ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

পদত্যাগ প্রশ্নে সিইসির ‘না’

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও ভালো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। তিনি বলেছেন, আমি পদত্যাগ করব না।

আজ শনিবার রাতে নির্বাচন ভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ মন্তব্য করেন।

এর আগে ভোটগ্রহণ নিয়ে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন সিইসি।

ওই দুই বৈঠকে রাজনৈতিক দল দুটি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ করে। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে ব্যর্থতার দায়ে তার পদত্যাগ দাবি করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা।

দলটির ওই দাবি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিইসি সরাসরি বলেন, আমি পদত্যাগ করব না।

ভোটগ্রহণ কেমন হয়েছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভোট ভালো হয়েছে, সুষ্ঠু হয়েছে। যারা ভোট দিতে গিয়েছেন, তারা সবাই ভোট দিয়েছেন। কেউ বলেনি, ভোট দিতে গিয়েও পারেননি। কত শতাংশ ভোট পড়েছে তা বলা যাচ্ছে না। তবে ৩০ শতাংশের নিচে ভোট পড়েছে বলে মনে হয়।

ভোটগ্রহণের সময়ে বিভিন্ন প্রার্থীর এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, এজেন্ট বের করে দেয়ার ব্যাপারে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। আমি যে কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়েছি সেখানে সব দলের এজেন্ট ছিল। আর এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার দায়িত্ব তাদের।

ভোটকেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেয়া হলে অভিযোগ করতে হবে। এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমি পাইনি, নির্বাচন কমিশনও পায়নি।

ইভিএমে ভোটগ্রহণের বিড়ম্বনার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, যারা ইভিএমে ভোট দিয়েছেন, তারা কেউই বিরোধিতা করেনি। ইভিএম খারাপ সে কথাও কেউ বলেনি। ভোট দেয়া জটিল কেউ কেউ বলেছে। এ কারণে ভোট দিতে দেরি হয়েছে।

তবে অধিকাংশ ভোটার বলেছে, ইভিএমে ভোট দিয়ে তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছে। ইভিএমে সহজে-সঠিকভাবে ভোট দেয়া সম্ভব হয়েছে।

ভোটারদের আঙ্গুলের ছাপ রেখে ভোট দেয়ার আগে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে নূরুল হুদা বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাইনি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

পদত্যাগ প্রশ্নে সিইসির ‘না’

আপডেট টাইম : ১০:৩০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও ভালো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। তিনি বলেছেন, আমি পদত্যাগ করব না।

আজ শনিবার রাতে নির্বাচন ভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ মন্তব্য করেন।

এর আগে ভোটগ্রহণ নিয়ে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন সিইসি।

ওই দুই বৈঠকে রাজনৈতিক দল দুটি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ করে। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে ব্যর্থতার দায়ে তার পদত্যাগ দাবি করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা।

দলটির ওই দাবি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিইসি সরাসরি বলেন, আমি পদত্যাগ করব না।

ভোটগ্রহণ কেমন হয়েছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভোট ভালো হয়েছে, সুষ্ঠু হয়েছে। যারা ভোট দিতে গিয়েছেন, তারা সবাই ভোট দিয়েছেন। কেউ বলেনি, ভোট দিতে গিয়েও পারেননি। কত শতাংশ ভোট পড়েছে তা বলা যাচ্ছে না। তবে ৩০ শতাংশের নিচে ভোট পড়েছে বলে মনে হয়।

ভোটগ্রহণের সময়ে বিভিন্ন প্রার্থীর এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, এজেন্ট বের করে দেয়ার ব্যাপারে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। আমি যে কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়েছি সেখানে সব দলের এজেন্ট ছিল। আর এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার দায়িত্ব তাদের।

ভোটকেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেয়া হলে অভিযোগ করতে হবে। এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমি পাইনি, নির্বাচন কমিশনও পায়নি।

ইভিএমে ভোটগ্রহণের বিড়ম্বনার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, যারা ইভিএমে ভোট দিয়েছেন, তারা কেউই বিরোধিতা করেনি। ইভিএম খারাপ সে কথাও কেউ বলেনি। ভোট দেয়া জটিল কেউ কেউ বলেছে। এ কারণে ভোট দিতে দেরি হয়েছে।

তবে অধিকাংশ ভোটার বলেছে, ইভিএমে ভোট দিয়ে তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছে। ইভিএমে সহজে-সঠিকভাবে ভোট দেয়া সম্ভব হয়েছে।

ভোটারদের আঙ্গুলের ছাপ রেখে ভোট দেয়ার আগে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে নূরুল হুদা বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাইনি।


প্রিন্ট