ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

সারাদেশে করোনায় একদিনে আরো ৩৫ জনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক : গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ১৮২ জনে।

এ সময় নতুন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ১৯০ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৩০০ জনে। দেশে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিপর্যয় নামার পর এটিই সর্বনিম্ন দৈনিক শনাক্ত। এর আগে গত ২৯ মে সর্বনিম্ন দৈনিক শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ৪৩ জন।

আজ শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৬৪৫ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৪ জন।

এ সময়ে সারাদেশে ১৯ হাজার ৮৯৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয় ১৯ হাজার ৬৬৮টি নমুনা। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। দেশে এ পর্যন্ত মোট ৯৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৩টি নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৩৫ জনের মধ্যে নারী ১৯ জন এবং পুরুষ ১৬ জন।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মৃত ৩৫ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ছয়, রাজশাহী ও খুলনায় তিনজন করে, সিলেটে দুজন এবং বরিশাল ও রংপুর বিভাগে একজন করে।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর জানায় সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

এরপর দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয় সংক্রমণ ও মৃত্যু। বছরের শেষ দিকে পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হলেও এ বছরের মার্চ-এপ্রিল থেকে দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়। জুন-জুলাইয়ে ভয়ঙ্কর ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। আক্রান্তও বাড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

সারাদেশে করোনায় একদিনে আরো ৩৫ জনের মৃত্যু

আপডেট টাইম : ০৯:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

নিউজ ডেস্ক : গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ১৮২ জনে।

এ সময় নতুন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ১৯০ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৩০০ জনে। দেশে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিপর্যয় নামার পর এটিই সর্বনিম্ন দৈনিক শনাক্ত। এর আগে গত ২৯ মে সর্বনিম্ন দৈনিক শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ৪৩ জন।

আজ শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৬৪৫ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৪ জন।

এ সময়ে সারাদেশে ১৯ হাজার ৮৯৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয় ১৯ হাজার ৬৬৮টি নমুনা। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। দেশে এ পর্যন্ত মোট ৯৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৩টি নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৩৫ জনের মধ্যে নারী ১৯ জন এবং পুরুষ ১৬ জন।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মৃত ৩৫ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ছয়, রাজশাহী ও খুলনায় তিনজন করে, সিলেটে দুজন এবং বরিশাল ও রংপুর বিভাগে একজন করে।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর জানায় সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

এরপর দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয় সংক্রমণ ও মৃত্যু। বছরের শেষ দিকে পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হলেও এ বছরের মার্চ-এপ্রিল থেকে দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়। জুন-জুলাইয়ে ভয়ঙ্কর ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। আক্রান্তও বাড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে।


প্রিন্ট