ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আদালত প্রতিবেদক: প্রায় পৌনে সাত কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার স্ত্রী আইনজীবী সিগমা হুদা ও তার দুই মেয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় সংস্থার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেন।

সিগমা হুদাকে দুই মামলায় আসামি করা হয়েছে। তার মেয়ে অন্তরা সেলিমা হুদা ও শ্রাবন্তী আমিনা হুদাকে একটি করে মামলায় আসামি করা হয়। দুদকের মুখপাত্র প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এক মামলার এজাহারে বলা হয়, সিগমা হুদা ও শ্রাবন্তী আমিনা হুদা অবৈধভাবে দুই কোটি ৬৭ লাখ টাকা সমমানের দুই লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড যুক্তরাজ্যে পাচার করেছেন। ওই টাকা দিয়ে যুক্তরাজ্যের সারে কাউন্টির ডেনহাম রোডে একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন তারা।

অপর মামলার এজাহারে বলা হয়, সিগমা হুদা ও অন্তরা সেলিমা হুদা চার কোটি ছয় লাখ টাকা সমমানের তিন লাখ ৮০ হাজার পাউন্ড যুক্তরাজ্যে পাচার করেছেন। ওই টাকা দিয়ে লন্ডনের বারউড প্লেসে ফ্ল্যাট কিনেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে পাঠানো আড়াই লাখ পাউন্ড দিয়ে লন্ডনের ৪ হেনলি কোর্ট, দেনহাম রোডে নাজমুল হুদা দম্পতি তাদের কন্যা শ্রাবন্তী আমিনার নামে একটি ফ্ল্যাট কিনেন। এ ছাড়া আরেক কন্যা অন্তরা সেলিম হুদার নামে লন্ডনের ওয়ার্টার গার্ডেনে তিন লাখ ৮০ হাজার পাউন্ডে একটি ফ্ল্যাট কিনেন।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ওই ছয় লাখ ৩০ হাজার পাউন্ড সিগমা হুদা অবৈধভাবে পাচার করেছেন।

২০০৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার দায়েরকৃত সম্পদ বিবরণীতে তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের সম্পদ বিবরণীতে ফ্ল্যাট ক্রয়ের তথ্য গোপন করেছেন। তাই তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করা হয়।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট টাইম : ১০:৫৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২০

আদালত প্রতিবেদক: প্রায় পৌনে সাত কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার স্ত্রী আইনজীবী সিগমা হুদা ও তার দুই মেয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় সংস্থার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেন।

সিগমা হুদাকে দুই মামলায় আসামি করা হয়েছে। তার মেয়ে অন্তরা সেলিমা হুদা ও শ্রাবন্তী আমিনা হুদাকে একটি করে মামলায় আসামি করা হয়। দুদকের মুখপাত্র প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এক মামলার এজাহারে বলা হয়, সিগমা হুদা ও শ্রাবন্তী আমিনা হুদা অবৈধভাবে দুই কোটি ৬৭ লাখ টাকা সমমানের দুই লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড যুক্তরাজ্যে পাচার করেছেন। ওই টাকা দিয়ে যুক্তরাজ্যের সারে কাউন্টির ডেনহাম রোডে একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন তারা।

অপর মামলার এজাহারে বলা হয়, সিগমা হুদা ও অন্তরা সেলিমা হুদা চার কোটি ছয় লাখ টাকা সমমানের তিন লাখ ৮০ হাজার পাউন্ড যুক্তরাজ্যে পাচার করেছেন। ওই টাকা দিয়ে লন্ডনের বারউড প্লেসে ফ্ল্যাট কিনেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে পাঠানো আড়াই লাখ পাউন্ড দিয়ে লন্ডনের ৪ হেনলি কোর্ট, দেনহাম রোডে নাজমুল হুদা দম্পতি তাদের কন্যা শ্রাবন্তী আমিনার নামে একটি ফ্ল্যাট কিনেন। এ ছাড়া আরেক কন্যা অন্তরা সেলিম হুদার নামে লন্ডনের ওয়ার্টার গার্ডেনে তিন লাখ ৮০ হাজার পাউন্ডে একটি ফ্ল্যাট কিনেন।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ওই ছয় লাখ ৩০ হাজার পাউন্ড সিগমা হুদা অবৈধভাবে পাচার করেছেন।

২০০৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার দায়েরকৃত সম্পদ বিবরণীতে তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের সম্পদ বিবরণীতে ফ্ল্যাট ক্রয়ের তথ্য গোপন করেছেন। তাই তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করা হয়।


প্রিন্ট