ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্মার্টফোনে ব্লুটুথ অন রাখা কতটুকু নিরাপদ সেভ দ্য চিলড্রেনে চাকরির সুযোগ, কর্মস্থল ঢাকা অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ এনসিপির কালীগঞ্জে যুবককে মারধর, অপহরণচেষ্টা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ বিআরটি উত্তরা মেট্রো সার্কেল-৩ এ অভিযান বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন নয়, ১৬ ডিসেম্বর চালু হতে পারে থার্ড টার্মিনাল চলার পথে নতুন ভরসা, শার্শায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের হুইলচেয়ার বিতরণ ‎বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী কে পিরোজপুর জেলা বিএনপির ফুলের শুভেচ্ছা আট মাসেও এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছায়নি হিন্দুধর্ম শিক্ষা বই দুই মাসে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৭.৬৭ শতাংশ

ডেল্টা হেল্থ কেয়ার রামপুরা লিমিটেডের অর্থ আত্মসাতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকে অভিযোগ

ডেল্টা হেল্থ কেয়ার, রামপুরা লিমিটেড-এ বিগত ২০১২ইং সন হইতে ২০১৯ ইং সন পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকারী চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মসহ বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি কুক্ষিগত করে লুটপাটের বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা ।

১৩ মার্চ জমা দেয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি বিগত ২০১২ইং সালে হাসপাতালের আদলে নির্মিত ভাড়া ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে । চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস এবং তৎসময়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে থাকা ডা. মোঃ সাইফুল ইসলাম সেলিম প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সময়ে নানা রকমের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত । সর্বমোট ৯৬ (ছিয়ানব্বই) জন বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগকৃত ১০৭,৮০০,০০০.০০ (দশ কোটি আটাত্তর লক্ষ) টাকা ও প্রতিষ্ঠানের অর্জিত আয় ২৫,২৯৫,৯২৬/= (দুই কোটি বায়ান্ন লক্ষ পচানব্বই হাজার নয়শত ছাব্বিশ) টাকা এবং বকেয়া প্রায় ৬৬, ১৫১,১০৭/= (ছয় কোটি একষট্টি লক্ষ একান্ন হাজার একশত সাত) টাকাসহ সর্বমোট প্রায় ১৯৯, ২৪৭, ০৩৩/= (ঊনিশ কোটি বিরানব্বই লক্ষ সাত চল্লিশ হাজার তেতত্রিশ) টাকার হিসাব চাইলে দেব দিচ্ছি বলে কালক্ষেপণ করতে থাকে এরই একপর্যায় একটি ইন্টারনাল অডিট করার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক চেয়ারম্যান ও পরবর্তী ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থপনা পরিচালক ডেল্‌টা লিমিটেড ও ডেল্টা ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালকে ইন্টারনাল অডিট করার জন্য একটি চিঠি প্রদান করেন । তখন ডেল্‌টা লিমিটেড ও ডেল্টা ফার্মার অডিট টিম ডেল্‌টা হেল্থ কেয়ার, রামপুরা লিঃ ইন্টারনাল অডিট করার দায়িত্ব গ্রহণ করেন । এরপর ১১/০৯/২০২১ইং তারিখ অডিট টিম একটি রিপোর্ট প্রদান করেন । সেই রিপোর্টে চেয়ারম্যান ডা. মোঃ আব্দুল কুদ্দুস ও সাবেক ব্যবস্থপনা পরিচালক ডা. মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সময়কালে অর্থ আত্মসাৎ এর কিছু চিত্র ফুটে উঠেছে ।

