ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

ইতিহাস গড়ে সাফের নতুন চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

দুই দলের সামনেই সুযোগ ছিল ইতিহাস গড়ার। এর আগে কেউই যে পায়নি সাফের শিরোপার স্বাদ। ঘরের মাঠ বলে ম্যাচের পাল্লা নেপালের দিকেই হেলে ছিল বেশি। তবে শেষ হাসি হেসেছে বাংলার মেয়েরাই। যার মাধ্যমে রচিত হলো নতুন এক ইতিহাস।

নেপালকে তাদেরই মাটিতে ৩-১ গোলে হারিয়ে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।

কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল সোয়া ৫টায় দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের ম্যাচটি শুরু হয়। ম্যাচের একদম শুরুতেই আক্রমণে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে প্রথম মিনিটের সেই চেষ্টা প্রতিহত করেন নেপাল গোলরক্ষক।

ম্যাচের শুরুর একাদশে ছিলেন না শামসুন্নাহার। তবে একাদশের একজন খেলোয়াড়ের অসুস্থতার কারণে দশম মিনিটে মাঠে নামেন তিনি। আর এই চার মিনিটের মাথায় করেন বাজিমাত।

কর্নার থেকে দারুণ এক মাপা শটে ম্যাচের ১৪তম মিনিটে বল জালে জড়ান শামসুন্নাহার জুনিয়র। তার গোলের সঙ্গে স্তব্ধ হয়ে যায় রঙ্গশালা স্টেডিয়াম। এরপর অবশ্য খেলায় প্রাধান্য বিস্তার করে নেপাল। একটু পরপরই আক্রমণে আসছিল তারা।

এর মাঝে সবচেয়ে বড় বিপদ হতে পারত ৩৭তম মিনিটে। যে যাত্রায় জটলা থেকে গোল প্রায় পেয়েই গিয়েছিল স্বাগতিকরা। প্রথমে সাইড বার, এরপর গোল লাইন থেকে বল ক্লিয়ার না হলে ম্যাচে সমতায় ফিরত নেপাল।

খেলার ধারার বিপরীতে ম্যাচের ৪১তম মিনিটে ফের আনন্দে ভাসে বাংলাদেশ। এবার নেপালের ভুলে দারুণ বুদ্ধিমত্তায় গোল করেন কৃষ্ণা রানী সরকার। ২ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় বাংলার মেয়েরা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে নেপাল। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যস্ত ছিল রক্ষণ সামলাতে। আক্রমণের ঝড়ের ফল মেলে ৭০ মিনিটে। এবার বাংলাদেশের জালে বল জড়ান আন্তা বাসনেত।

গোল হজম করার পর গাঝাড়া দেয় বাংলার মেয়েরা। ম্যাচের বাকি সময় আক্রমণেই বেশি সময় কাটিয়েছে বাংলাদেশ। তার ফলও মেলে দ্রুত। ৭৭ মিনিটে তৃতীয় গোলের দেখা পায় গোলাম রব্বানী ছোটনের শিষ্যরা। সেই সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলার শিরোপা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

ইতিহাস গড়ে সাফের নতুন চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

আপডেট টাইম : ০৮:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২

দুই দলের সামনেই সুযোগ ছিল ইতিহাস গড়ার। এর আগে কেউই যে পায়নি সাফের শিরোপার স্বাদ। ঘরের মাঠ বলে ম্যাচের পাল্লা নেপালের দিকেই হেলে ছিল বেশি। তবে শেষ হাসি হেসেছে বাংলার মেয়েরাই। যার মাধ্যমে রচিত হলো নতুন এক ইতিহাস।

নেপালকে তাদেরই মাটিতে ৩-১ গোলে হারিয়ে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।

কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল সোয়া ৫টায় দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের ম্যাচটি শুরু হয়। ম্যাচের একদম শুরুতেই আক্রমণে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে প্রথম মিনিটের সেই চেষ্টা প্রতিহত করেন নেপাল গোলরক্ষক।

ম্যাচের শুরুর একাদশে ছিলেন না শামসুন্নাহার। তবে একাদশের একজন খেলোয়াড়ের অসুস্থতার কারণে দশম মিনিটে মাঠে নামেন তিনি। আর এই চার মিনিটের মাথায় করেন বাজিমাত।

কর্নার থেকে দারুণ এক মাপা শটে ম্যাচের ১৪তম মিনিটে বল জালে জড়ান শামসুন্নাহার জুনিয়র। তার গোলের সঙ্গে স্তব্ধ হয়ে যায় রঙ্গশালা স্টেডিয়াম। এরপর অবশ্য খেলায় প্রাধান্য বিস্তার করে নেপাল। একটু পরপরই আক্রমণে আসছিল তারা।

এর মাঝে সবচেয়ে বড় বিপদ হতে পারত ৩৭তম মিনিটে। যে যাত্রায় জটলা থেকে গোল প্রায় পেয়েই গিয়েছিল স্বাগতিকরা। প্রথমে সাইড বার, এরপর গোল লাইন থেকে বল ক্লিয়ার না হলে ম্যাচে সমতায় ফিরত নেপাল।

খেলার ধারার বিপরীতে ম্যাচের ৪১তম মিনিটে ফের আনন্দে ভাসে বাংলাদেশ। এবার নেপালের ভুলে দারুণ বুদ্ধিমত্তায় গোল করেন কৃষ্ণা রানী সরকার। ২ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় বাংলার মেয়েরা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে নেপাল। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যস্ত ছিল রক্ষণ সামলাতে। আক্রমণের ঝড়ের ফল মেলে ৭০ মিনিটে। এবার বাংলাদেশের জালে বল জড়ান আন্তা বাসনেত।

গোল হজম করার পর গাঝাড়া দেয় বাংলার মেয়েরা। ম্যাচের বাকি সময় আক্রমণেই বেশি সময় কাটিয়েছে বাংলাদেশ। তার ফলও মেলে দ্রুত। ৭৭ মিনিটে তৃতীয় গোলের দেখা পায় গোলাম রব্বানী ছোটনের শিষ্যরা। সেই সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলার শিরোপা।


প্রিন্ট