ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

বিক্রি শুরুর আগেই শেষ লঞ্চের টিকিট

ঈদে লঞ্চের কেবিনের সক্ষমতার চেয়ে চারগুণ টিকিট প্রত্যাশী। আগাম টিকিট বিক্রি শুরুর দিনেই সব টিকিট বিক্রি শেষ। নৌপথের যাত্রীদের নিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়া বিপুল সংখ্যক যাত্রীর নিরাপত্তা নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন।

নৌপথে ঈদ যাত্রায় লঞ্চের টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কথা বুধবার (২০ এপ্রিল) থেকে। বিআইডব্লিউটিএ এই তারিখ ঘোষণা করে। তবে সোমবার (১৯ এপ্রিল) সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘোষিত তারিখের আগেই শেষ হয়ে গেছে কেবিনের টিকিট বিক্রি। ২৬ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত কেবিনের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে আগামী ২৭ এপ্রিল ঢাকা থেকে ডবল ট্রিপ শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বরিশাল-ঢাকা সরাসারি এবং ভায়া রুটে ২৮টি অত্যাধুনিক বিলাসবহুল লঞ্চ বহরে থাকবে বলে জানা গেছে।

প্রায় শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একেকটি তিন চার তলা বিশিষ্ট, লিফট সম্বলিত অত্যাধুনিক লঞ্চ চলাচল করে ঢাকা বরিশাল নৌ-পথে। বিলাসবহুল এসব লঞ্চে বিভিন্ন ক্যাটাগরির একটি কেবিনের ভাড়া সর্বনিম্ন ১৪০০ থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

মোট ২২টি লঞ্চে কেবিনের সংখ্যা সাড়ে তিন থেকে চার হাজার। কিন্তু ঈদের আগাম টিকিট বিক্রি শুরুর দিনেই কেবিনের টিকিট বিক্রি শেষ। তবে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলছে, সক্ষমতার চারগুণ বেশি চাহিদা ছিল টিকিটের।

ডবল ট্রিপ দিয়ে যাত্রীচাপ সামালের কথা জানান সংশ্লিষ্টরা। তবে প্রশ্ন উঠেছে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে।

বরিশালের বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থার পরিচালক শেখ আবদুর রহিম জানান, লঞ্চে আড়াই-তিন হাজার কেবিন আছে। তবে এর চাহিদা রয়েছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার।

সুরুভী নেভিগেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজিন উল কবির বলেন, একটা কেবিনের জন্য অনেক প্রভাবশালীর ফোন আসে। সেক্ষেত্রে এর ব্যবস্থা করতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

বরিশালের বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বন্দর সমন্বয় কমিটি আছে, তাৎক্ষণিকভাবে লঞ্চে যদি অতিরিক্ত পরিবহন করা হয়; সে ক্ষেত্রে আমরা ব্যবস্থা নেব।

বরিশাল জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার বলেন, যাত্রী সাধারণের নিরাপদে বাড়ি ফেরা এবং তাদের ঢাকা বা নিজেদের গন্তব্যে ফিরে যাওয়া এটা আমরা সুনিশ্চিত করব।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

বিক্রি শুরুর আগেই শেষ লঞ্চের টিকিট

আপডেট টাইম : ০১:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০২২

ঈদে লঞ্চের কেবিনের সক্ষমতার চেয়ে চারগুণ টিকিট প্রত্যাশী। আগাম টিকিট বিক্রি শুরুর দিনেই সব টিকিট বিক্রি শেষ। নৌপথের যাত্রীদের নিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়া বিপুল সংখ্যক যাত্রীর নিরাপত্তা নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন।

নৌপথে ঈদ যাত্রায় লঞ্চের টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কথা বুধবার (২০ এপ্রিল) থেকে। বিআইডব্লিউটিএ এই তারিখ ঘোষণা করে। তবে সোমবার (১৯ এপ্রিল) সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘোষিত তারিখের আগেই শেষ হয়ে গেছে কেবিনের টিকিট বিক্রি। ২৬ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত কেবিনের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে আগামী ২৭ এপ্রিল ঢাকা থেকে ডবল ট্রিপ শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বরিশাল-ঢাকা সরাসারি এবং ভায়া রুটে ২৮টি অত্যাধুনিক বিলাসবহুল লঞ্চ বহরে থাকবে বলে জানা গেছে।

প্রায় শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একেকটি তিন চার তলা বিশিষ্ট, লিফট সম্বলিত অত্যাধুনিক লঞ্চ চলাচল করে ঢাকা বরিশাল নৌ-পথে। বিলাসবহুল এসব লঞ্চে বিভিন্ন ক্যাটাগরির একটি কেবিনের ভাড়া সর্বনিম্ন ১৪০০ থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

মোট ২২টি লঞ্চে কেবিনের সংখ্যা সাড়ে তিন থেকে চার হাজার। কিন্তু ঈদের আগাম টিকিট বিক্রি শুরুর দিনেই কেবিনের টিকিট বিক্রি শেষ। তবে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলছে, সক্ষমতার চারগুণ বেশি চাহিদা ছিল টিকিটের।

ডবল ট্রিপ দিয়ে যাত্রীচাপ সামালের কথা জানান সংশ্লিষ্টরা। তবে প্রশ্ন উঠেছে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে।

বরিশালের বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থার পরিচালক শেখ আবদুর রহিম জানান, লঞ্চে আড়াই-তিন হাজার কেবিন আছে। তবে এর চাহিদা রয়েছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার।

সুরুভী নেভিগেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজিন উল কবির বলেন, একটা কেবিনের জন্য অনেক প্রভাবশালীর ফোন আসে। সেক্ষেত্রে এর ব্যবস্থা করতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

বরিশালের বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বন্দর সমন্বয় কমিটি আছে, তাৎক্ষণিকভাবে লঞ্চে যদি অতিরিক্ত পরিবহন করা হয়; সে ক্ষেত্রে আমরা ব্যবস্থা নেব।

বরিশাল জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার বলেন, যাত্রী সাধারণের নিরাপদে বাড়ি ফেরা এবং তাদের ঢাকা বা নিজেদের গন্তব্যে ফিরে যাওয়া এটা আমরা সুনিশ্চিত করব।


প্রিন্ট