ঢাকা ১১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হালিশহরে সত্য আর মানবতার মহান ঈদে আজম উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত। গফরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ৩ বছরের ২ শিশুর মৃত্যু কুড়িগ্রামে খ্রিস্টানদের প্রতারণা-হুমকির অভিযোগ, আলেমদের সহায়তায় ইসলামে ফিরলেন দেলু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্ম উৎসব শুভ জন্মাষ্টমী সুনামগঞ্জে জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে দোকানের গোডাউনের তালা ভেঙে ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরির মামলায় এক যুবক আটক ‎ সাব্বাস ট্রাফিক পুলিশ নবীপ্রেমে আদাবর ১০ নম্বর এলাকায় মিলাদ মাহফিল, আয়োজনে বশির মাইজভান্ডারী শিবপুরে তৃনমুল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়ার চিহ্নিত করন, ও বিকাশের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত জমি জালিয়াতি, বসতবাড়ি দখলের অভিযোগ; পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

পার্বত্য চট্টগ্রামে নতুন করে বাঘ ছাড়ার চিন্তা সরকারের

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জঙ্গলে নতুন করে বাঘ ছাড়ার চিন্তা করছে সরকার। ইতোমধ্যেই ওই অঞ্চলে বাঘ ছাড়া যায় কিনা এবং সেখানে বাঘের পুনঃপ্রবর্তন করা হলে এগুলো টিকে থাকতে পারবে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে একটি সমীক্ষার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরীর বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলা তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নতুন করে বাঘ ছাড়ার আগে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের ওই বনে বাঘের থাকার উপযোগী পরিবেশ ও খাদ্য আছে কিনা এবং একই সঙ্গে সেখানে বাঘের জন্য কোনো হুমকি আছে কিনা- তা সমীক্ষা করে দেখা হবে।

বন কর্মকর্তা বলেন, বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে এই সমীক্ষা চালানো হবে। তারা ট্র্যাকিং করে দেখবে পার্বত্য অঞ্চলে ইতোমধ্যেই বাঘের উপস্থিতি আছে কিনা। না থাকলেও তাদের আবাসস্থল ও খাদ্যের পরিবেশ আছে কিনা। একইসঙ্গে দেখা হবে বাঘ সেখানে ছাড়লে তারা টিকবে কিনা, সারভাইভ করবে কিনা।

এখন শুধু সুন্দরবনে বাঘের আবাসস্থল রয়েছে। যদিও এক সময় বেশিরভাগ অঞ্চলে বাঘের পদচারণা ছিল। সর্বশেষ বাঘ শুমারীর তথ্যানুযায়ী, শিকারীদের হাতে ব্যাপক সংখ্যায় বাঘ মারা পড়ার পর সুন্দরবনে মাত্র শ’খানেক বাঘ টিকে আছে।

প্রধান বন সংরক্ষক জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বাঘ নিয়ে যে ফিজিবিলিটি স্টাডিজ চালানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, সেটি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই অনুমোদন করেছে এবং খুব শিগগিরই বিশেষজ্ঞদের দায়িত্ব দেয়া হবে। আগামী বছরের জুনের মধ্যে সমীক্ষাটি শেষ করতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ওই অঞ্চলে বাঘের সম্ভাব্য যে উপস্থিতির কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো ভারত বা মিয়ানমার থেকেও আসতে পারে বলে মনে করেন আমীর হোসাইন চৌধুরী। সে কারণেই ওখানে বাঘের রিইনট্রোডাকশন করা যায় কিনা, সেই চিন্তা থেকেই সমীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হালিশহরে সত্য আর মানবতার মহান ঈদে আজম উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত।

পার্বত্য চট্টগ্রামে নতুন করে বাঘ ছাড়ার চিন্তা সরকারের

আপডেট টাইম : ১২:২২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জঙ্গলে নতুন করে বাঘ ছাড়ার চিন্তা করছে সরকার। ইতোমধ্যেই ওই অঞ্চলে বাঘ ছাড়া যায় কিনা এবং সেখানে বাঘের পুনঃপ্রবর্তন করা হলে এগুলো টিকে থাকতে পারবে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে একটি সমীক্ষার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরীর বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলা তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নতুন করে বাঘ ছাড়ার আগে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের ওই বনে বাঘের থাকার উপযোগী পরিবেশ ও খাদ্য আছে কিনা এবং একই সঙ্গে সেখানে বাঘের জন্য কোনো হুমকি আছে কিনা- তা সমীক্ষা করে দেখা হবে।

বন কর্মকর্তা বলেন, বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে এই সমীক্ষা চালানো হবে। তারা ট্র্যাকিং করে দেখবে পার্বত্য অঞ্চলে ইতোমধ্যেই বাঘের উপস্থিতি আছে কিনা। না থাকলেও তাদের আবাসস্থল ও খাদ্যের পরিবেশ আছে কিনা। একইসঙ্গে দেখা হবে বাঘ সেখানে ছাড়লে তারা টিকবে কিনা, সারভাইভ করবে কিনা।

এখন শুধু সুন্দরবনে বাঘের আবাসস্থল রয়েছে। যদিও এক সময় বেশিরভাগ অঞ্চলে বাঘের পদচারণা ছিল। সর্বশেষ বাঘ শুমারীর তথ্যানুযায়ী, শিকারীদের হাতে ব্যাপক সংখ্যায় বাঘ মারা পড়ার পর সুন্দরবনে মাত্র শ’খানেক বাঘ টিকে আছে।

প্রধান বন সংরক্ষক জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বাঘ নিয়ে যে ফিজিবিলিটি স্টাডিজ চালানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, সেটি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই অনুমোদন করেছে এবং খুব শিগগিরই বিশেষজ্ঞদের দায়িত্ব দেয়া হবে। আগামী বছরের জুনের মধ্যে সমীক্ষাটি শেষ করতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ওই অঞ্চলে বাঘের সম্ভাব্য যে উপস্থিতির কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো ভারত বা মিয়ানমার থেকেও আসতে পারে বলে মনে করেন আমীর হোসাইন চৌধুরী। সে কারণেই ওখানে বাঘের রিইনট্রোডাকশন করা যায় কিনা, সেই চিন্তা থেকেই সমীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


প্রিন্ট