ঢাকা ০৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

মাশরাফির নির্দেশে কৃষকের ঘর থেকে ধান কেনার কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা সংক্রমনের ভয়ে ধান বিক্রয় করতে যখন কিছুটা ভয়ে আছেন কৃষকরা, ঠিক সেই মুহূর্তে কৃষকের বাড়িতে ট্রাক নিয়ে গিয়ে ধান ক্রয় করছে জেলার খাদ্য বিভাগ। মাশরাফির নির্দেশে এমন কার্যক্রম কৃষকদের কাছে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর পদ্ধতি বলে প্রশংসিত হয়েছে। কৃষকের ধান বিক্রি সহজ করতে মাশরাফি রাজনৈতিক, সামাজিক নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসন ও কিছু কৃষকের সঙ্গে আলোচনা করে জেলা প্রশাসন ও খাদ্য অফিসকে অনুরোধ করেছেন কৃষকের বাড়িতে বাড়িতে যেয়ে ধান ক্রয় করতে।

এক্ষেত্রে যাবতীয় পরিবহন খরচ সাংসদ মাশরাফি নিজেই বহন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ফলে জেলার খাদ্য বিভাগ নির্বিঘ্নে কৃষকদের বাড়িতে গিয়ে ধান ক্রয় করছে। আর বাজারের দামের সাথে সরকারি দামের তারতম্য না থাকায় কৃষকরা উৎসাহ নিয়ে কষ্ট করে ফলানো ধান আনন্দের সাথে বিক্রি করছে।

স্হানীয় কৃষক কোহিনুর রহমান এমপি মাশরাফিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, রোদে পুড়ে,বৃষ্টিতে ভিজে আমরা যে সোনার ধান ফলাই, সরাসরি আমাদের কাছ থেকে ধান কেনায় আমরা আজ লাভবান হচ্ছি। আমাদের কষ্ট আজ সার্থক হয়েছে। করোনার কারণে ধান বিক্রি ও ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে কৃষকদের যে শঙ্কা ছিল, তাও দূর হয়েছে বলে জানান এই কৃষক।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ মনিরুল ইসলাম জানান, মাননীয় সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা আমাদের ২টি ট্রাক দিয়েছেন যা নিয়ে আমরা নড়াইল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে যাই। যেখান থেকে কৃষক কোহিনুর রহমান, বিন্দু রহমান ও আরতি দাসের নিকট থেকে ১ টন করে ধান ক্রয় করি এবং ওইখানেই তাদের হাতে ২৬,০০০ টাকার চেক প্রদান করি। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে ০১৯১২৬৯৬৯৩১ এই নম্বরে বা সরাসরি খাদ্য অফিসে যোগাযোগের অনুরোধ করছি। তাহলে আমরা তার বাড়ি গিয়ে ধান কিনে আনবো।

নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নিজামউদ্দিন খান নীলু জানান, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সারাদেশে কৃষকদের পাশে দাড়াচ্ছেন। আর করোনার মধ্যেও নড়াইলে ধান কেনার এমন অভিনব কার্যক্রম চালু করায় মাশরাফিকে ধন্যবাদ জানান তিনি। করোনা পরিস্থিতিতে কৃষকের বাড়িতে গিয়ে ধান কেনার এই পদ্ধতি অনুসরণে দেশের সংশ্লিষ্ট সকলকে আহবান জানান জেলা আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা জানান, ধানের বর্তমান বাজার মূল্য ৯০০ টাকা থেকে ১০৫০ টাকা আর সরকার নির্ধারিত মূল্য ১০৪০ টাকা। ফলে বাড়িতে গিয়ে ১০৪০ টাকা দিয়ে ধান কেনায় কৃষকরা অনেক আনন্দিত। কৃষকদের ধান বিক্রি সহজিকরণে ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, সংসদ সদস্য জনাব মাশরাফি বিন মর্তুজাকে ধন্যবাদ জানান।করোনা সংক্রমনের ভয়ে ধান বিক্রয় করতে যখন কিছুটা ভয়ে আছেন কৃষকরা, ঠিক সেই মুহূর্তে কৃষকের বাড়িতে ট্রাক নিয়ে গিয়ে ধান ক্রয় করছে জেলার খাদ্য বিভাগ। মাশরাফির নির্দেশে এমন কার্যক্রম কৃষকদের কাছে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর পদ্ধতি বলে প্রশংসিত হয়েছে। কৃষকের ধান বিক্রি সহজ করতে মাশরাফি রাজনৈতিক, সামাজিক নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসন ও কিছু কৃষকের সঙ্গে আলোচনা করে জেলা প্রশাসন ও খাদ্য অফিসকে অনুরোধ করেছেন কৃষকের বাড়িতে বাড়িতে যেয়ে ধান ক্রয় করতে।

এক্ষেত্রে যাবতীয় পরিবহন খরচ সাংসদ মাশরাফি নিজেই বহন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ফলে জেলার খাদ্য বিভাগ নির্বিঘ্নে কৃষকদের বাড়িতে গিয়ে ধান ক্রয় করছে। আর বাজারের দামের সাথে সরকারি দামের তারতম্য না থাকায় কৃষকরা উৎসাহ নিয়ে কষ্ট করে ফলানো ধান আনন্দের সাথে বিক্রি করছে।

