ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

সৃজিত-মিথিলার নিরানন্দ জামাইষষ্ঠী

বিনোদন ডেস্ক : সনাতন ধর্মাবলম্বী বাঙালি সমাজে জামাইষষ্ঠীর সামাজিক গুরুত্ব অনস্বীকার্য। বিশেষ করে যে পরিবারে সদ্যবিবাহিত কন্যা আছে, সে পরিবারে এ পার্বণ ঘটা করে পালন করা হয়। বলা হয়ে থাকে বিয়ের পর দুই পরিবারের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে ওঠার একটি সেতুবন্ধন জামাইষষ্ঠী।

গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল জামাইষষ্ঠী। বিয়ের পর সৃজিত মুখার্জি-রাফিয়াথ রশীদ মিথিলার প্রথম জামাইষষ্ঠী ছিল এটি। কিন্তু করোনার তাণ্ডবে ঈদুল ফিতর ও মিথিলার জন্মদিনের মতো বিশেষ এ দিনটিও দু’জন দুই দেশে কাটিয়েছেন। এ নিয়ে বিষাদ ভর করেছে এ দম্পতির মনে।

মিথিলা বলেন—‘অনেক পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু কিছুই হলো না। আমি বাংলাদেশে আর সৃজিত ভারতে। মাঝখানে কাঁটা হয়ে রয়েছে লকডাউন। আমার জন্মদিন ও ঈদের মতো জামাইষষ্ঠী দেখতে দেখতে পার হয়ে গেল। সৃজিত আর আমার এ বছর প্রথম জামাইষষ্ঠী ছিল। কথা ছিল আফ্রিকা থেকে শুটিং শেষে বাংলাদেশে আসবে সৃজিত। আমার জন্মদিন, ঈদ সব একসঙ্গে পালন করব। কিন্তু সে সবের কিছুই হলো না। এখন ভরসা ওই ভিডিও কল আর ফোন।’

মিথিলার ধর্ম অনুসারে ওভাবে জামাইষষ্ঠী বলে কিছু নেই। তবে সৃজিত এই মুহূর্তে বাংলাদেশে থাকলে বিশেষ আয়োজন করতেন। তা জানিয়ে এ অভিনেত্রী বলেন—‘এখানে থাকলে সৃজিতকে আম্মুর হাতের শুঁটকি মাছের ভর্তা, ইলিশভাপা আর কষা মাংস খাওয়াতাম। সৃজিত খেতে খুব ভালোবাসে। কিন্তু তা আর হলো না।’

এর আগে সৃজিত মুখার্জি কয়েকবার বাংলাদেশে শ্বশুরবাড়িতে এসেছেন। মিথিলার মায়ের হাতের রান্না সৃজিতের ভীষণ প্রিয়। বিষয়টি জানিয়ে মিথিলা বলেন—‘সৃজিত যতবার এসেছে, ততবার জামাই আদর বেশ ভালোভাবেই করা হয়েছে। ও যা যা ভালোবাসে তাই রেঁধেছেন মা। আমার মায়ের হাতের রান্না আবার সৃজিতের খুব প্রিয়। এরকম বহুবার দেখেছি, সৃজিত খেতে শুরু করলে থামতেই চায় না। এমনিতেই আমাদের দাওয়াত মানেই দশ-পনেরো পদের রান্না। কিন্তু সৃজিতকে কখনো খাওয়ার ব্যাপারে ক্লান্ত হতে দেখিনি। এখন আমি বরং খেতে বারণ করি। বলি, একটু কম খাও। শরীরের দিকেও তো নজর রাখতে হবে।’

ভারতীয় বাংলা সিনেমার গুণী নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রাফিয়াথ রশীদ মিথিলার সঙ্গে পরিচয় হয় তার। এরপর মনের লেনা-দেনা। এ জুটির সম্পর্ক নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত ৬ ডিসেম্বর রেজিস্ট্রি বিয়ে করেন তারা। কলকাতায় সৃজিতের ফ্ল্যাটে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বিয়েতে সৃজিত-মিথিলার পরিবারের ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। তারপর গত ২৯ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় বিবাহত্তোর সংবর্ধনার আয়োজন করেন সৃজিত। দুজনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