নিম্নে সংক্ষিপ্ত ভাবে বিবরণ দেওয়া হলঃ-
২০১৬-২০১৭ অর্থ বছর কে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছর পর্যন্ত হাসপাতাল কালেকশন থেকে ৮৭,০৩,৫৮৮/= (সাতাশি লক্ষ তিন হাজার পাঁচশত আটাশি) টাকা আত্মসাৎ করেছেন ।
২০১৪-২০১৯ অর্থ বছর পর্যন্ত রেনোভেশনের নামে অগ্রীম হিসাবে ১,৬৭,৮৩,০৬১ /= (এক কোটি সাতষট্টি লক্ষ তিরাশি হাজার একষট্টি) টাকা দেখানো হয়েছে যার কোন ব্যাখ্যা বা বিল ভাউচার দেখাতে পারে নাই। ফলে তারা দুইজন মিলে টাকা গুলো আত্মসাৎ করেছে বলে প্রতিয়মান হয় ।
২০১৪-২০১৯ অর্থ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন কোম্পানির নামে অগ্রীম হিসাবে ১৩,০৭,৭৮২/= (তের লক্ষ সাত হাজার সাতশত বিরাশি) টাকা দেখানো হয়েছে যার কোন ব্যাখ্যা বা বিল ভাউচার দেখাতে পারে নাই। ফলে তারা দুইজন মিলে টাকা গুলো আত্মসাৎ করেছে বলে প্রতিয়মান হয় ।
২০১৪-২০১৯ অর্থ বছর পর্যন্ত হাসপাতালের অবস্থা খুবই নাজুক হয়ে পড়ে যে কারণে স্টাফদের চার মাসের বেতন বকেয়া থাকা সত্ত্বেও স্টাফদের অগ্রীম বেতন বাবদ ২,১১,৮৬০/- (দুই লক্ষ এগারো হাজার আটশত ষাট) টাকা অডিট রিপোর্টে দেখিয়ে হিসাব মেলানো হয়েছে । পরবর্তীতে তারা যার কোন ব্যাখ্যা দিতে পারে নাই । উক্ত টাকা তারা আত্মসাৎ করেছে বলে প্রতিয়মান হয় ।
৫। ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে ৫,৫৫,১০২/- (পাঁচ লক্ষ পঞ্চান্ন হাজার নয়শত দুই) টাকা অডিট রিপোর্টে মেলানো সম্ভব হয়নি । যা অডিটরস্ রিপোর্টে উল্লেখি আছে। উক্ত টাকা তারা দুইজন মিলে আত্মসাৎ করেছে বলে প্রতিয়মান হয় ।
২০১২-২০১৯ অর্থ বছর পর্যন্ত শেয়ার মানি ১০,২০০,০০০/= (এক কোটি দুই লক্ষ) টাকা ব্যাংক এ্যাকাউন্টে জমা না করে আত্মসাৎ করেছেন ।
শট টার্ম লোন ৪৩,০০০,০০/= (তেতাল্লিশ লক্ষ) টাকা ব্যাংক এ্যাকাউন্টে জমা না করে আত্মসাৎ করেছেন । ৮।০৫/০৮/২০১৯ ইং তারিখে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম অব্যাহতি গ্রহণের পূর্বে ক্যাশ ইন হ্যান্ড ২৭,৯৪,০০০/= (সাতাশ লক্ষ চুরানব্বই হাজার) টাকা দেখালেও পরবর্তী দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তিকে বুঝিয়ে দেন ।
নাই এবং সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন, এর পর থেকে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি তারা তাদের মতো করে অদ্যবদি পরিচলনা করে আসছে, যার কোনো সচ্ছতা ও জবাবদিহীতা নেই ।
সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সময়কালে প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত দায়-দেনা ৬,৬১,৫১,১০৭/= (ছয় কোটি একষট্টি লক্ষ একান্ন হাজার একশত সাত) টাকা থাকলেও তিনি প্রতিটি বোর্ড মিটিংয়ে প্রতিষ্ঠানের দায়-দেনার হিসাব দেখিয়েছেন ৩,৩২, ৮৫, ১৬৪/- (তিন কোটি বত্রিশ লক্ষ পঁচাশি হাজার একশত চৌষট্টি) টাকা । এখানেও প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত দায়-দেনা গোপন করে আর্থিক অনিয়ম করেছেন প্রায় ৩,২৮,৬৫,৯৪৩/= (তিন কোটি আটাশ লক্ষ পয়ষট্টি হাজার নয়শত তেতাল্লিশ) টাকা ।
সর্বোপরি বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে চেয়ারম্যান ডা. মোঃ আব্দুল কুদ্দুস ও সাবেক ব্যবস্থপনা পরিচালক ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম অর্থ আত্মসাৎ করে প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগকারীদের ও রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন । স্বাস্থ্য সেবার নামে এদেশের জনগণ ও বিনিয়োগকারীদেরকে ঠকিয়ে অর্থ আত্মসাত করার প্রতিবাদ করলে তারা দুইজন উক্ত প্রতিষ্ঠানে ভিতর একটি গ্রুপিং করে অভিযোগকারীকে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে। অভিযোগকারী তখন হাতিরঝিল থানায় গত ২২/০৯/২০১১ইং তারিখ (জি.ডি নং ১১১৬) একটি সাধারণ ডায়েরি করেন ।
বর্ণিত বিষয়ের আলোকে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণে দুদক চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ওই অভিযোগকারী ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্মার্টফোনে ব্লুটুথ অন রাখা কতটুকু নিরাপদ

