ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত বছর পর নাটকে ফিরলেন শার্লিন ফারজানা `২৪-এর আন্দোলন ফাইনাল যুদ্ধ নয়, এটা ছিল যুদ্ধের রিহার্সেল’ অস্ট্রেলিয়া সফরের অভিজ্ঞতা সামনে কাজে লাগাতে চান শান্ত থাইল্যান্ডে একযোগে ৫১ হামলা ও অগ্নিসংযোগ: আইএসওসি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিমের বিশ্বব্যাপী প্রচার-প্রচারণা জোরদার প্রবাসীদের অধিকার, মানবিক সহায়তা ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে নতুন উদ্যোক্তা ও স্বেচ্ছাসেবীদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ বঙ্গভবনে নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপদ আকাশপথ নিশ্চিতে দক্ষ জনবল গড়তে এটিসি বেসিক কোর্স শুরু উল্লাপাড়ায় তাঁত বোর্ড চেয়ারম্যানকে ইউসুফ সরকারের ফুলেল শুভেচ্ছা উল্লাপাড়ায় বালুবাহী ট্রাকের চাপায় শিক্ষক নিহত

লঞ্চডুবিতে নিহতদের মুন্সীগঞ্জের বাড়িতে আহাজারি

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: ঢাকার শ্যামবাজার এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চ এমএল মরনিং বার্ড ডুবে যায়। লঞ্চটি মুন্সীগঞ্জের মীরকাদিম থেকে সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৮টায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে এসেছিল। এর বেশির ভাগ যাত্রী ছিলেন মুন্সীগঞ্জের। মুন্সীগঞ্জে নিহতদের স্বজনদের মধ্যে এখন চলছে আহাজারি।

মুন্সীগঞ্জের রিকাবীবাজারের পশ্চিমপাড়ার দিদার হোসেন (৪৫) ছিলেন ঢাকার রহমতগঞ্জের ডালের ব্যবসায়ী। সোমবার সকালে বড় বোনের অসুস্থ স্বামীকে দেখতে বোন রুমা বেগমকে (৪০) নিয়ে তিনি ঢাকার উদ্দেশে লঞ্চে করে রওনা হন। দুর্ঘটনায় বোনসহ তিনি নিহত হন। স্বজনরা জানান, মাত্র সাত মাস আগে বিয়ে করেছিলেন দিদার।
এ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন মীরকাদিম এলাকার পশ্চিম পাড়ার সুফিয়া বেগম (৫০)। তিনি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছিলেন। এখন মুন্সীগঞ্জে চলছে তার স্বজনদের আহাজারি ও লাশ গ্রহণের অপেক্ষা।

পশ্চিমপাড়া নিবাসী রুবেল জানান, পশ্চিমপাড়ায় মারা গেছেন চার জন। এর মধ্যে তিন জনের লাশ আনা হয়েছে। সুফিয়া বেগমের লাশ এখনও পৌঁছায়নি। তার সঙ্গে মেয়ে সুমা বেগম ছিলেন। তিনি বেঁচে ফিরেছেন।

রুবেল আরও জানান, পশ্চিমপাড়ার শরিফ দোকানের মালামাল আনতে ঢাকা যাচ্ছিলেন। তিনি স্থানীয় শাহজাহান শরীফের ছেলে। তার লাশও আনা হয়েছে।

এদিকে, মুন্সীগঞ্জের ঠিক কতজন মারা গেছেন তা এখনও জানাতে পারেনি জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘আমরা এখনও জানি না কতজন লোক লঞ্চে ছিল এবং তার মধ্যে মুন্সীগঞ্জের কতজন মারা গেছেন। আমরা তালিকা তৈরির চেষ্টা করছি এবং দুর্ঘটনার স্থল ঢাকার জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে তালিকা সংগ্রহের চেষ্টা করছি।’

তিনি আরও জানান, নিহতদের মধ্যে দরিদ্রদের ২০ হাজার করে অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাত বছর পর নাটকে ফিরলেন শার্লিন ফারজানা

লঞ্চডুবিতে নিহতদের মুন্সীগঞ্জের বাড়িতে আহাজারি

আপডেট টাইম : ১১:১৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২০

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: ঢাকার শ্যামবাজার এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চ এমএল মরনিং বার্ড ডুবে যায়। লঞ্চটি মুন্সীগঞ্জের মীরকাদিম থেকে সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৮টায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে এসেছিল। এর বেশির ভাগ যাত্রী ছিলেন মুন্সীগঞ্জের। মুন্সীগঞ্জে নিহতদের স্বজনদের মধ্যে এখন চলছে আহাজারি।

মুন্সীগঞ্জের রিকাবীবাজারের পশ্চিমপাড়ার দিদার হোসেন (৪৫) ছিলেন ঢাকার রহমতগঞ্জের ডালের ব্যবসায়ী। সোমবার সকালে বড় বোনের অসুস্থ স্বামীকে দেখতে বোন রুমা বেগমকে (৪০) নিয়ে তিনি ঢাকার উদ্দেশে লঞ্চে করে রওনা হন। দুর্ঘটনায় বোনসহ তিনি নিহত হন। স্বজনরা জানান, মাত্র সাত মাস আগে বিয়ে করেছিলেন দিদার।
এ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন মীরকাদিম এলাকার পশ্চিম পাড়ার সুফিয়া বেগম (৫০)। তিনি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছিলেন। এখন মুন্সীগঞ্জে চলছে তার স্বজনদের আহাজারি ও লাশ গ্রহণের অপেক্ষা।

পশ্চিমপাড়া নিবাসী রুবেল জানান, পশ্চিমপাড়ায় মারা গেছেন চার জন। এর মধ্যে তিন জনের লাশ আনা হয়েছে। সুফিয়া বেগমের লাশ এখনও পৌঁছায়নি। তার সঙ্গে মেয়ে সুমা বেগম ছিলেন। তিনি বেঁচে ফিরেছেন।

রুবেল আরও জানান, পশ্চিমপাড়ার শরিফ দোকানের মালামাল আনতে ঢাকা যাচ্ছিলেন। তিনি স্থানীয় শাহজাহান শরীফের ছেলে। তার লাশও আনা হয়েছে।

এদিকে, মুন্সীগঞ্জের ঠিক কতজন মারা গেছেন তা এখনও জানাতে পারেনি জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘আমরা এখনও জানি না কতজন লোক লঞ্চে ছিল এবং তার মধ্যে মুন্সীগঞ্জের কতজন মারা গেছেন। আমরা তালিকা তৈরির চেষ্টা করছি এবং দুর্ঘটনার স্থল ঢাকার জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে তালিকা সংগ্রহের চেষ্টা করছি।’

তিনি আরও জানান, নিহতদের মধ্যে দরিদ্রদের ২০ হাজার করে অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।


প্রিন্ট