স্হানীয় কৃষক কোহিনুর রহমান এমপি মাশরাফিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, রোদে পুড়ে,বৃষ্টিতে ভিজে আমরা যে সোনার ধান ফলাই, সরাসরি আমাদের কাছ থেকে ধান কেনায় আমরা আজ লাভবান হচ্ছি। আমাদের কষ্ট আজ সার্থক হয়েছে। করোনার কারণে ধান বিক্রি ও ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে কৃষকদের যে শঙ্কা ছিল, তাও দূর হয়েছে বলে জানান এই কৃষক।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ মনিরুল ইসলাম জানান, মাননীয় সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা আমাদের ২টি ট্রাক দিয়েছেন যা নিয়ে আমরা নড়াইল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে যাই। যেখান থেকে কৃষক কোহিনুর রহমান, বিন্দু রহমান ও আরতি দাসের নিকট থেকে ১ টন করে ধান ক্রয় করি এবং ওইখানেই তাদের হাতে ২৬,০০০ টাকার চেক প্রদান করি। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে ০১৯১২৬৯৬৯৩১ এই নম্বরে বা সরাসরি খাদ্য অফিসে যোগাযোগের অনুরোধ করছি। তাহলে আমরা তার বাড়ি গিয়ে ধান কিনে আনবো।

নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নিজামউদ্দিন খান নীলু জানান, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সারাদেশে কৃষকদের পাশে দাড়াচ্ছেন। আর করোনার মধ্যেও নড়াইলে ধান কেনার এমন অভিনব কার্যক্রম চালু করায় মাশরাফিকে ধন্যবাদ জানান তিনি। করোনা পরিস্থিতিতে কৃষকের বাড়িতে গিয়ে ধান কেনার এই পদ্ধতি অনুসরণে দেশের সংশ্লিষ্ট সকলকে আহবান জানান জেলা আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা জানান, ধানের বর্তমান বাজার মূল্য ৯০০ টাকা থেকে ১০৫০ টাকা আর সরকার নির্ধারিত মূল্য ১০৪০ টাকা। ফলে বাড়িতে গিয়ে ১০৪০ টাকা দিয়ে ধান কেনায় কৃষকরা অনেক আনন্দিত। কৃষকদের ধান বিক্রি সহজিকরণে ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজাকে ধন্যবাদ জানান।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

মাশরাফির নির্দেশে কৃষকের ঘর থেকে ধান কেনার কার্যক্রম শুরু

আপডেট টাইম : ১০:২৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা সংক্রমনের ভয়ে ধান বিক্রয় করতে যখন কিছুটা ভয়ে আছেন কৃষকরা, ঠিক সেই মুহূর্তে কৃষকের বাড়িতে ট্রাক নিয়ে গিয়ে ধান ক্রয় করছে জেলার খাদ্য বিভাগ। মাশরাফির নির্দেশে এমন কার্যক্রম কৃষকদের কাছে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর পদ্ধতি বলে প্রশংসিত হয়েছে। কৃষকের ধান বিক্রি সহজ করতে মাশরাফি রাজনৈতিক, সামাজিক নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসন ও কিছু কৃষকের সঙ্গে আলোচনা করে জেলা প্রশাসন ও খাদ্য অফিসকে অনুরোধ করেছেন কৃষকের বাড়িতে বাড়িতে যেয়ে ধান ক্রয় করতে।

এক্ষেত্রে যাবতীয় পরিবহন খরচ সাংসদ মাশরাফি নিজেই বহন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ফলে জেলার খাদ্য বিভাগ নির্বিঘ্নে কৃষকদের বাড়িতে গিয়ে ধান ক্রয় করছে। আর বাজারের দামের সাথে সরকারি দামের তারতম্য না থাকায় কৃষকরা উৎসাহ নিয়ে কষ্ট করে ফলানো ধান আনন্দের সাথে বিক্রি করছে।

স্হানীয় কৃষক কোহিনুর রহমান এমপি মাশরাফিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, রোদে পুড়ে,বৃষ্টিতে ভিজে আমরা যে সোনার ধান ফলাই, সরাসরি আমাদের কাছ থেকে ধান কেনায় আমরা আজ লাভবান হচ্ছি। আমাদের কষ্ট আজ সার্থক হয়েছে। করোনার কারণে ধান বিক্রি ও ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে কৃষকদের যে শঙ্কা ছিল, তাও দূর হয়েছে বলে জানান এই কৃষক।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ মনিরুল ইসলাম জানান, মাননীয় সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা আমাদের ২টি ট্রাক দিয়েছেন যা নিয়ে আমরা নড়াইল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে যাই। যেখান থেকে কৃষক কোহিনুর রহমান, বিন্দু রহমান ও আরতি দাসের নিকট থেকে ১ টন করে ধান ক্রয় করি এবং ওইখানেই তাদের হাতে ২৬,০০০ টাকার চেক প্রদান করি। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে ০১৯১২৬৯৬৯৩১ এই নম্বরে বা সরাসরি খাদ্য অফিসে যোগাযোগের অনুরোধ করছি। তাহলে আমরা তার বাড়ি গিয়ে ধান কিনে আনবো।

নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নিজামউদ্দিন খান নীলু জানান, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সারাদেশে কৃষকদের পাশে দাড়াচ্ছেন। আর করোনার মধ্যেও নড়াইলে ধান কেনার এমন অভিনব কার্যক্রম চালু করায় মাশরাফিকে ধন্যবাদ জানান তিনি। করোনা পরিস্থিতিতে কৃষকের বাড়িতে গিয়ে ধান কেনার এই পদ্ধতি অনুসরণে দেশের সংশ্লিষ্ট সকলকে আহবান জানান জেলা আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা জানান, ধানের বর্তমান বাজার মূল্য ৯০০ টাকা থেকে ১০৫০ টাকা আর সরকার নির্ধারিত মূল্য ১০৪০ টাকা। ফলে বাড়িতে গিয়ে ১০৪০ টাকা দিয়ে ধান কেনায় কৃষকরা অনেক আনন্দিত। কৃষকদের ধান বিক্রি সহজিকরণে ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, সংসদ সদস্য জনাব মাশরাফি বিন মর্তুজাকে ধন্যবাদ জানান।করোনা সংক্রমনের ভয়ে ধান বিক্রয় করতে যখন কিছুটা ভয়ে আছেন কৃষকরা, ঠিক সেই মুহূর্তে কৃষকের বাড়িতে ট্রাক নিয়ে গিয়ে ধান ক্রয় করছে জেলার খাদ্য বিভাগ। মাশরাফির নির্দেশে এমন কার্যক্রম কৃষকদের কাছে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর পদ্ধতি বলে প্রশংসিত হয়েছে। কৃষকের ধান বিক্রি সহজ করতে মাশরাফি রাজনৈতিক, সামাজিক নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসন ও কিছু কৃষকের সঙ্গে আলোচনা করে জেলা প্রশাসন ও খাদ্য অফিসকে অনুরোধ করেছেন কৃষকের বাড়িতে বাড়িতে যেয়ে ধান ক্রয় করতে।

এক্ষেত্রে যাবতীয় পরিবহন খরচ সাংসদ মাশরাফি নিজেই বহন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ফলে জেলার খাদ্য বিভাগ নির্বিঘ্নে কৃষকদের বাড়িতে গিয়ে ধান ক্রয় করছে। আর বাজারের দামের সাথে সরকারি দামের তারতম্য না থাকায় কৃষকরা উৎসাহ নিয়ে কষ্ট করে ফলানো ধান আনন্দের সাথে বিক্রি করছে।

স্হানীয় কৃষক কোহিনুর রহমান এমপি মাশরাফিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, রোদে পুড়ে,বৃষ্টিতে ভিজে আমরা যে সোনার ধান ফলাই, সরাসরি আমাদের কাছ থেকে ধান কেনায় আমরা আজ লাভবান হচ্ছি। আমাদের কষ্ট আজ সার্থক হয়েছে। করোনার কারণে ধান বিক্রি ও ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে কৃষকদের যে শঙ্কা ছিল, তাও দূর হয়েছে বলে জানান এই কৃষক।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ মনিরুল ইসলাম জানান, মাননীয় সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা আমাদের ২টি ট্রাক দিয়েছেন যা নিয়ে আমরা নড়াইল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে যাই। যেখান থেকে কৃষক কোহিনুর রহমান, বিন্দু রহমান ও আরতি দাসের নিকট থেকে ১ টন করে ধান ক্রয় করি এবং ওইখানেই তাদের হাতে ২৬,০০০ টাকার চেক প্রদান করি। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে ০১৯১২৬৯৬৯৩১ এই নম্বরে বা সরাসরি খাদ্য অফিসে যোগাযোগের অনুরোধ করছি। তাহলে আমরা তার বাড়ি গিয়ে ধান কিনে আনবো।

নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নিজামউদ্দিন খান নীলু জানান, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সারাদেশে কৃষকদের পাশে দাড়াচ্ছেন। আর করোনার মধ্যেও নড়াইলে ধান কেনার এমন অভিনব কার্যক্রম চালু করায় মাশরাফিকে ধন্যবাদ জানান তিনি। করোনা পরিস্থিতিতে কৃষকের বাড়িতে গিয়ে ধান কেনার এই পদ্ধতি অনুসরণে দেশের সংশ্লিষ্ট সকলকে আহবান জানান জেলা আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা জানান, ধানের বর্তমান বাজার মূল্য ৯০০ টাকা থেকে ১০৫০ টাকা আর সরকার নির্ধারিত মূল্য ১০৪০ টাকা। ফলে বাড়িতে গিয়ে ১০৪০ টাকা দিয়ে ধান কেনায় কৃষকরা অনেক আনন্দিত। কৃষকদের ধান বিক্রি সহজিকরণে ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজাকে ধন্যবাদ জানান।


প্রিন্ট