ডেল্টা হেল্থ কেয়ার রামপুরা লিমিটেডের অর্থ আত্মসাতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকে অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৯:৫১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মার্চ ২০২৩

ডেল্টা হেল্থ কেয়ার, রামপুরা লিমিটেড-এ বিগত ২০১২ইং সন হইতে ২০১৯ ইং সন পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকারী চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মসহ বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি কুক্ষিগত করে লুটপাটের বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা ।

১৩ মার্চ জমা দেয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি বিগত ২০১২ইং সালে হাসপাতালের আদলে নির্মিত ভাড়া ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে । চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস এবং তৎসময়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে থাকা ডা. মোঃ সাইফুল ইসলাম সেলিম প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সময়ে নানা রকমের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত । সর্বমোট ৯৬ (ছিয়ানব্বই) জন বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগকৃত ১০৭,৮০০,০০০.০০ (দশ কোটি আটাত্তর লক্ষ) টাকা ও প্রতিষ্ঠানের অর্জিত আয় ২৫,২৯৫,৯২৬/= (দুই কোটি বায়ান্ন লক্ষ পচানব্বই হাজার নয়শত ছাব্বিশ) টাকা এবং বকেয়া প্রায় ৬৬, ১৫১,১০৭/= (ছয় কোটি একষট্টি লক্ষ একান্ন হাজার একশত সাত) টাকাসহ সর্বমোট প্রায় ১৯৯, ২৪৭, ০৩৩/= (ঊনিশ কোটি বিরানব্বই লক্ষ সাত চল্লিশ হাজার তেতত্রিশ) টাকার হিসাব চাইলে দেব দিচ্ছি বলে কালক্ষেপণ করতে থাকে এরই একপর্যায় একটি ইন্টারনাল অডিট করার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক চেয়ারম্যান ও পরবর্তী ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থপনা পরিচালক ডেল্‌টা লিমিটেড ও ডেল্টা ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালকে ইন্টারনাল অডিট করার জন্য একটি চিঠি প্রদান করেন । তখন ডেল্‌টা লিমিটেড ও ডেল্টা ফার্মার অডিট টিম ডেল্‌টা হেল্থ কেয়ার, রামপুরা লিঃ ইন্টারনাল অডিট করার দায়িত্ব গ্রহণ করেন । এরপর ১১/০৯/২০২১ইং তারিখ অডিট টিম একটি রিপোর্ট প্রদান করেন । সেই রিপোর্টে চেয়ারম্যান ডা. মোঃ আব্দুল কুদ্দুস ও সাবেক ব্যবস্থপনা পরিচালক ডা. মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সময়কালে অর্থ আত্মসাৎ এর কিছু চিত্র ফুটে উঠেছে ।

