ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অঘটনের শঙ্কা জাগিয়ে ভারতের কাছে হারলো জাপান অভিবাসন ও আবাসন নিয়ে ট্রাম্প-মামদানির রুদ্ধদ্বার বৈঠক জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরের চরাঞ্চলে ৫০০০ তালবীজ বিতরণ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের গোপন কর্মসূচিতে সহায়তার অভিযোগ জবি ছাত্রলীগ নেতা রাশেদের বিরুদ্ধে ধামইরহাটে যুবদলের উদোগে এক বিক্ষোভ মিছিল নাফ নদীর সীমান্ত সড়কে পোল্ডারসমূহের কাজ হবে জনস্বার্থ বিবেচনায় : পানিসম্পদ মন্ত্রী খুলনায় ৬ষ্ঠ উপকূলীয় শিশু জলবায়ু সম্মেলন শুরু জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

যে সুরা পাঠ করলে কোরআন খতমের সওয়াব পাওয়া যায়

সুরা ইখলাস কোরআন মাজিদের ১১২তম সুরা। ইখলাস অর্থ গভীর অনুরক্তি, একনিষ্ঠতা, নিরেট বিশ্বাস, খাঁটি আনুগত্য, ভক্তিপূর্ণ উপাসনা। শিরক থেকে মুক্ত হয়ে তাওহিদ বা এক আল্লাহর ওপর খাঁটি ও নিরেট বিশ্বাসী হওয়াকে ইখলাস বলা হয়। এ সুরার মর্মার্থের ভিত্তিতে নামকরণ করা হয়েছে সুরা ইখলাস।

সুরা ইখলাস সুরা নাসের পরে হিজরতের আগে মক্কার প্রথম যুগে অবতীর্ণ হয়। এই সুরার আয়াত সংখ্যা ৪, রুকু সংখ্যা ১।

যে ব্যক্তি এ সুরাটি পাঠ করবে ও এর মর্মার্থের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করবে, সে নিশ্চিত শিরক থেকে মুক্তি লাভ করে নিরেট তাওহিদবাদী হয়ে যাবে এবং আল্লাহর মুখলিস বান্দায় পরিণত হবে।

সুরাটি ছোট হলেও মর্যাদায় অগ্রগামী। হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে রাতে বারবার সুরা ইখলাস পড়তে শুনেছেন। অতঃপর সকালে নবী কারীম (সা.)-কে বিষয়টি অবহিত করা হয়। তখন নবী কারীম (সা.) বলেন, ওই সত্তার শপথ! যার কুদরতি হাতে আমার জীবন, অবশ্যই এ সুরা কুরআন মাজিদের এক-তৃতীয়াংশের সমান (বুখারি: ৫০১৩)।

অর্থাৎ, সুরা ইখলাস একবার পাঠ করলে এক-তৃতীয়াংশ কুরআন খতমের সওয়াব মিলবে। তিনবার পাঠ করলে পুরো কুরআন পাঠের সওয়াব মিলবে। সুরা ইখলাস জান্নাত লাভের কারণ হবে। নবী কারীম (সা.)-এর কাছে একবার এক সাহাবি এসে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আমি সুরা ইখলাসকে ভালোবাসি।’ তখন রাসুল (সা.) বলেন, ‘এ ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে’ (বুখারি: ৭৭৪)।

আরেক ব্যক্তি রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে দারিদ্র্যের অভিযোগ করলেন। তখন নবী কারীম (সা.) তাকে বললেন, ‘যখন তুমি ঘরে ফিরবে, তখন সালাম দেবে এবং একবার সুরা ইখলাস পড়বে।’ এ আমল করার কিছু দিনের মধ্যে তার অভাব দূর হয়ে যায়। (তাফসির আল-কুরতুবী)


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

অঘটনের শঙ্কা জাগিয়ে ভারতের কাছে হারলো জাপান

যে সুরা পাঠ করলে কোরআন খতমের সওয়াব পাওয়া যায়

আপডেট টাইম : ০৭:৪৪:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

সুরা ইখলাস কোরআন মাজিদের ১১২তম সুরা। ইখলাস অর্থ গভীর অনুরক্তি, একনিষ্ঠতা, নিরেট বিশ্বাস, খাঁটি আনুগত্য, ভক্তিপূর্ণ উপাসনা। শিরক থেকে মুক্ত হয়ে তাওহিদ বা এক আল্লাহর ওপর খাঁটি ও নিরেট বিশ্বাসী হওয়াকে ইখলাস বলা হয়। এ সুরার মর্মার্থের ভিত্তিতে নামকরণ করা হয়েছে সুরা ইখলাস।

সুরা ইখলাস সুরা নাসের পরে হিজরতের আগে মক্কার প্রথম যুগে অবতীর্ণ হয়। এই সুরার আয়াত সংখ্যা ৪, রুকু সংখ্যা ১।

যে ব্যক্তি এ সুরাটি পাঠ করবে ও এর মর্মার্থের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করবে, সে নিশ্চিত শিরক থেকে মুক্তি লাভ করে নিরেট তাওহিদবাদী হয়ে যাবে এবং আল্লাহর মুখলিস বান্দায় পরিণত হবে।

সুরাটি ছোট হলেও মর্যাদায় অগ্রগামী। হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে রাতে বারবার সুরা ইখলাস পড়তে শুনেছেন। অতঃপর সকালে নবী কারীম (সা.)-কে বিষয়টি অবহিত করা হয়। তখন নবী কারীম (সা.) বলেন, ওই সত্তার শপথ! যার কুদরতি হাতে আমার জীবন, অবশ্যই এ সুরা কুরআন মাজিদের এক-তৃতীয়াংশের সমান (বুখারি: ৫০১৩)।

অর্থাৎ, সুরা ইখলাস একবার পাঠ করলে এক-তৃতীয়াংশ কুরআন খতমের সওয়াব মিলবে। তিনবার পাঠ করলে পুরো কুরআন পাঠের সওয়াব মিলবে। সুরা ইখলাস জান্নাত লাভের কারণ হবে। নবী কারীম (সা.)-এর কাছে একবার এক সাহাবি এসে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আমি সুরা ইখলাসকে ভালোবাসি।’ তখন রাসুল (সা.) বলেন, ‘এ ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে’ (বুখারি: ৭৭৪)।

আরেক ব্যক্তি রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে দারিদ্র্যের অভিযোগ করলেন। তখন নবী কারীম (সা.) তাকে বললেন, ‘যখন তুমি ঘরে ফিরবে, তখন সালাম দেবে এবং একবার সুরা ইখলাস পড়বে।’ এ আমল করার কিছু দিনের মধ্যে তার অভাব দূর হয়ে যায়। (তাফসির আল-কুরতুবী)


প্রিন্ট