সৃজিত-মিথিলার নিরানন্দ জামাইষষ্ঠী

আপডেট টাইম : ১২:১৭:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০

বিনোদন ডেস্ক : সনাতন ধর্মাবলম্বী বাঙালি সমাজে জামাইষষ্ঠীর সামাজিক গুরুত্ব অনস্বীকার্য। বিশেষ করে যে পরিবারে সদ্যবিবাহিত কন্যা আছে, সে পরিবারে এ পার্বণ ঘটা করে পালন করা হয়। বলা হয়ে থাকে বিয়ের পর দুই পরিবারের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে ওঠার একটি সেতুবন্ধন জামাইষষ্ঠী।

গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল জামাইষষ্ঠী। বিয়ের পর সৃজিত মুখার্জি-রাফিয়াথ রশীদ মিথিলার প্রথম জামাইষষ্ঠী ছিল এটি। কিন্তু করোনার তাণ্ডবে ঈদুল ফিতর ও মিথিলার জন্মদিনের মতো বিশেষ এ দিনটিও দু’জন দুই দেশে কাটিয়েছেন। এ নিয়ে বিষাদ ভর করেছে এ দম্পতির মনে।

মিথিলা বলেন—‘অনেক পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু কিছুই হলো না। আমি বাংলাদেশে আর সৃজিত ভারতে। মাঝখানে কাঁটা হয়ে রয়েছে লকডাউন। আমার জন্মদিন ও ঈদের মতো জামাইষষ্ঠী দেখতে দেখতে পার হয়ে গেল। সৃজিত আর আমার এ বছর প্রথম জামাইষষ্ঠী ছিল। কথা ছিল আফ্রিকা থেকে শুটিং শেষে বাংলাদেশে আসবে সৃজিত। আমার জন্মদিন, ঈদ সব একসঙ্গে পালন করব। কিন্তু সে সবের কিছুই হলো না। এখন ভরসা ওই ভিডিও কল আর ফোন।’

মিথিলার ধর্ম অনুসারে ওভাবে জামাইষষ্ঠী বলে কিছু নেই। তবে সৃজিত এই মুহূর্তে বাংলাদেশে থাকলে বিশেষ আয়োজন করতেন। তা জানিয়ে এ অভিনেত্রী বলেন—‘এখানে থাকলে সৃজিতকে আম্মুর হাতের শুঁটকি মাছের ভর্তা, ইলিশভাপা আর কষা মাংস খাওয়াতাম। সৃজিত খেতে খুব ভালোবাসে। কিন্তু তা আর হলো না।’

এর আগে সৃজিত মুখার্জি কয়েকবার বাংলাদেশে শ্বশুরবাড়িতে এসেছেন। মিথিলার মায়ের হাতের রান্না সৃজিতের ভীষণ প্রিয়। বিষয়টি জানিয়ে মিথিলা বলেন—‘সৃজিত যতবার এসেছে, ততবার জামাই আদর বেশ ভালোভাবেই করা হয়েছে। ও যা যা ভালোবাসে তাই রেঁধেছেন মা। আমার মায়ের হাতের রান্না আবার সৃজিতের খুব প্রিয়। এরকম বহুবার দেখেছি, সৃজিত খেতে শুরু করলে থামতেই চায় না। এমনিতেই আমাদের দাওয়াত মানেই দশ-পনেরো পদের রান্না। কিন্তু সৃজিতকে কখনো খাওয়ার ব্যাপারে ক্লান্ত হতে দেখিনি। এখন আমি বরং খেতে বারণ করি। বলি, একটু কম খাও। শরীরের দিকেও তো নজর রাখতে হবে।’

ভারতীয় বাংলা সিনেমার গুণী নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রাফিয়াথ রশীদ মিথিলার সঙ্গে পরিচয় হয় তার। এরপর মনের লেনা-দেনা। এ জুটির সম্পর্ক নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত ৬ ডিসেম্বর রেজিস্ট্রি বিয়ে করেন তারা। কলকাতায় সৃজিতের ফ্ল্যাটে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বিয়েতে সৃজিত-মিথিলার পরিবারের ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। তারপর গত ২৯ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় বিবাহত্তোর সংবর্ধনার আয়োজন করেন সৃজিত। দুজনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে।


প্রিন্ট