ঢাকা ০১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

শিশুর হজমের সমস্যা; কারণ এবং প্রতিকার

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শিশুরা যত বেশি খেলাধুলা করবে; তাদের বিকাশ ঘটবে এবং শারীরিকভাবেও তারা সুস্থ থাকবে। খেলাধুলার অভ্যাস শিশুর হজমের সমস্যা কমায়। তবে করোনাকালে সব শিশুরাই ঘরবন্দি হয়ে আছে। নেই তাদের খেলাধুলা করার উপায় কিংবা স্কুলে যাওয়ার সুযোগ।

সেইসঙ্গে অনলাইন ক্লাস আর কম্পিউটার গেমসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এখন শিশুদের জীবন। এর ফলে দৈনন্দিন রুটিনেও এসেছে পরিবর্তন। দেরি করে ঘুমাতে যাওয়া, সকালে দেরি করে ওঠা। সময় মতো না খাওয়া ইত্যাদি অনিয়মের ফলে শিশুদের হজমশক্তির নানান সমস্যা ঘটছে।

এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমে সমস্যাসহ পেটের নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। খাবার সহজে হজম না হলে বমি ও অন্ত্রের সমস্যাও কিন্তু হতে পারে। জেনে নিন যেসব কারণে হজমের সমস্যা হয়ে থাকে শিশুদের-

কম চলাচল
পানি খাওয়ার পরিমাণ কম
অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবারও ফাস্টফুড খাওয়া
গভীর রাতে খাওয়া
দেরিতে ঘুমানো
খাবার খাওয়ায় অনিয়ম
ঘুমের ব্যাঘাত
ডায়েটে পর্যাপ্ত তরল দ্রব্য না থাকা

দীর্ঘদিন ধরে হজমের সমস্যা দেখা দিলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে। এর ফলে কম বয়সেই শিশু আক্রান্ত হতে পারে পাইলস, ফিস্টুলাসহ জটিল সব রোগে।

এমনকি অতিরিক্ত হজমের সমস্যার ফলে অল্প বয়সেই আলসার, তার থেকে কোলনের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। তাই এখন থেকেই শিশুর হজমজনিত সমস্যা দেখা দিলে কয়েকটি বিষয় মেনে চলতে হবে। জেনে নিন করণীয়-

প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস হালকা গরম পানি খাওয়াতে হবে।
এরপর ৪-৫টি ভেজানো কিসমিস, সঙ্গে দুইটি খেজুর খাওয়ান।
রাত্রে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম গরুর দুধ সঙ্গে এক চামচ ঘি দিতে হবে।
পেটের চারিদিকে হিং লাগিয়ে মালিশ করুন।
যেকোনো খাদ্যদ্রব্য সেদ্ধ করে খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ুন।
চিনি কম খাওয়াতে হবে।

প্যাকেটজাত খাবার যেমন- চিপস, বিস্কুট, কেকসহ ইত্যাদি খাবার পরিহার করুন।
বাইরের কোনো খাবারই শিশুকে খাওয়াবেন না।
যদি পিজ্জা, পাস্তা বা বার্গার খেতে চায়; তাহলে ঘরেই স্বাস্থ্যকরভাবে তৈরি করে খাওয়ান। তাও সপ্তাহে একদিনের বেশি নয়।
ঘরেই শিশুর সঙ্গে খেলা বা শরীরচর্চা করুন। আপনি করলে দেখাদেখি শিশুও করবে।
প্রয়োজনমতো খেলাধুলা এবং শরীরচর্চা যেন অবশ্যই করে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

শিশুর হজমের সমস্যা; কারণ এবং প্রতিকার

আপডেট টাইম : ০৮:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শিশুরা যত বেশি খেলাধুলা করবে; তাদের বিকাশ ঘটবে এবং শারীরিকভাবেও তারা সুস্থ থাকবে। খেলাধুলার অভ্যাস শিশুর হজমের সমস্যা কমায়। তবে করোনাকালে সব শিশুরাই ঘরবন্দি হয়ে আছে। নেই তাদের খেলাধুলা করার উপায় কিংবা স্কুলে যাওয়ার সুযোগ।

সেইসঙ্গে অনলাইন ক্লাস আর কম্পিউটার গেমসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এখন শিশুদের জীবন। এর ফলে দৈনন্দিন রুটিনেও এসেছে পরিবর্তন। দেরি করে ঘুমাতে যাওয়া, সকালে দেরি করে ওঠা। সময় মতো না খাওয়া ইত্যাদি অনিয়মের ফলে শিশুদের হজমশক্তির নানান সমস্যা ঘটছে।

এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমে সমস্যাসহ পেটের নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। খাবার সহজে হজম না হলে বমি ও অন্ত্রের সমস্যাও কিন্তু হতে পারে। জেনে নিন যেসব কারণে হজমের সমস্যা হয়ে থাকে শিশুদের-

কম চলাচল
পানি খাওয়ার পরিমাণ কম
অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবারও ফাস্টফুড খাওয়া
গভীর রাতে খাওয়া
দেরিতে ঘুমানো
খাবার খাওয়ায় অনিয়ম
ঘুমের ব্যাঘাত
ডায়েটে পর্যাপ্ত তরল দ্রব্য না থাকা

দীর্ঘদিন ধরে হজমের সমস্যা দেখা দিলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে। এর ফলে কম বয়সেই শিশু আক্রান্ত হতে পারে পাইলস, ফিস্টুলাসহ জটিল সব রোগে।

এমনকি অতিরিক্ত হজমের সমস্যার ফলে অল্প বয়সেই আলসার, তার থেকে কোলনের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। তাই এখন থেকেই শিশুর হজমজনিত সমস্যা দেখা দিলে কয়েকটি বিষয় মেনে চলতে হবে। জেনে নিন করণীয়-

প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস হালকা গরম পানি খাওয়াতে হবে।
এরপর ৪-৫টি ভেজানো কিসমিস, সঙ্গে দুইটি খেজুর খাওয়ান।
রাত্রে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম গরুর দুধ সঙ্গে এক চামচ ঘি দিতে হবে।
পেটের চারিদিকে হিং লাগিয়ে মালিশ করুন।
যেকোনো খাদ্যদ্রব্য সেদ্ধ করে খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ুন।
চিনি কম খাওয়াতে হবে।

প্যাকেটজাত খাবার যেমন- চিপস, বিস্কুট, কেকসহ ইত্যাদি খাবার পরিহার করুন।
বাইরের কোনো খাবারই শিশুকে খাওয়াবেন না।
যদি পিজ্জা, পাস্তা বা বার্গার খেতে চায়; তাহলে ঘরেই স্বাস্থ্যকরভাবে তৈরি করে খাওয়ান। তাও সপ্তাহে একদিনের বেশি নয়।
ঘরেই শিশুর সঙ্গে খেলা বা শরীরচর্চা করুন। আপনি করলে দেখাদেখি শিশুও করবে।
প্রয়োজনমতো খেলাধুলা এবং শরীরচর্চা যেন অবশ্যই করে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।


প্রিন্ট