ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

লঞ্চডুবিতে নিহতদের মুন্সীগঞ্জের বাড়িতে আহাজারি

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: ঢাকার শ্যামবাজার এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চ এমএল মরনিং বার্ড ডুবে যায়। লঞ্চটি মুন্সীগঞ্জের মীরকাদিম থেকে সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৮টায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে এসেছিল। এর বেশির ভাগ যাত্রী ছিলেন মুন্সীগঞ্জের। মুন্সীগঞ্জে নিহতদের স্বজনদের মধ্যে এখন চলছে আহাজারি।

মুন্সীগঞ্জের রিকাবীবাজারের পশ্চিমপাড়ার দিদার হোসেন (৪৫) ছিলেন ঢাকার রহমতগঞ্জের ডালের ব্যবসায়ী। সোমবার সকালে বড় বোনের অসুস্থ স্বামীকে দেখতে বোন রুমা বেগমকে (৪০) নিয়ে তিনি ঢাকার উদ্দেশে লঞ্চে করে রওনা হন। দুর্ঘটনায় বোনসহ তিনি নিহত হন। স্বজনরা জানান, মাত্র সাত মাস আগে বিয়ে করেছিলেন দিদার।
এ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন মীরকাদিম এলাকার পশ্চিম পাড়ার সুফিয়া বেগম (৫০)। তিনি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছিলেন। এখন মুন্সীগঞ্জে চলছে তার স্বজনদের আহাজারি ও লাশ গ্রহণের অপেক্ষা।

পশ্চিমপাড়া নিবাসী রুবেল জানান, পশ্চিমপাড়ায় মারা গেছেন চার জন। এর মধ্যে তিন জনের লাশ আনা হয়েছে। সুফিয়া বেগমের লাশ এখনও পৌঁছায়নি। তার সঙ্গে মেয়ে সুমা বেগম ছিলেন। তিনি বেঁচে ফিরেছেন।

রুবেল আরও জানান, পশ্চিমপাড়ার শরিফ দোকানের মালামাল আনতে ঢাকা যাচ্ছিলেন। তিনি স্থানীয় শাহজাহান শরীফের ছেলে। তার লাশও আনা হয়েছে।

এদিকে, মুন্সীগঞ্জের ঠিক কতজন মারা গেছেন তা এখনও জানাতে পারেনি জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘আমরা এখনও জানি না কতজন লোক লঞ্চে ছিল এবং তার মধ্যে মুন্সীগঞ্জের কতজন মারা গেছেন। আমরা তালিকা তৈরির চেষ্টা করছি এবং দুর্ঘটনার স্থল ঢাকার জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে তালিকা সংগ্রহের চেষ্টা করছি।’

তিনি আরও জানান, নিহতদের মধ্যে দরিদ্রদের ২০ হাজার করে অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

লঞ্চডুবিতে নিহতদের মুন্সীগঞ্জের বাড়িতে আহাজারি

আপডেট টাইম : ১১:১৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২০

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: ঢাকার শ্যামবাজার এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চ এমএল মরনিং বার্ড ডুবে যায়। লঞ্চটি মুন্সীগঞ্জের মীরকাদিম থেকে সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৮টায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে এসেছিল। এর বেশির ভাগ যাত্রী ছিলেন মুন্সীগঞ্জের। মুন্সীগঞ্জে নিহতদের স্বজনদের মধ্যে এখন চলছে আহাজারি।

মুন্সীগঞ্জের রিকাবীবাজারের পশ্চিমপাড়ার দিদার হোসেন (৪৫) ছিলেন ঢাকার রহমতগঞ্জের ডালের ব্যবসায়ী। সোমবার সকালে বড় বোনের অসুস্থ স্বামীকে দেখতে বোন রুমা বেগমকে (৪০) নিয়ে তিনি ঢাকার উদ্দেশে লঞ্চে করে রওনা হন। দুর্ঘটনায় বোনসহ তিনি নিহত হন। স্বজনরা জানান, মাত্র সাত মাস আগে বিয়ে করেছিলেন দিদার।
এ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন মীরকাদিম এলাকার পশ্চিম পাড়ার সুফিয়া বেগম (৫০)। তিনি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছিলেন। এখন মুন্সীগঞ্জে চলছে তার স্বজনদের আহাজারি ও লাশ গ্রহণের অপেক্ষা।

পশ্চিমপাড়া নিবাসী রুবেল জানান, পশ্চিমপাড়ায় মারা গেছেন চার জন। এর মধ্যে তিন জনের লাশ আনা হয়েছে। সুফিয়া বেগমের লাশ এখনও পৌঁছায়নি। তার সঙ্গে মেয়ে সুমা বেগম ছিলেন। তিনি বেঁচে ফিরেছেন।

রুবেল আরও জানান, পশ্চিমপাড়ার শরিফ দোকানের মালামাল আনতে ঢাকা যাচ্ছিলেন। তিনি স্থানীয় শাহজাহান শরীফের ছেলে। তার লাশও আনা হয়েছে।

এদিকে, মুন্সীগঞ্জের ঠিক কতজন মারা গেছেন তা এখনও জানাতে পারেনি জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘আমরা এখনও জানি না কতজন লোক লঞ্চে ছিল এবং তার মধ্যে মুন্সীগঞ্জের কতজন মারা গেছেন। আমরা তালিকা তৈরির চেষ্টা করছি এবং দুর্ঘটনার স্থল ঢাকার জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে তালিকা সংগ্রহের চেষ্টা করছি।’

তিনি আরও জানান, নিহতদের মধ্যে দরিদ্রদের ২০ হাজার করে অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।


প্রিন্ট