ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

অটোপাসের সুযোগ নেই অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের : উপাচার্য

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাকি থাকা পরীক্ষাগুলো নেয়ার সব প্রস্তুতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ। তিনি বলেছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের অটোপাসের সুযোগ নেই।

সম্প্রতি গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে অটোপাসের দাবিতে বিভিন্ন কলেজের বিএ (সম্মান) ও চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। উপাচার্য বলেন, অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের অটোপাসের কোনও সুযোগ নেই। এটা প্রথম কিংবা দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা বললে তখন সেটা বিবেচনা করা যেত।

এদিকে আজ সোমবার দুপুরেও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বোর্ডবাজার এলাকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে স্নাতক প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশের দাবিতে মানববন্ধন ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে এ বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, মৌখিক ও বিজ্ঞান বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষার গড় পদ্ধতি অনুসরণ করে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে ফল ও করোনা পরিস্থিতিতে কলেজসমূহ বন্ধ হওয়ার আগে চতুর্থ বর্ষের অনুষ্ঠিত পাঁচটি বিষয়ে পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে বাকি বিষয়গুলো ইনকোর্স পরীক্ষার নম্বর মূল্যায়ন করে ফল প্রকাশ করতে হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, স্বয়ংক্রিয় পাশের বিষয়টি এখনো ভাবা হচ্ছে না। আমরা অপেক্ষা করছি। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় এনে এই মুহূর্তে ফেস টু ফেস পরীক্ষাও নেওয়া যাচ্ছে না। তাই আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। ভ্যাকসিন এলেও সমস্যার সমাধান হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। আমরা শুধু করোনার প্রকোপ কমার অপেক্ষা করছি। পরিস্থিতি একটু উন্নতি হলে আমরা একদিনও কালক্ষেপণ করবো না। ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষার্থীদের অর্ধেক পরীক্ষা হয়ে গেছে। অবশিষ্ট পরীক্ষা পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলেই নিয়ে নেয়া হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

অটোপাসের সুযোগ নেই অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের : উপাচার্য

আপডেট টাইম : ০২:২২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২০

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাকি থাকা পরীক্ষাগুলো নেয়ার সব প্রস্তুতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ। তিনি বলেছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের অটোপাসের সুযোগ নেই।

সম্প্রতি গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে অটোপাসের দাবিতে বিভিন্ন কলেজের বিএ (সম্মান) ও চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। উপাচার্য বলেন, অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের অটোপাসের কোনও সুযোগ নেই। এটা প্রথম কিংবা দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা বললে তখন সেটা বিবেচনা করা যেত।

এদিকে আজ সোমবার দুপুরেও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বোর্ডবাজার এলাকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে স্নাতক প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশের দাবিতে মানববন্ধন ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে এ বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, মৌখিক ও বিজ্ঞান বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষার গড় পদ্ধতি অনুসরণ করে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে ফল ও করোনা পরিস্থিতিতে কলেজসমূহ বন্ধ হওয়ার আগে চতুর্থ বর্ষের অনুষ্ঠিত পাঁচটি বিষয়ে পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে বাকি বিষয়গুলো ইনকোর্স পরীক্ষার নম্বর মূল্যায়ন করে ফল প্রকাশ করতে হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, স্বয়ংক্রিয় পাশের বিষয়টি এখনো ভাবা হচ্ছে না। আমরা অপেক্ষা করছি। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় এনে এই মুহূর্তে ফেস টু ফেস পরীক্ষাও নেওয়া যাচ্ছে না। তাই আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। ভ্যাকসিন এলেও সমস্যার সমাধান হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। আমরা শুধু করোনার প্রকোপ কমার অপেক্ষা করছি। পরিস্থিতি একটু উন্নতি হলে আমরা একদিনও কালক্ষেপণ করবো না। ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষার্থীদের অর্ধেক পরীক্ষা হয়ে গেছে। অবশিষ্ট পরীক্ষা পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলেই নিয়ে নেয়া হবে।


প্রিন্ট