ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

শিশু হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

আদালত প্রতিবেদক: চাঁপাইনবাবগঞ্জের চাঞ্চল্যকর শিশু কবিতা (৪) হত্যা মামলায় দুই আসামি শিহাব রেজা ও সাগর আহমেদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিল আবেদন খারিজ করে গত রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার ও বিচারপতি সাহেদ নুর উদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আজ মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. বশির আহমদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল আসামি শিহাব রেজা চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের আজাইপুর গ্রামের এমরান আলীর ছেলে এবং সাগর আহমেদ শংকরবাটি গ্রামের অব্দুল মালেকের ছেলে।

এর আগে শিশু কবিতা (৪) হত্যা মামলায় ২০১৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওই দুইজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের নারী-শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক কবিতা খানম। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন আসামিরা। দুই আসামিই বর্তমানে কারাগারে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৩০ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পৌর এলাকার কালিগঞ্জ ফুলবাগান মহল্লায় বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয় শিশু কবিতা। এর একদিন পর ১ সেপ্টেম্বর মোবাইল ফোনে কুরবান আলীর কাছে তার মেয়ের মুক্তিপণ হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন অপহরণকারীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে কবিতার বাবা বিকাশের মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা পাঠান। এরপর র‌্যাব মোবাইল ট্র্যাকিং করে ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর শিহাব রেজা নামে একজনকে আটক করে। পরে শিহাবের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অপহৃত কবিতার চাচা সাগর আহমেদকে আটক করা হয়।

শিহাব ও সাগর দুজনেই এ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জানান, অপহরণের পরপরই কবিতা চিৎকার করলে তারা নৃশংসভাবে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে লাশটি একটি সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখে। এ ঘটনায় কবিতার বাবা বাদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু

শিশু হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

আপডেট টাইম : ০৯:৩৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২০

আদালত প্রতিবেদক: চাঁপাইনবাবগঞ্জের চাঞ্চল্যকর শিশু কবিতা (৪) হত্যা মামলায় দুই আসামি শিহাব রেজা ও সাগর আহমেদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিল আবেদন খারিজ করে গত রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার ও বিচারপতি সাহেদ নুর উদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আজ মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. বশির আহমদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল আসামি শিহাব রেজা চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের আজাইপুর গ্রামের এমরান আলীর ছেলে এবং সাগর আহমেদ শংকরবাটি গ্রামের অব্দুল মালেকের ছেলে।

এর আগে শিশু কবিতা (৪) হত্যা মামলায় ২০১৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওই দুইজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের নারী-শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক কবিতা খানম। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন আসামিরা। দুই আসামিই বর্তমানে কারাগারে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৩০ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পৌর এলাকার কালিগঞ্জ ফুলবাগান মহল্লায় বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয় শিশু কবিতা। এর একদিন পর ১ সেপ্টেম্বর মোবাইল ফোনে কুরবান আলীর কাছে তার মেয়ের মুক্তিপণ হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন অপহরণকারীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে কবিতার বাবা বিকাশের মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা পাঠান। এরপর র‌্যাব মোবাইল ট্র্যাকিং করে ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর শিহাব রেজা নামে একজনকে আটক করে। পরে শিহাবের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অপহৃত কবিতার চাচা সাগর আহমেদকে আটক করা হয়।

শিহাব ও সাগর দুজনেই এ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জানান, অপহরণের পরপরই কবিতা চিৎকার করলে তারা নৃশংসভাবে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে লাশটি একটি সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখে। এ ঘটনায় কবিতার বাবা বাদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।


প্রিন্ট