ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গ আরও এক মাস লকডাউনে

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : করোনা মোকাবিলায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আরও এক মাসের জন্য লকডাউনের মেয়াদ বাড়ছে। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘোষণা দিয়েছেন।

রাজ্যে লকডাউনের চলতি মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ৩০ জুন।

মমতা জানান, ৩১ জুলাই পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে লকডাউন জারি থাকবে। রাজ্যে সর্বদলীয় বৈঠকে পরিস্থিতি বিবেচনা করে তিনি লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই দফার লকডাউনে নতুন কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে না। যে সব বিধিনিষেধ এত দিন জারি ছিল, সেগুলোই বহাল থাকবে। অর্থাৎ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। লোকাল ট্রেন ও মেট্রোরেল পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে।

পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইন জানিয়েছে, আগের দফার মতো এবারও কন্টেনমেন্ট এলাকাগুলোতেই মূলত কঠোর বিধিনিষেধ জারি থাকবে। অন্যান্য এলাকায় থাকবে সামাজিক দূরত্ব বিধি এবং নৈশকালীন বিধিনিষেধ। বাস, ট্যাক্সি, অটোসহ নানা গণপরিহণের জন্য যে সব আচরণ বিধি বেঁধে দেওয়া হয়েছে, বহাল থাকবে সে সবও।

নবান্নে বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করছেন তিনি। ঘূর্ণিঝড় আমপানের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সব এলাকা, সেই সব এলাকার ত্রাণ ও পুনর্গঠনের কাজ কীভাবে হবে, তা খতিয়ে দেখবে কমিটি। কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতেই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গ আরও এক মাস লকডাউনে

আপডেট টাইম : ১১:০১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২০

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : করোনা মোকাবিলায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আরও এক মাসের জন্য লকডাউনের মেয়াদ বাড়ছে। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘোষণা দিয়েছেন।

রাজ্যে লকডাউনের চলতি মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ৩০ জুন।

মমতা জানান, ৩১ জুলাই পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে লকডাউন জারি থাকবে। রাজ্যে সর্বদলীয় বৈঠকে পরিস্থিতি বিবেচনা করে তিনি লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই দফার লকডাউনে নতুন কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে না। যে সব বিধিনিষেধ এত দিন জারি ছিল, সেগুলোই বহাল থাকবে। অর্থাৎ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। লোকাল ট্রেন ও মেট্রোরেল পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে।

পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইন জানিয়েছে, আগের দফার মতো এবারও কন্টেনমেন্ট এলাকাগুলোতেই মূলত কঠোর বিধিনিষেধ জারি থাকবে। অন্যান্য এলাকায় থাকবে সামাজিক দূরত্ব বিধি এবং নৈশকালীন বিধিনিষেধ। বাস, ট্যাক্সি, অটোসহ নানা গণপরিহণের জন্য যে সব আচরণ বিধি বেঁধে দেওয়া হয়েছে, বহাল থাকবে সে সবও।

নবান্নে বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করছেন তিনি। ঘূর্ণিঝড় আমপানের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সব এলাকা, সেই সব এলাকার ত্রাণ ও পুনর্গঠনের কাজ কীভাবে হবে, তা খতিয়ে দেখবে কমিটি। কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতেই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।


প্রিন্ট