ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ২৫ সদস্যের এনসিসিএফ গঠন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গুজব ছড়িয়ে অপপ্রচার ও মানহানির প্রতিবাদে উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়ার সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে কুকুরের কামড়ে অতিষ্ঠ পথচারী ও শিক্ষার্থীরা ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীর ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা পিরোজপুর করিমুন্নেছা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফল প্রকাশ ও মা সমাবেশ ‎ কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়িক সমিতির নির্বাচন; ভোটাররা চায় নতুন নেতৃত্ব। কালীগঞ্জে দুই সার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা তিন বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায় জেসুস চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে নতুন কাস্টমস হাউস যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের প্যারামিলিটারির তিন সদস্য নিহত

মুজিবীয় আদর্শে বাংলাদেশকে গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু আমাদের একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ দিয়ে গেছেন। তার জীবনের ২৪ বছরের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি জাতিকে মুক্ত করেছিলেন। পাকিস্তানের শাসক কোনোদিনও চাইনি বাঙালি রাষ্ট্রক্ষমতায় যাক। আমাদের অত্যন্ত দুর্ভাগ্য যে, পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি, তাকে জীবন দিতে হয়েছিল বাংলার মাটিতে। বাংলাদেশে মাঝখানে যে কালো অধ্যায় গেছে, সে কালো অধ্যায় যেন আর কোনোদিন ফিরে না আসে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পর পাকিস্তানের শাসন মূলত অচল হয়ে পড়েছিল এ দেশে। তাদের কোনো নির্দেশনা কেউ মানতো না। তাদের নির্দেশ অনুযায়ী কোনো কাজ হতো না। বাঙালি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ। একপর্যায়ে মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা (পাকিস্তানিরা)।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক চাপের কারণেই পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল।

এর আগে শুক্রবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে পুরোনো বিমানবন্দরে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।

এরপর ‘বিমান এসে অবতরণ করে রানওয়েতে, খুলে যায় বিমানের দরজা। বঙ্গবন্ধু স্বদেশের মাটিতে পদার্পণ করেন।’ এমন রূপক মুহূর্তে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে একুশবার তোপধ্বনি দিয়ে বরণ করে নেয়া হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

এরপর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণগণনা (কাউন্টডাউন) কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ২৫ সদস্যের এনসিসিএফ গঠন

মুজিবীয় আদর্শে বাংলাদেশকে গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৯:৪২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২০

বিশেষ প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু আমাদের একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ দিয়ে গেছেন। তার জীবনের ২৪ বছরের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি জাতিকে মুক্ত করেছিলেন। পাকিস্তানের শাসক কোনোদিনও চাইনি বাঙালি রাষ্ট্রক্ষমতায় যাক। আমাদের অত্যন্ত দুর্ভাগ্য যে, পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি, তাকে জীবন দিতে হয়েছিল বাংলার মাটিতে। বাংলাদেশে মাঝখানে যে কালো অধ্যায় গেছে, সে কালো অধ্যায় যেন আর কোনোদিন ফিরে না আসে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পর পাকিস্তানের শাসন মূলত অচল হয়ে পড়েছিল এ দেশে। তাদের কোনো নির্দেশনা কেউ মানতো না। তাদের নির্দেশ অনুযায়ী কোনো কাজ হতো না। বাঙালি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ। একপর্যায়ে মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা (পাকিস্তানিরা)।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক চাপের কারণেই পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল।

এর আগে শুক্রবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে পুরোনো বিমানবন্দরে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।

এরপর ‘বিমান এসে অবতরণ করে রানওয়েতে, খুলে যায় বিমানের দরজা। বঙ্গবন্ধু স্বদেশের মাটিতে পদার্পণ করেন।’ এমন রূপক মুহূর্তে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে একুশবার তোপধ্বনি দিয়ে বরণ করে নেয়া হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

এরপর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণগণনা (কাউন্টডাউন) কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা।


প্রিন্ট