ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স উদঘাটন করেছে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স উদঘাটন করেছে বাংলাদেশ। ফলে ভাইরাসটির গতি-প্রকৃতি নির্ণয় করতে পারবেন গবেষকরা। এ ভাইরাস মোকাবিলায় কোন ধরনের ওষুধ বা ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে হবে তাও জানা যাবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন এ তথ্য জানিয়েছে। তারাই সর্বপ্রথম এ জিনোম সিকোয়েন্স উদঘাটন করেছে।

চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. সমীর কুমার সাহা জানিয়েছেন, জিনোম সিকোয়েন্স ভাইরাসটির গতি-প্রকৃতি ও ধরন সম্পর্কে আমাদের পরিষ্কার ধারণা দেবে। এর ফলে আমরা জানতে পারব, আমাদের এখানে ভাইরাসটি মোকাবিলায় কোন ধরনের ভ্যাকসিন বা ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে।

এর আগে, করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সের গুরুত্ব সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় করোনাভাইরাস রেসপন্স টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. শরীফ আখতারুজ্জামান বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত মোটাদাগে নভেল করোনাভাইরাসের তিনটি ধরনের কথা জানা গেছে। বাংলাদেশে কোন ধরনটি প্রভাব বিস্তার করছে বা মিউটেশনের মাধ্যমে নতুন কোনো ধরন সৃষ্টি হয়েছে কি না, সেটি জানাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিরিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মুশতাক ইবনে আয়ূব বলেন, ‘একটি ভাইরাস কতটুকু শক্তিশালী, তার সংক্রমণ ক্ষমতা কতটুকু, জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে এ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি, ভাইরাসটি কোনো ভৌগলিক পরিবেশে নতুন কোনো বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে কি না, সে সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাবে এর মাধ্যমে।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়। দেশে এ পর্যন্ত ১৬ হাজার ৬৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছেন ২৫০ জন।

সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ লাখ ৬২ হাজার ৬৪৬ জন। মারা গেছেন ২ লাখ ৮৯ হাজার ২০৫ জন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স উদঘাটন করেছে বাংলাদেশ

আপডেট টাইম : ১২:৫৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স উদঘাটন করেছে বাংলাদেশ। ফলে ভাইরাসটির গতি-প্রকৃতি নির্ণয় করতে পারবেন গবেষকরা। এ ভাইরাস মোকাবিলায় কোন ধরনের ওষুধ বা ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে হবে তাও জানা যাবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন এ তথ্য জানিয়েছে। তারাই সর্বপ্রথম এ জিনোম সিকোয়েন্স উদঘাটন করেছে।

চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. সমীর কুমার সাহা জানিয়েছেন, জিনোম সিকোয়েন্স ভাইরাসটির গতি-প্রকৃতি ও ধরন সম্পর্কে আমাদের পরিষ্কার ধারণা দেবে। এর ফলে আমরা জানতে পারব, আমাদের এখানে ভাইরাসটি মোকাবিলায় কোন ধরনের ভ্যাকসিন বা ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে।

এর আগে, করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সের গুরুত্ব সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় করোনাভাইরাস রেসপন্স টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. শরীফ আখতারুজ্জামান বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত মোটাদাগে নভেল করোনাভাইরাসের তিনটি ধরনের কথা জানা গেছে। বাংলাদেশে কোন ধরনটি প্রভাব বিস্তার করছে বা মিউটেশনের মাধ্যমে নতুন কোনো ধরন সৃষ্টি হয়েছে কি না, সেটি জানাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিরিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মুশতাক ইবনে আয়ূব বলেন, ‘একটি ভাইরাস কতটুকু শক্তিশালী, তার সংক্রমণ ক্ষমতা কতটুকু, জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে এ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি, ভাইরাসটি কোনো ভৌগলিক পরিবেশে নতুন কোনো বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে কি না, সে সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাবে এর মাধ্যমে।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়। দেশে এ পর্যন্ত ১৬ হাজার ৬৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছেন ২৫০ জন।

সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ লাখ ৬২ হাজার ৬৪৬ জন। মারা গেছেন ২ লাখ ৮৯ হাজার ২০৫ জন।


প্রিন্ট