ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

যেসব খাবার খাবেন না রোজায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: সংযমের মাস রমজান। এই মাসে সবকিছুর পাশাপাশি সংযমী হতে হবে খাদ্যতালিকায় তৈরিতেও। অর্থাৎ খুব ভারী আর মশলাদার খাবার যেমন খাওয়া যাবে না, তেমনি দূরে থাকতে হবে ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার থেকেও। এসময়ে আমাদের খাদ্যাভাসে বড় পরিবর্তন আসে তাই তাই স্বাস্থ্য নিয়ে কিছুটা জটিলতা হতে পারে। তবে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকলে এসব সমস্যা এড়িয়ে চলা সম্ভব।

যেসব সমস্যা হতে পারে :

অতিরিক্ত ভাজাপোড়া জিনিস খাওয়া, পানি কম খাওয়া এবং খাবার মেনুতে আঁশযুক্ত খাবার না রাখলে কোষ্ঠ কাঠিন্য হতে পারে।

যাদের কফি বা ধূমপানের অভ্যাস আছে তারা অনেকসময় সারাদিনের রোজায় মাথাব্যথায় আক্রান্ত হতে পারেন।
তরল খাবার কম গ্রহণ করার কারণে লো ব্লাড প্রেসার হতে পারে হতে পারে।

পেপটিক আলসার, গ্যাস্ট্রিক, বুকজ্বালাও হতে পারে। সারাদিন উপোস থাকার কারণে অনেকের এসিডিটিও হয়ে থাকে। মনে রাখবেন, অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবার, কফি এবং সফট ড্রিঙ্কস এ অবস্থাকে আরো বাড়িয়ে দিতে পারে।

যা খাবেন :

রোজার মাসে অতিরিক্ত চা ও কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ ক্যাফেইন পানিশূন্যতা বাড়ায়। ধূমপান পরিহার করুন অবশ্যই।

অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার পরিহার করুন। এতে হজমের সমস্যাসহ এসিডিটি ও নানা জটিলতা হতে পারে।

সেহরি বা ইফতারে পোলাও, বিরিয়ানি জাতীয় খাবার খাবেন না। এগুলো একদমই স্বাস্থ্যসম্মত হবে না। তেল মসলা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

সোডাজাতীয় খাবার ও অ্যালকোহলিক কোনোকিছু খাবেন না। চকোলেটের বদলে ফলের জুস খাবেন। সারাদিনের রোজার পর এগুলো গ্যাস্ট্রিকজনিত সমস্যার কারণ হতে পারে।

সারাদিন খেতে পারবেন না বলে সেহরিতে পেটভর্তি খাবার খাবেন না। পারলে এক-চতুর্থাংশ খালি রাখবেন। এতে অলসতা আসবে না। আর একবারে বেশি পানি পান করবেন না।

ইফতারের সময় খালি পেটে একদম ঠান্ডা পানি না খাওয়াই ভালো।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

যেসব খাবার খাবেন না রোজায়

আপডেট টাইম : ০৯:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০১৯

লাইফস্টাইল ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: সংযমের মাস রমজান। এই মাসে সবকিছুর পাশাপাশি সংযমী হতে হবে খাদ্যতালিকায় তৈরিতেও। অর্থাৎ খুব ভারী আর মশলাদার খাবার যেমন খাওয়া যাবে না, তেমনি দূরে থাকতে হবে ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার থেকেও। এসময়ে আমাদের খাদ্যাভাসে বড় পরিবর্তন আসে তাই তাই স্বাস্থ্য নিয়ে কিছুটা জটিলতা হতে পারে। তবে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকলে এসব সমস্যা এড়িয়ে চলা সম্ভব।

যেসব সমস্যা হতে পারে :

অতিরিক্ত ভাজাপোড়া জিনিস খাওয়া, পানি কম খাওয়া এবং খাবার মেনুতে আঁশযুক্ত খাবার না রাখলে কোষ্ঠ কাঠিন্য হতে পারে।

যাদের কফি বা ধূমপানের অভ্যাস আছে তারা অনেকসময় সারাদিনের রোজায় মাথাব্যথায় আক্রান্ত হতে পারেন।
তরল খাবার কম গ্রহণ করার কারণে লো ব্লাড প্রেসার হতে পারে হতে পারে।

পেপটিক আলসার, গ্যাস্ট্রিক, বুকজ্বালাও হতে পারে। সারাদিন উপোস থাকার কারণে অনেকের এসিডিটিও হয়ে থাকে। মনে রাখবেন, অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবার, কফি এবং সফট ড্রিঙ্কস এ অবস্থাকে আরো বাড়িয়ে দিতে পারে।

যা খাবেন :

রোজার মাসে অতিরিক্ত চা ও কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ ক্যাফেইন পানিশূন্যতা বাড়ায়। ধূমপান পরিহার করুন অবশ্যই।

অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার পরিহার করুন। এতে হজমের সমস্যাসহ এসিডিটি ও নানা জটিলতা হতে পারে।

সেহরি বা ইফতারে পোলাও, বিরিয়ানি জাতীয় খাবার খাবেন না। এগুলো একদমই স্বাস্থ্যসম্মত হবে না। তেল মসলা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

সোডাজাতীয় খাবার ও অ্যালকোহলিক কোনোকিছু খাবেন না। চকোলেটের বদলে ফলের জুস খাবেন। সারাদিনের রোজার পর এগুলো গ্যাস্ট্রিকজনিত সমস্যার কারণ হতে পারে।

সারাদিন খেতে পারবেন না বলে সেহরিতে পেটভর্তি খাবার খাবেন না। পারলে এক-চতুর্থাংশ খালি রাখবেন। এতে অলসতা আসবে না। আর একবারে বেশি পানি পান করবেন না।

ইফতারের সময় খালি পেটে একদম ঠান্ডা পানি না খাওয়াই ভালো।


প্রিন্ট