ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্কুলের আবাসিক ভবনে ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

টাঙ্গাইল শহরের সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবন থেকে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় বিশ্বাস বেতকা সুপারি বাগান এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায় ভবনের দায়িত্বরত শিক্ষকরা।

নিহত ছাত্র শিহাব মিয়া সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে।

তার পরিবারের অভিযোগ, এটি রহস্যজনক মৃত্যু। এটা কোন স্বাভাবিক ও আত্মহত্যার মতো ঘটনা নয়। তাই তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তির দাবি করেন শিহাবের পরিবারের সদস্যরা।

শিহাবের ফুপাতো ভাই আল আমিন সিকদার বলেন, চার মাস আগে সৃষ্টিতে ৫ম শ্রেণিতে শিহাব মিয়াকে ভর্তি করা হয়। সৃষ্টি থেকে আমাদের জানানো হয়েছে শিহাব এক্সিডেন্ট করেছে। আবার ফোন করে বলে শিহাব মাথা ঘুরে পড়ে গেছে। শিহাব যেখানে থাকতো আমাদের সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি। শিহাব আত্মহত্যা করার মতো ছেলে না। আমরা মনে করছি, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। তদন্ত সাপেক্ষে সৃষ্টি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

শিহাবের দাদা ইসমাইল হোসেন বলেন, বাড়ি থেকে যোগাযোগের জন্য ফোন করা হলে সব সময় শিহাবকে পাওয়া যেতো না। সৃষ্টি কর্তৃপক্ষ শিহাবের হাতে ফোন দিতো না। বিষয়টি খুব রহস্যজনক।

সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল আনোয়ার হোসেন বলেন, সে ঝর্ণার সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুহাম্মদ সরোয়ার হোসেন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। শিশুটির গলার নিচে হালকা দাগ আছে। এছাড়া শরীরের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। তদন্ত চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর মূল ঘটনা জানা যাবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলের আবাসিক ভবনে ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেট টাইম : ০৯:০১:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুন ২০২২

টাঙ্গাইল শহরের সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবন থেকে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় বিশ্বাস বেতকা সুপারি বাগান এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায় ভবনের দায়িত্বরত শিক্ষকরা।

নিহত ছাত্র শিহাব মিয়া সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে।

তার পরিবারের অভিযোগ, এটি রহস্যজনক মৃত্যু। এটা কোন স্বাভাবিক ও আত্মহত্যার মতো ঘটনা নয়। তাই তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তির দাবি করেন শিহাবের পরিবারের সদস্যরা।

শিহাবের ফুপাতো ভাই আল আমিন সিকদার বলেন, চার মাস আগে সৃষ্টিতে ৫ম শ্রেণিতে শিহাব মিয়াকে ভর্তি করা হয়। সৃষ্টি থেকে আমাদের জানানো হয়েছে শিহাব এক্সিডেন্ট করেছে। আবার ফোন করে বলে শিহাব মাথা ঘুরে পড়ে গেছে। শিহাব যেখানে থাকতো আমাদের সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি। শিহাব আত্মহত্যা করার মতো ছেলে না। আমরা মনে করছি, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। তদন্ত সাপেক্ষে সৃষ্টি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

শিহাবের দাদা ইসমাইল হোসেন বলেন, বাড়ি থেকে যোগাযোগের জন্য ফোন করা হলে সব সময় শিহাবকে পাওয়া যেতো না। সৃষ্টি কর্তৃপক্ষ শিহাবের হাতে ফোন দিতো না। বিষয়টি খুব রহস্যজনক।

সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল আনোয়ার হোসেন বলেন, সে ঝর্ণার সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুহাম্মদ সরোয়ার হোসেন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। শিশুটির গলার নিচে হালকা দাগ আছে। এছাড়া শরীরের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। তদন্ত চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর মূল ঘটনা জানা যাবে।


প্রিন্ট