ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

বস্তিবাসীদের উন্নয়নের সঙ্গী না করে এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন ও সামাজিক নিরাপত্তা কোনোটাই নগরের নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য নিশ্চিত হয়নি। নগরের বস্তিবাসী নিম্ন আয়ের মানুষের উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ দরকার এবং এর প্রতিফলন এ বছর থেকেই হওয়া জরুরি। বস্তিবাসী ও নিম্ন আয়ের বিশাল অংশকে উন্নয়নের সঙ্গী না করে কোনোভাবেই এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর কলাবাগানের পবা কার্যালয়ে আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট : নিম্ন আয়ের মানুষের ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। সেই সঙ্গে বস্তিবাসীদের জন্য সরকারিভাবে সহজ শর্তে আবাসনের ব্যবস্থা করাসহ বেশকিছু দাবি জানিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন পবা।
বৈঠকে বক্তারা বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। দেশের মোট জনসংখ্যা ১৭ কোটি হলে মাথাপিছু গড় ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ হজার ৭৭৬ টাকা। কিন্তু এই বাজেটে নগরের গরিব মানুষের কথা কোনো স্থানেই সুস্পষ্টভাবে স্থান পায়নি। ঢাকা শহরে প্রায় ৫ হাজার বস্তি রয়েছে। বারসিকের গবেষণায় দেখা যায়, বন্যা, নদী ভাঙন এবং গ্রামে কৃষিকাজ করে সংসার চালাতে না পারার কারলে অন্য কোনো আয়মূলক কাজ না পেয়ে গ্রাম থেকে শহরের বস্তিতে আসতে বাধ্য হয় মানুষ। বস্তিবাসীদের সবচেয়ে বড় সমস্যা তাদের আবাসন এবং কর্মসংস্থানের সংকট।

বৈঠকের আয়োজক সংগঠনদ্বয়ের পক্ষ থেকে উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বস্তিবাসীদের জন্য সরকারিভাবে সহজ শর্তে আবাসনের ব্যবস্থা, তাদের সকল কাজের ক্ষেত্রে সরকারিভাবে বেতন কাঠামো ও উৎসব ভাতা নির্ধারণ ও মর্যাদাপূর্ণ কাজের ব্যবস্থা, বস্তির শিশুদের জন্য আনুপাতিক হারে সরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠা, যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানবান্ধব প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, সব বস্তিবাসীর জন্য ভর্তুকি মূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ের ব্যবস্থাসহ নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সহজ শর্তে সুদমুক্ত ঋণের ব্যবস্থা করা।

পবা চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক নেতা ঐক্য ন্যাপের পংকজ ভট্টাচার্য, নগর দারিদ্র্য বিশেষজ্ঞ জাহাঙ্গীর আলম, গবেষক পাভেল পার্থ, পবার সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল, বারসিক প্রতিনিধি সুদিপ্তা কর্মকার, বস্তিবাসী ইউনিয়নের নেতা কুলসুম বেগম প্রমুখ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

বস্তিবাসীদের উন্নয়নের সঙ্গী না করে এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না

আপডেট টাইম : ০৭:২২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন ও সামাজিক নিরাপত্তা কোনোটাই নগরের নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য নিশ্চিত হয়নি। নগরের বস্তিবাসী নিম্ন আয়ের মানুষের উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ দরকার এবং এর প্রতিফলন এ বছর থেকেই হওয়া জরুরি। বস্তিবাসী ও নিম্ন আয়ের বিশাল অংশকে উন্নয়নের সঙ্গী না করে কোনোভাবেই এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর কলাবাগানের পবা কার্যালয়ে আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট : নিম্ন আয়ের মানুষের ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। সেই সঙ্গে বস্তিবাসীদের জন্য সরকারিভাবে সহজ শর্তে আবাসনের ব্যবস্থা করাসহ বেশকিছু দাবি জানিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন পবা।
বৈঠকে বক্তারা বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। দেশের মোট জনসংখ্যা ১৭ কোটি হলে মাথাপিছু গড় ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ হজার ৭৭৬ টাকা। কিন্তু এই বাজেটে নগরের গরিব মানুষের কথা কোনো স্থানেই সুস্পষ্টভাবে স্থান পায়নি। ঢাকা শহরে প্রায় ৫ হাজার বস্তি রয়েছে। বারসিকের গবেষণায় দেখা যায়, বন্যা, নদী ভাঙন এবং গ্রামে কৃষিকাজ করে সংসার চালাতে না পারার কারলে অন্য কোনো আয়মূলক কাজ না পেয়ে গ্রাম থেকে শহরের বস্তিতে আসতে বাধ্য হয় মানুষ। বস্তিবাসীদের সবচেয়ে বড় সমস্যা তাদের আবাসন এবং কর্মসংস্থানের সংকট।

বৈঠকের আয়োজক সংগঠনদ্বয়ের পক্ষ থেকে উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বস্তিবাসীদের জন্য সরকারিভাবে সহজ শর্তে আবাসনের ব্যবস্থা, তাদের সকল কাজের ক্ষেত্রে সরকারিভাবে বেতন কাঠামো ও উৎসব ভাতা নির্ধারণ ও মর্যাদাপূর্ণ কাজের ব্যবস্থা, বস্তির শিশুদের জন্য আনুপাতিক হারে সরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠা, যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানবান্ধব প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, সব বস্তিবাসীর জন্য ভর্তুকি মূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ের ব্যবস্থাসহ নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সহজ শর্তে সুদমুক্ত ঋণের ব্যবস্থা করা।

পবা চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক নেতা ঐক্য ন্যাপের পংকজ ভট্টাচার্য, নগর দারিদ্র্য বিশেষজ্ঞ জাহাঙ্গীর আলম, গবেষক পাভেল পার্থ, পবার সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল, বারসিক প্রতিনিধি সুদিপ্তা কর্মকার, বস্তিবাসী ইউনিয়নের নেতা কুলসুম বেগম প্রমুখ।


প্রিন্ট