ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনা টেস্টের জন্য বিএসএমএমইউ-এ উপচেপড়া ভিড়

করোনা টেস্টের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে উপচেপড়া ভিড়। সময়মতো নমুনা দিতে না পারায় ভোগান্তিতে অনেকে। সেইসঙ্গে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। এর ফলে আক্রান্তদের কাছ থেকে সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ বলছে, ভোগান্তি কমাতে আগামী সপ্তাহ থেকে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন শুরু করবে তারা।

করোনা টেস্ট করতে সকাল থেকেই ভিড় জমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনশো টিকিটের বিপরীতে নমুনা দিতে আসছে প্রায় হাজারের কাছাকাছি। এর ফলে দূরদূরান্ত থেকে আসা অনেকেই নমুনা দিতে পারছেন না। অনেকে কয়েকদিন ঘুরে হতাশা প্রকাশ করলেন।

ভেতরে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়াতে হলেও, মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। এতে কারো শরীরে করোনা না থাকলেও, অন্য করোনা আক্রান্তদের কাছ থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকছে।

সামাজিক দূরত্ব মানতে মাইকে বারবার অনুরোধ করা হলেও শুনছেন না কেউ। ভয়ে রোগীদের কাছে যেতেও চান না নিরাপত্তারক্ষীরা।

বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ বলছে, নমুনা দিতে আসা মানুষ বেশি হওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সমস্যা সমাধানে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের পাশাপাশি, অন্যান্য হাসপাতালগুলোকে বিএসএমএমইউয়ের “ফিভার ক্লিনিক” মডেল অনুসরণের আহ্বান তাদের।

বিএসএমএমইউ ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান সাইফ উল্লাহ মুন্সি বলেন, এই হাসপাতালের প্রতি মানুষের আস্থা থাকাতেই ভীড় বেশি হচ্ছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা অনলাইনে বুকিং দেয়ার সিস্টেম চালু করবো।

এছাড়া, ভোগান্তি কমাতে  বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী শুধুমাত্র লক্ষণ দেখা দিলেই পরীক্ষা করার পরামর্শ


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

করোনা টেস্টের জন্য বিএসএমএমইউ-এ উপচেপড়া ভিড়

আপডেট টাইম : ০৮:৩৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

করোনা টেস্টের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে উপচেপড়া ভিড়। সময়মতো নমুনা দিতে না পারায় ভোগান্তিতে অনেকে। সেইসঙ্গে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। এর ফলে আক্রান্তদের কাছ থেকে সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ বলছে, ভোগান্তি কমাতে আগামী সপ্তাহ থেকে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন শুরু করবে তারা।

করোনা টেস্ট করতে সকাল থেকেই ভিড় জমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনশো টিকিটের বিপরীতে নমুনা দিতে আসছে প্রায় হাজারের কাছাকাছি। এর ফলে দূরদূরান্ত থেকে আসা অনেকেই নমুনা দিতে পারছেন না। অনেকে কয়েকদিন ঘুরে হতাশা প্রকাশ করলেন।

ভেতরে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়াতে হলেও, মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। এতে কারো শরীরে করোনা না থাকলেও, অন্য করোনা আক্রান্তদের কাছ থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকছে।

সামাজিক দূরত্ব মানতে মাইকে বারবার অনুরোধ করা হলেও শুনছেন না কেউ। ভয়ে রোগীদের কাছে যেতেও চান না নিরাপত্তারক্ষীরা।

বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ বলছে, নমুনা দিতে আসা মানুষ বেশি হওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সমস্যা সমাধানে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের পাশাপাশি, অন্যান্য হাসপাতালগুলোকে বিএসএমএমইউয়ের “ফিভার ক্লিনিক” মডেল অনুসরণের আহ্বান তাদের।

বিএসএমএমইউ ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান সাইফ উল্লাহ মুন্সি বলেন, এই হাসপাতালের প্রতি মানুষের আস্থা থাকাতেই ভীড় বেশি হচ্ছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা অনলাইনে বুকিং দেয়ার সিস্টেম চালু করবো।

এছাড়া, ভোগান্তি কমাতে  বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী শুধুমাত্র লক্ষণ দেখা দিলেই পরীক্ষা করার পরামর্শ


প্রিন্ট