ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে পাহাড় কেটে উজাড়, ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে উপজেলায় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর দিনারপুরে পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে চার সপ্তাহের মধ্যে আইনগত পদক্ষেপ নিতে জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিলেরও নির্দেশ দেন।

সম্প্রতি হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত দিনারপুর এলাকার পাহাড় কাটায় জড়িতদের বিরুদ্ধে চার সপ্তাহের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

স্থানীয়রা জানায়, বছরের অধিকাংশ সময় নবীগঞ্জের দিনারপুর পরগণার পানিউমদা, গজনাইপুর ও দেবপাড়া ইউনিয়নে পাহাড় ও টিলা কাটা চলছে। দিনে ও রাতে পাহাড় কেটে উজাড় করে নিয়ে যাচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। অব্যাহতভাবে পাহাড় কাটার ফলে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে আশপাশের ঘরবাড়ি। এসব বসতভিটা ভারি বর্ষণ হলে ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রিপন বাড়ৈ ও নাছরিন আক্তার। পরিবেশ অধিদফতরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আমাতুল করিম।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে পাহাড় কেটে উজাড়, ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

আপডেট টাইম : ০৮:৩৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে উপজেলায় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর দিনারপুরে পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে চার সপ্তাহের মধ্যে আইনগত পদক্ষেপ নিতে জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিলেরও নির্দেশ দেন।

সম্প্রতি হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত দিনারপুর এলাকার পাহাড় কাটায় জড়িতদের বিরুদ্ধে চার সপ্তাহের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

স্থানীয়রা জানায়, বছরের অধিকাংশ সময় নবীগঞ্জের দিনারপুর পরগণার পানিউমদা, গজনাইপুর ও দেবপাড়া ইউনিয়নে পাহাড় ও টিলা কাটা চলছে। দিনে ও রাতে পাহাড় কেটে উজাড় করে নিয়ে যাচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। অব্যাহতভাবে পাহাড় কাটার ফলে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে আশপাশের ঘরবাড়ি। এসব বসতভিটা ভারি বর্ষণ হলে ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রিপন বাড়ৈ ও নাছরিন আক্তার। পরিবেশ অধিদফতরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আমাতুল করিম।


প্রিন্ট