ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

আবারো যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা আফগানিস্তানে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আফগানিস্তানে তালেবান নিয়ন্ত্রিত এলাকায় আবারো বিমান হামলা চালিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্। পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার এ হামলার কথা জানানো হয়েছে, এমনটাই বলছে এএফপি।

আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ হওয়ার পথে। এর মাঝে আফগানিস্তানের বহু এলাকা দখলে নিয়েছে তালেবান। বেশ কিছুদিন ধরে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তালেবানের সংঘর্ষে নিহত হন কয়েকশ মানুষ। তালেবানের নিয়ন্ত্রণ ঠেকাতে এবার ফের হামলায় যুক্ত হলো যুক্তরাষ্ট্র।

আফগানিস্তানের সরকারি বাহিনীর বরাত দিয়ে পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি জানান, ‘গত কয়েক দিনে আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করতে আমরা বিমান হামলা চালিয়েছি।’

এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি সেন্ট্রাল কমান্ড জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি এ হামলার বৈধতা দিয়েছেন। আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করতে এ রকম হামলা অব্যাহত থাকবে।

হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু না জানালেও গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন এক বিবৃতিতে জানান, যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও আফগান সরকারকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলে জানান, তালেবান জঙ্গিরা আফগানিস্তানের চার শতাধিক এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেও জনবহুল শহরগুলো নিতে পারেনি।

সেনা প্রত্যাহারের ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে সব সেনা প্রত্যাহার করা সম্পন্ন হবে।

এদিকে, তালেবানের এক মুখপাত্র রাশিয়ান গণমাধ্যমকে বলেন, আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী ৯০ শতাংশ এখন তাদের দখলে। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হলেও সেখানে সহজে শান্তি ফিরবে এমনটা মনে করছে না কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ

আবারো যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা আফগানিস্তানে

আপডেট টাইম : ১২:৩০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আফগানিস্তানে তালেবান নিয়ন্ত্রিত এলাকায় আবারো বিমান হামলা চালিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্। পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার এ হামলার কথা জানানো হয়েছে, এমনটাই বলছে এএফপি।

আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ হওয়ার পথে। এর মাঝে আফগানিস্তানের বহু এলাকা দখলে নিয়েছে তালেবান। বেশ কিছুদিন ধরে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তালেবানের সংঘর্ষে নিহত হন কয়েকশ মানুষ। তালেবানের নিয়ন্ত্রণ ঠেকাতে এবার ফের হামলায় যুক্ত হলো যুক্তরাষ্ট্র।

আফগানিস্তানের সরকারি বাহিনীর বরাত দিয়ে পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি জানান, ‘গত কয়েক দিনে আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করতে আমরা বিমান হামলা চালিয়েছি।’

এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি সেন্ট্রাল কমান্ড জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি এ হামলার বৈধতা দিয়েছেন। আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করতে এ রকম হামলা অব্যাহত থাকবে।

হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু না জানালেও গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন এক বিবৃতিতে জানান, যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও আফগান সরকারকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলে জানান, তালেবান জঙ্গিরা আফগানিস্তানের চার শতাধিক এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেও জনবহুল শহরগুলো নিতে পারেনি।

সেনা প্রত্যাহারের ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে সব সেনা প্রত্যাহার করা সম্পন্ন হবে।

এদিকে, তালেবানের এক মুখপাত্র রাশিয়ান গণমাধ্যমকে বলেন, আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী ৯০ শতাংশ এখন তাদের দখলে। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হলেও সেখানে সহজে শান্তি ফিরবে এমনটা মনে করছে না কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।


প্রিন্ট