ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের পরিকল্পনাকারীকে খুঁজে বের করবে আইসিসি

অনলাইন ডেস্ক: রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের পরিকল্পনাকারী কে, কারা তাদের হত্যা করেছে এসব খুঁজে বের করে দোষীদের শাস্তির মুখোমুখি করাই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কাজ।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন আইসিসির পরিচালক ফাকিসো মোচোচোকো।

তিনি বলেন, নভেম্বরে আইসিসির বিচারকের এই নির্দেশ পাওয়ার পর প্রসিকিউটরদের দায়িত্ব রোহিঙ্গাদের ন্যায্য বিচার পাওয়া নিশ্চিত করা। এ তদন্ত হবে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও বস্তুনিষ্ঠ। সবকিছু নির্ভর করে তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণের সংগ্রহের ওপর।

তিনি আরও বলেন, আইসিসির কাজ অপরাধের তদন্ত করা। এক্ষেত্রে কোনো দেশ আইসিসির সদস্য না হলেও যেকোনো অপরাধের তদন্ত করতে আইসিসির প্রসিকিউটর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ফাকিসো মোচোচোকো বলেন, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যেসব অন্যায় বা অপরাধ হয়েছে তার তদন্ত শুরু হয়ে গেছে। এতে মিয়ানমার সরকার আইসিসিকে কোনো প্রকার সহযোগিতা করছে না। এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা মিয়ানমারকে আবারও আহ্বান জানাই এই বিচারে তদন্তের সুযোগ দেয়া হোক।

তিনি বলেন, এই অপকর্মে কোনো সেনা কর্মকর্তা বা সৈনিক জড়িত ছিল কি না- তা চিহ্নিত করা অবশ্যই দরকার। রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে তাতে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না আইসিসি।

মিয়ানমার রোম স্ট্যাটিউটের সদস্য নয়, কিন্তু এর ফলে আইসিসির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোনো সমস্যা হবে না কি – এমন প্রশ্নের জবাবে আইসিসির পরিচালক বলেন, এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে মিয়ানমারের কোনও সম্পর্ক নেই বরং আমরা সেই ব্যক্তিদের খুঁজে বের করব যারা এর জন্য দায়ী।

আইসিসি পরিচালক বলেন, মিয়ানমার সহযোগিতা না করায় বিচার নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে হয়তো সময় বেশি লাগবে, কিন্তু বিচার নিশ্চিত করা অসম্ভব হবে না। প্রত্যাবাসনের সঙ্গে বিচারের কোনো সম্পর্ক নেই। প্রত্যাবাসন চলবে, একই সঙ্গে বিচারও চলবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের পরিকল্পনাকারীকে খুঁজে বের করবে আইসিসি

আপডেট টাইম : ০৮:৫৮:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের পরিকল্পনাকারী কে, কারা তাদের হত্যা করেছে এসব খুঁজে বের করে দোষীদের শাস্তির মুখোমুখি করাই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কাজ।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন আইসিসির পরিচালক ফাকিসো মোচোচোকো।

তিনি বলেন, নভেম্বরে আইসিসির বিচারকের এই নির্দেশ পাওয়ার পর প্রসিকিউটরদের দায়িত্ব রোহিঙ্গাদের ন্যায্য বিচার পাওয়া নিশ্চিত করা। এ তদন্ত হবে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও বস্তুনিষ্ঠ। সবকিছু নির্ভর করে তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণের সংগ্রহের ওপর।

তিনি আরও বলেন, আইসিসির কাজ অপরাধের তদন্ত করা। এক্ষেত্রে কোনো দেশ আইসিসির সদস্য না হলেও যেকোনো অপরাধের তদন্ত করতে আইসিসির প্রসিকিউটর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ফাকিসো মোচোচোকো বলেন, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যেসব অন্যায় বা অপরাধ হয়েছে তার তদন্ত শুরু হয়ে গেছে। এতে মিয়ানমার সরকার আইসিসিকে কোনো প্রকার সহযোগিতা করছে না। এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা মিয়ানমারকে আবারও আহ্বান জানাই এই বিচারে তদন্তের সুযোগ দেয়া হোক।

তিনি বলেন, এই অপকর্মে কোনো সেনা কর্মকর্তা বা সৈনিক জড়িত ছিল কি না- তা চিহ্নিত করা অবশ্যই দরকার। রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে তাতে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না আইসিসি।

মিয়ানমার রোম স্ট্যাটিউটের সদস্য নয়, কিন্তু এর ফলে আইসিসির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোনো সমস্যা হবে না কি – এমন প্রশ্নের জবাবে আইসিসির পরিচালক বলেন, এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে মিয়ানমারের কোনও সম্পর্ক নেই বরং আমরা সেই ব্যক্তিদের খুঁজে বের করব যারা এর জন্য দায়ী।

আইসিসি পরিচালক বলেন, মিয়ানমার সহযোগিতা না করায় বিচার নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে হয়তো সময় বেশি লাগবে, কিন্তু বিচার নিশ্চিত করা অসম্ভব হবে না। প্রত্যাবাসনের সঙ্গে বিচারের কোনো সম্পর্ক নেই। প্রত্যাবাসন চলবে, একই সঙ্গে বিচারও চলবে।


প্রিন্ট