ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে জয় বাংলা স্রোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ২৫ সদস্যের এনসিসিএফ গঠন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গুজব ছড়িয়ে অপপ্রচার ও মানহানির প্রতিবাদে উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়ার সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে কুকুরের কামড়ে অতিষ্ঠ পথচারী ও শিক্ষার্থীরা ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীর ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা পিরোজপুর করিমুন্নেছা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফল প্রকাশ ও মা সমাবেশ ‎ কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়িক সমিতির নির্বাচন; ভোটাররা চায় নতুন নেতৃত্ব। কালীগঞ্জে দুই সার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা তিন বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায় জেসুস চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে নতুন কাস্টমস হাউস

দেশে অচিরেই ৫-জি প্রযুক্তির মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদক: শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘রূপকল্প-২০২১ ঘোষণার পর টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বর্তমান সরকারের গৃহীত নানাবিধ পদক্ষেপের ফলে দেশব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে বিরাট জাগরণ তৈরি হয়েছে, যার সুফল বাংলাদেশ ব্যাপকভাবে পেতে শুরু করেছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা-২০২০ শুরু হচ্ছে আজ (১৬ জানুয়ারি)। এ উপলক্ষে বুধবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

দেশে অচিরেই ৫-জি প্রযুক্তির মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । ইতোমধ্যে আমরা বাংলাদেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’র সেবা ব্যবহার করতে শুরু করেছি।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি আমাদের স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে উত্তরণে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় এসেছে ৫-জি প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি, যা জনকল্যাণে ব্যবহার করাই হচ্ছে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির সুফল দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দিতে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রায়োগিক উৎকর্ষ সাধন, প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ এ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, ইন্টারনেট ডেনসিটি বৃদ্ধি, সাবমেরিন ক্যাবলের ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি, নতুন সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনসহ টেলিযোগাযোগ খাতের সকল সেবা আধুনিক ও যুগোপযোগী করা হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইউনিয়ন পর্যায়ে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ, প্রায় সকল উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার কানেকটিভিটি, সকল জেলায় ‘জেলা তথ্য বাতায়ন’ এবং সারা দেশে ৫ হাজার ৮৬৫ ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ৮ হাজার ৫০০টি ডাকঘরকে পোস্ট ই-সেন্টারে রূপান্তরিত করা হয়েছে। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগকে দ্রুত ও সহজতর করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়েছে। দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য, সামাজিক যোগাযোগসহ প্রতিটি খাতে অমিত সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়, একটি বাস্তবতা।’

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার মাধ্যমে দেশের সর্বস্তরের জনগণ টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আরও অবহিত হবেন এবং সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল রেখে সমমানের ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করবেন। বাণীতে তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেনে আনন্দ প্রকাশ করেন


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে জয় বাংলা স্রোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিল

দেশে অচিরেই ৫-জি প্রযুক্তির মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১০:৩৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২০

বিশেষ প্রতিবেদক: শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘রূপকল্প-২০২১ ঘোষণার পর টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বর্তমান সরকারের গৃহীত নানাবিধ পদক্ষেপের ফলে দেশব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে বিরাট জাগরণ তৈরি হয়েছে, যার সুফল বাংলাদেশ ব্যাপকভাবে পেতে শুরু করেছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা-২০২০ শুরু হচ্ছে আজ (১৬ জানুয়ারি)। এ উপলক্ষে বুধবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

দেশে অচিরেই ৫-জি প্রযুক্তির মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । ইতোমধ্যে আমরা বাংলাদেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’র সেবা ব্যবহার করতে শুরু করেছি।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি আমাদের স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে উত্তরণে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় এসেছে ৫-জি প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি, যা জনকল্যাণে ব্যবহার করাই হচ্ছে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির সুফল দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দিতে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রায়োগিক উৎকর্ষ সাধন, প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ এ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, ইন্টারনেট ডেনসিটি বৃদ্ধি, সাবমেরিন ক্যাবলের ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি, নতুন সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনসহ টেলিযোগাযোগ খাতের সকল সেবা আধুনিক ও যুগোপযোগী করা হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইউনিয়ন পর্যায়ে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ, প্রায় সকল উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার কানেকটিভিটি, সকল জেলায় ‘জেলা তথ্য বাতায়ন’ এবং সারা দেশে ৫ হাজার ৮৬৫ ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ৮ হাজার ৫০০টি ডাকঘরকে পোস্ট ই-সেন্টারে রূপান্তরিত করা হয়েছে। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগকে দ্রুত ও সহজতর করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়েছে। দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য, সামাজিক যোগাযোগসহ প্রতিটি খাতে অমিত সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়, একটি বাস্তবতা।’

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার মাধ্যমে দেশের সর্বস্তরের জনগণ টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আরও অবহিত হবেন এবং সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল রেখে সমমানের ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করবেন। বাণীতে তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেনে আনন্দ প্রকাশ করেন


প্রিন্ট