, কামরুজ্জামান বাবলু, এম মুরাদ হোসেন, মো. ইমরান হাসান মজুমদার, মঈনুল আহসান, এস এম মিজান এবং সায়ীদ আবদুল মালিক।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নেতৃত্ব নির্ধারণে ভোট দিচ্ছেন সাংবাদিকরা

আপডেট টাইম : ০১:২৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) আগামী এক বছরের নেতৃত্ব নির্ধারণে ভোট দিচ্ছেন সাংবাদিকরা।

আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে কার্যনির্বাহী কমিটির এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

২০২০ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের মোট ২১টি পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নেতৃত্ব নির্বাচনের ভোট উপলক্ষে সকাল থেকেই প্রার্থী ও ভোটারদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে ডিঅরইউ চত্বর। ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন প্রার্থীরা।

নির্বাচনে সভাপতির পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রফিকুল ইসলাম আজাদ, রাজু আহমেদ, শাহনেওয়াজ দুলাল, শামসুল হক বসুনিয়া এবং শরিফুল ইসলাম (বিলু)। তবে রাজু আহমেদ সম্প্রতি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

সহ-সভাপতির পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নজরুল কবীর, ওসমান গনি বাবুল ও রাশেদুল হক। সাধারণ সম্পাদক পদে নুরুল ইসলাম হাসিব, রিয়াজ চৌধুরী ও শেখ মুহাম্মদ জামাল হোসাইন (শেখ জামাল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

যুগ্ম সম্পাদক পদে লড়ছেন হেলিমুল আলম বিপ্লব ও মেহদী আজাদ মাসুম। অর্থ সম্পাদক জিয়াউল হক সবুজ (প্রতিযোগী নেই)। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হাবীবুর রহমান ও মাইনুল হাসান সোহেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দফতর সম্পাদক পদে লড়ছেন মো. জাফর ইকবাল ও জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না। নারীবিষয়ক সম্পাদক রীতা নাহার (প্রতিযোগী নেই)। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আবদুল হাই তুহিন ও মাইদুর রহমান রুবেল।

তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক পদে সাখাওয়াত হোসেন সুমন ও জান্নাতুল ফেরদৌসী মানু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ক্রীড়া সম্পাদক পদে লড়ছেন মাকসুদা লিসা ও মো. মজিবুর রহমান।

সাংস্কৃতিক সম্পাদকে লড়ছেন মো. এমদাদুল হক খান ও মিজান চৌধুরী। আর আপ্যায়ন সম্পাদক এইচ এম আকতার (প্রতিযোগী নেই) এবং কল্যাণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ (প্রতিযোগী নেই)।

এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্যের সাতটি পদে মোট ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- আহমেদ মুশফিকা নাজনীন, আহমেদ সিরাজ, আমান-উদ-দৌলা, কামরুজ্জামান বাবলু, এম মুরাদ হোসেন, মো. ইমরান হাসান মজুমদার, মঈনুল আহসান, এস এম মিজান এবং সায়ীদ আবদুল মালিক।


প্রিন্ট