ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গুজব ছড়িয়ে অপপ্রচার ও মানহানির প্রতিবাদে উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়ার সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে কুকুরের কামড়ে অতিষ্ঠ পথচারী ও শিক্ষার্থীরা ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীর ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা পিরোজপুর করিমুন্নেছা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফল প্রকাশ ও মা সমাবেশ ‎ কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়িক সমিতির নির্বাচন; ভোটাররা চায় নতুন নেতৃত্ব। কালীগঞ্জে দুই সার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা তিন বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায় জেসুস চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে নতুন কাস্টমস হাউস যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের প্যারামিলিটারির তিন সদস্য নিহত বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, পায়রা বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

খুলনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

খুলনা প্রতিনিধি : খুলনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খান মোহাম্মদ শাওন (৩৫) ও জান্নাত বেগম (২৬) নামে এক দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা লাশ উদ্ধার করে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়া ছোট খালপাড়ার ৪৮নং সার্কুলার রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করেছে। নিহত শাওন সেন্টারিং মিস্ত্রি ছিলেন। তিনি একই এলাকার শাহাদাত আলী খান সড়কের বাসিন্দা খান মোহাম্মদ মহসিনের ছেলে। তাদের তোয়া নামে চার বছরের একটি কন্যা রয়েছে।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শাওন তার পরিবার নিয়ে দক্ষিণ টুটপাড়া ছোট খালপাড়স্থ ৪৮নং সার্কুলার রোড এলাকার এমডি নাসির উদ্দিনের বাড়ির তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন। বৃহস্পতিবার ঘটনার সময় তাদের হাতে ৩/৪ হাত লম্বা একটি লোহার রড দেখা যায়। যেটি ওই বাড়ির বারান্দা ঘেঁষে যাওয়া বিদ্যুতের ১১ হাজার কেভি লাইনে লেগে যায়। তাতেই স্পৃষ্ট হয়ে মারা যান স্বামী-স্ত্রী।

বাড়ির মালিক এমডি নাসির উদ্দিন বলেন, গত ৪ মাস আগে শাওন মাসিক তিন হাজার আটশ’ টাকা ভাড়ায় তার বাড়ির তৃতীয় তলায় ওঠেন। বৃহস্পতিবার স্বামী-স্ত্রী রড নিয়ে উপরে উঠছিলেন। সেই রড বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হওয়ায় তারা মারা যান। খবর পেয়ে তিনি ছাদে উঠে অন্য একটি লাঠি দিয়ে তার থেকে রডটি সরিয়ে দিলে তারা পড়ে যান।

ফায়ার সার্ভিস খুলনার টুটপাড়া স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করি।’

খুলনা সদর থানার ওসি হাসান আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। পারিবারিক আবেদনে পোস্টমর্টেম ছাড়া পরিবারের কাছে মৃতদেহ দেওয়া হয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গুজব ছড়িয়ে অপপ্রচার ও মানহানির প্রতিবাদে উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়ার সংবাদ সম্মেলন

খুলনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

আপডেট টাইম : ০৭:১৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২১

খুলনা প্রতিনিধি : খুলনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খান মোহাম্মদ শাওন (৩৫) ও জান্নাত বেগম (২৬) নামে এক দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা লাশ উদ্ধার করে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়া ছোট খালপাড়ার ৪৮নং সার্কুলার রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করেছে। নিহত শাওন সেন্টারিং মিস্ত্রি ছিলেন। তিনি একই এলাকার শাহাদাত আলী খান সড়কের বাসিন্দা খান মোহাম্মদ মহসিনের ছেলে। তাদের তোয়া নামে চার বছরের একটি কন্যা রয়েছে।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শাওন তার পরিবার নিয়ে দক্ষিণ টুটপাড়া ছোট খালপাড়স্থ ৪৮নং সার্কুলার রোড এলাকার এমডি নাসির উদ্দিনের বাড়ির তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন। বৃহস্পতিবার ঘটনার সময় তাদের হাতে ৩/৪ হাত লম্বা একটি লোহার রড দেখা যায়। যেটি ওই বাড়ির বারান্দা ঘেঁষে যাওয়া বিদ্যুতের ১১ হাজার কেভি লাইনে লেগে যায়। তাতেই স্পৃষ্ট হয়ে মারা যান স্বামী-স্ত্রী।

বাড়ির মালিক এমডি নাসির উদ্দিন বলেন, গত ৪ মাস আগে শাওন মাসিক তিন হাজার আটশ’ টাকা ভাড়ায় তার বাড়ির তৃতীয় তলায় ওঠেন। বৃহস্পতিবার স্বামী-স্ত্রী রড নিয়ে উপরে উঠছিলেন। সেই রড বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হওয়ায় তারা মারা যান। খবর পেয়ে তিনি ছাদে উঠে অন্য একটি লাঠি দিয়ে তার থেকে রডটি সরিয়ে দিলে তারা পড়ে যান।

ফায়ার সার্ভিস খুলনার টুটপাড়া স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করি।’

খুলনা সদর থানার ওসি হাসান আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। পারিবারিক আবেদনে পোস্টমর্টেম ছাড়া পরিবারের কাছে মৃতদেহ দেওয়া হয়েছে।


প্রিন্ট