ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

টাকার জন্যই মামলা করেছিলেন নুসরাত?

মুনিয়ার মৃত্যুর পর কি কারণে চট জলদি আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন নুসরাত? এই প্রশ্নেই এখন মুনিয়া মৃত্যু তদন্ত ঘুরপাক খাচ্ছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টের আগে, কি হয়েছে তা ভালো করে জানা বোঝার আগেই নুসরাত আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা করতে গুলশান থানায় বিলাশবহুল গাড়ি নিয়ে গেলেন কেন? প্রশ্ন উঠেছে, এই মামলা দ্রুত করার জন্য কি নুসরাতের ওপর চাপ ছিলো? এ ব্যাপারে অনুসন্ধান করে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, মুনিয়ার মৃত্যুর খবর নুসরাত প্রথমেই ফোনে জানান শারুনকে। এরপর শারুনের নির্দেশেই নুসরাত একের পর এক সব কিছু করতে থাকেন। নুসরাত গুলশানের ১২০ নম্বর বাসা থেকে যখন থানায় জানান, তখন শারুনের লোকজন তার সঙ্গে ছিলো। এই মামলা যে শারুনের প্ররোচনায় নুসরাত করেছেন এ সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য এখন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে আছে। বিশেষ করে, মুনিয়ার মৃত্যুর পর বার বার শারুনের সঙ্গে নুসরাতের টেলি আলাপ এবং টেক্সট বিনিময় থেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মোটামুটি নিশ্চিত যে, এই মামলা করার পেছনে অন্যতম মদদদাতা শারুন।

শারুন তার ব্যক্তিগত ক্ষোভ আক্রোশ থেকে এই মামলা করতে নুসরাতকে প্ররোচিত করেন। মামলা করলে, নুসরাতকে প্রচুর টাকা দেয়ার প্রলোভন দেখিয়েছিলেন শারুন। টাকার লোভেই হিতাহিত জ্ঞানশূণ্য হয়ে পরেন নুসরাত। মুনিয়ার মৃত্যুর পরপরই মামলা করতে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। অপরাধ বিজ্ঞানীরা বলেন, অপরাধীরা সব সময় অপরাধের একটি ক্লু রেখে যায়। পোষ্টমর্টেমের আগেই মামলা হলো নুসরাতের অপরাধের ক্লু। নুসরাত মামলার পর যখন শারুনের নাম সামনে আসে তখন পিছিয়ে পরেন তিনি। এমনিতেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই্ এর মধ্যে একজন ব্যাংক কর্মকর্তা আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার দাবি বেশ জোরে শোরে উঠেছে। ফলে শারুন এখন নুসরাতের সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দিয়েছে। নুসরাতকে যে অর্থ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো শারুন তাও দেয়নি।

এ অবস্থায় মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরেছেন নুসরাত। কয়েকজনকে মামলা নিয়ে অনাগ্রহের কথাও বলেছেন। এর মধ্যে নুসরাতকে মামলা চালিয়ে যেতে নতুন প্ররোচনাকারী হিসেবে এসেছে আশিয়ান সিটির নজরুল ইসলাম। নজরুলের বিরুদ্ধেও প্রতারণা এবং জালিয়াতির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এখন নুসরাতের নতুন ‘গডফাদার’ হিসেবে সামনে এসেছে নজরুল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে, আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন সদস্য বলেছেন ‘এই মামলায় মেরিট কিছু নেই। এখন নজরুলই এই মামলা টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন মহলে দেন দরবার করছেন। নজরুলই এখন নুসরাতকে টাকা দিয়েছেন বলেও জানা গেছে। সূত্র: বাংলা ইনসাইডার


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

টাকার জন্যই মামলা করেছিলেন নুসরাত?

আপডেট টাইম : ০৭:৩০:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মে ২০২১

মুনিয়ার মৃত্যুর পর কি কারণে চট জলদি আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন নুসরাত? এই প্রশ্নেই এখন মুনিয়া মৃত্যু তদন্ত ঘুরপাক খাচ্ছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টের আগে, কি হয়েছে তা ভালো করে জানা বোঝার আগেই নুসরাত আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা করতে গুলশান থানায় বিলাশবহুল গাড়ি নিয়ে গেলেন কেন? প্রশ্ন উঠেছে, এই মামলা দ্রুত করার জন্য কি নুসরাতের ওপর চাপ ছিলো? এ ব্যাপারে অনুসন্ধান করে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, মুনিয়ার মৃত্যুর খবর নুসরাত প্রথমেই ফোনে জানান শারুনকে। এরপর শারুনের নির্দেশেই নুসরাত একের পর এক সব কিছু করতে থাকেন। নুসরাত গুলশানের ১২০ নম্বর বাসা থেকে যখন থানায় জানান, তখন শারুনের লোকজন তার সঙ্গে ছিলো। এই মামলা যে শারুনের প্ররোচনায় নুসরাত করেছেন এ সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য এখন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে আছে। বিশেষ করে, মুনিয়ার মৃত্যুর পর বার বার শারুনের সঙ্গে নুসরাতের টেলি আলাপ এবং টেক্সট বিনিময় থেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মোটামুটি নিশ্চিত যে, এই মামলা করার পেছনে অন্যতম মদদদাতা শারুন।

শারুন তার ব্যক্তিগত ক্ষোভ আক্রোশ থেকে এই মামলা করতে নুসরাতকে প্ররোচিত করেন। মামলা করলে, নুসরাতকে প্রচুর টাকা দেয়ার প্রলোভন দেখিয়েছিলেন শারুন। টাকার লোভেই হিতাহিত জ্ঞানশূণ্য হয়ে পরেন নুসরাত। মুনিয়ার মৃত্যুর পরপরই মামলা করতে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। অপরাধ বিজ্ঞানীরা বলেন, অপরাধীরা সব সময় অপরাধের একটি ক্লু রেখে যায়। পোষ্টমর্টেমের আগেই মামলা হলো নুসরাতের অপরাধের ক্লু। নুসরাত মামলার পর যখন শারুনের নাম সামনে আসে তখন পিছিয়ে পরেন তিনি। এমনিতেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই্ এর মধ্যে একজন ব্যাংক কর্মকর্তা আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার দাবি বেশ জোরে শোরে উঠেছে। ফলে শারুন এখন নুসরাতের সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দিয়েছে। নুসরাতকে যে অর্থ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো শারুন তাও দেয়নি।

এ অবস্থায় মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরেছেন নুসরাত। কয়েকজনকে মামলা নিয়ে অনাগ্রহের কথাও বলেছেন। এর মধ্যে নুসরাতকে মামলা চালিয়ে যেতে নতুন প্ররোচনাকারী হিসেবে এসেছে আশিয়ান সিটির নজরুল ইসলাম। নজরুলের বিরুদ্ধেও প্রতারণা এবং জালিয়াতির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এখন নুসরাতের নতুন ‘গডফাদার’ হিসেবে সামনে এসেছে নজরুল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে, আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন সদস্য বলেছেন ‘এই মামলায় মেরিট কিছু নেই। এখন নজরুলই এই মামলা টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন মহলে দেন দরবার করছেন। নজরুলই এখন নুসরাতকে টাকা দিয়েছেন বলেও জানা গেছে। সূত্র: বাংলা ইনসাইডার


প্রিন্ট