ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

এবার আলমগীর ও দীপেন পেলেন ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার

 

বিনোদন প্রতিবেদক: চলচ্চিত্র সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃৎ, প্রথম চলচ্চিত্র বিষয়ক পত্রিকা সিনেমা’র সম্পাদক, প্রথম শিশু চলচ্চিত্র ‘প্রেসিডেন্ট’-এর পরিচালক হলেন ফজলুল হক। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে (২৬ অক্টোবর) প্রতিবছর দেওয়া হয় ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার’।

এবার এটি পেলেন চিত্রনায়ক আলমগীর ও সাংবাদিক শামীম আলম দীপেন। তারা যথাক্রমে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও সাংবাদিকতার জন্য এই স্বীকৃতি পেয়েছেন।

ফজলুল হক স্মৃতি কমিটির উদ্যোগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে চ্যানেল আইয়ে আয়োজন করা হয় এ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের। যেখানে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার, নির্মাতা নাসিরউদ্দিন ইউসুফ, সৈয়দ সালাহউদ্দীন জাকীসহ ফজলুল হকের স্নেহধন্য অনেকে। অনলাইনে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন ফজলুল হকের মেয়ে রন্ধনশিল্পী কেকা ফেরদৌসী।

পুরস্কারপ্রাপ্তির পর আলমগীর বলেন, ‘অভিনেতা হিসেবে জীবনে বহু পুরস্কার আমি পেয়েছি, সম্মাননা পেয়েছি। তবে পরিচালক হিসেবে এই পুরস্কার আমার জন্য বিরাট স্বীকৃতির।

শামীম আলম দীপেন নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি ফজলুল হক সাহেবকে দেখিনি, তবে আমি ফরিদুর রেজা সাগরকে দেখেছি। তার যে আলোকিত জীবন, তা থেকেই ফজলুল হককে চেনা যায়। আমি সত্যিই খুব আনন্দিত আজকের এই পুরস্কারটি পেয়ে। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সাল থেকে ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার’ প্রবর্তন করেন বিশিষ্ট কথাশিল্পী রাবেয়া খাতুন। ইতোমধ্যে এই পুরস্কার পেয়েছেন সাইদুল আনাম টুটুল এবং ফজল শাহাবুদ্দিন (২০০৪), চাষী নজরুল ইসলাম ও আহমদ জামান চৌধুরী (২০০৫), হুমায়ূন আহমেদ ও মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান (২০০৬), সুভাষ দত্ত ও হীরেন দে (২০০৭), গোলাম রাব্বানী বিপ্লব ও আবদুর রহমান (২০০৮), আমজাদ হোসেন ও সৈয়দ শামসুল হক (২০০৯), মোরশেদুল ইসলাম ও চিন্ময় মুৎসুদ্দি (২০১০), ই আর খান ও অনুপম হায়াৎ (২০১১), নাসিরউদ্দিন ইউসুফ ও গোলাম সারোয়ার (২০১২), রাজ্জাক ও রেজানুর রহমান (২০১৩), সৈয়দ সালাহউদ্দিন জাকী ও আরেফিন বাদল (২০১৪), মাসুদ পারভেজ ও শহীদুল হক খান (২০১৫), আজিজুর রহমান ও মোস্তফা জব্বার (২০১৬), আবদুল লতিফ বাচ্চু ও নরেশ ভুঁইয়া (২০১৭), মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও শফিউজ্জামান খান লোদী (২০১৮), কোহিনূর আখতার সুচন্দা ও রাফি হোসেন (২০১৯)।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

এবার আলমগীর ও দীপেন পেলেন ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার

আপডেট টাইম : ১২:০৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০

 

বিনোদন প্রতিবেদক: চলচ্চিত্র সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃৎ, প্রথম চলচ্চিত্র বিষয়ক পত্রিকা সিনেমা’র সম্পাদক, প্রথম শিশু চলচ্চিত্র ‘প্রেসিডেন্ট’-এর পরিচালক হলেন ফজলুল হক। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে (২৬ অক্টোবর) প্রতিবছর দেওয়া হয় ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার’।

এবার এটি পেলেন চিত্রনায়ক আলমগীর ও সাংবাদিক শামীম আলম দীপেন। তারা যথাক্রমে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও সাংবাদিকতার জন্য এই স্বীকৃতি পেয়েছেন।

ফজলুল হক স্মৃতি কমিটির উদ্যোগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে চ্যানেল আইয়ে আয়োজন করা হয় এ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের। যেখানে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার, নির্মাতা নাসিরউদ্দিন ইউসুফ, সৈয়দ সালাহউদ্দীন জাকীসহ ফজলুল হকের স্নেহধন্য অনেকে। অনলাইনে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন ফজলুল হকের মেয়ে রন্ধনশিল্পী কেকা ফেরদৌসী।

পুরস্কারপ্রাপ্তির পর আলমগীর বলেন, ‘অভিনেতা হিসেবে জীবনে বহু পুরস্কার আমি পেয়েছি, সম্মাননা পেয়েছি। তবে পরিচালক হিসেবে এই পুরস্কার আমার জন্য বিরাট স্বীকৃতির।

শামীম আলম দীপেন নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি ফজলুল হক সাহেবকে দেখিনি, তবে আমি ফরিদুর রেজা সাগরকে দেখেছি। তার যে আলোকিত জীবন, তা থেকেই ফজলুল হককে চেনা যায়। আমি সত্যিই খুব আনন্দিত আজকের এই পুরস্কারটি পেয়ে। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সাল থেকে ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার’ প্রবর্তন করেন বিশিষ্ট কথাশিল্পী রাবেয়া খাতুন। ইতোমধ্যে এই পুরস্কার পেয়েছেন সাইদুল আনাম টুটুল এবং ফজল শাহাবুদ্দিন (২০০৪), চাষী নজরুল ইসলাম ও আহমদ জামান চৌধুরী (২০০৫), হুমায়ূন আহমেদ ও মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান (২০০৬), সুভাষ দত্ত ও হীরেন দে (২০০৭), গোলাম রাব্বানী বিপ্লব ও আবদুর রহমান (২০০৮), আমজাদ হোসেন ও সৈয়দ শামসুল হক (২০০৯), মোরশেদুল ইসলাম ও চিন্ময় মুৎসুদ্দি (২০১০), ই আর খান ও অনুপম হায়াৎ (২০১১), নাসিরউদ্দিন ইউসুফ ও গোলাম সারোয়ার (২০১২), রাজ্জাক ও রেজানুর রহমান (২০১৩), সৈয়দ সালাহউদ্দিন জাকী ও আরেফিন বাদল (২০১৪), মাসুদ পারভেজ ও শহীদুল হক খান (২০১৫), আজিজুর রহমান ও মোস্তফা জব্বার (২০১৬), আবদুল লতিফ বাচ্চু ও নরেশ ভুঁইয়া (২০১৭), মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও শফিউজ্জামান খান লোদী (২০১৮), কোহিনূর আখতার সুচন্দা ও রাফি হোসেন (২০১৯)।


প্রিন্ট