নিম্নে সংক্ষিপ্ত ভাবে বিবরণ দেওয়া হলঃ-
২০১৬-২০১৭ অর্থ বছর কে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছর পর্যন্ত হাসপাতাল কালেকশন থেকে ৮৭,০৩,৫৮৮/= (সাতাশি লক্ষ তিন হাজার পাঁচশত আটাশি) টাকা আত্মসাৎ করেছেন ।
২০১৪-২০১৯ অর্থ বছর পর্যন্ত রেনোভেশনের নামে অগ্রীম হিসাবে ১,৬৭,৮৩,০৬১ /= (এক কোটি সাতষট্টি লক্ষ তিরাশি হাজার একষট্টি) টাকা দেখানো হয়েছে যার কোন ব্যাখ্যা বা বিল ভাউচার দেখাতে পারে নাই। ফলে তারা দুইজন মিলে টাকা গুলো আত্মসাৎ করেছে বলে প্রতিয়মান হয় ।
২০১৪-২০১৯ অর্থ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন কোম্পানির নামে অগ্রীম হিসাবে ১৩,০৭,৭৮২/= (তের লক্ষ সাত হাজার সাতশত বিরাশি) টাকা দেখানো হয়েছে যার কোন ব্যাখ্যা বা বিল ভাউচার দেখাতে পারে নাই। ফলে তারা দুইজন মিলে টাকা গুলো আত্মসাৎ করেছে বলে প্রতিয়মান হয় ।
২০১৪-২০১৯ অর্থ বছর পর্যন্ত হাসপাতালের অবস্থা খুবই নাজুক হয়ে পড়ে যে কারণে স্টাফদের চার মাসের বেতন বকেয়া থাকা সত্ত্বেও স্টাফদের অগ্রীম বেতন বাবদ ২,১১,৮৬০/- (দুই লক্ষ এগারো হাজার আটশত ষাট) টাকা অডিট রিপোর্টে দেখিয়ে হিসাব মেলানো হয়েছে । পরবর্তীতে তারা যার কোন ব্যাখ্যা দিতে পারে নাই । উক্ত টাকা তারা আত্মসাৎ করেছে বলে প্রতিয়মান হয় ।
৫। ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে ৫,৫৫,১০২/- (পাঁচ লক্ষ পঞ্চান্ন হাজার নয়শত দুই) টাকা অডিট রিপোর্টে মেলানো সম্ভব হয়নি । যা অডিটরস্ রিপোর্টে উল্লেখি আছে। উক্ত টাকা তারা দুইজন মিলে আত্মসাৎ করেছে বলে প্রতিয়মান হয় ।
২০১২-২০১৯ অর্থ বছর পর্যন্ত শেয়ার মানি ১০,২০০,০০০/= (এক কোটি দুই লক্ষ) টাকা ব্যাংক এ্যাকাউন্টে জমা না করে আত্মসাৎ করেছেন ।
শট টার্ম লোন ৪৩,০০০,০০/= (তেতাল্লিশ লক্ষ) টাকা ব্যাংক এ্যাকাউন্টে জমা না করে আত্মসাৎ করেছেন । ৮।০৫/০৮/২০১৯ ইং তারিখে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম অব্যাহতি গ্রহণের পূর্বে ক্যাশ ইন হ্যান্ড ২৭,৯৪,০০০/= (সাতাশ লক্ষ চুরানব্বই হাজার) টাকা দেখালেও পরবর্তী দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তিকে বুঝিয়ে দেন ।
নাই এবং সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন, এর পর থেকে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি তারা তাদের মতো করে অদ্যবদি পরিচলনা করে আসছে, যার কোনো সচ্ছতা ও জবাবদিহীতা নেই ।
সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সময়কালে প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত দায়-দেনা ৬,৬১,৫১,১০৭/= (ছয় কোটি একষট্টি লক্ষ একান্ন হাজার একশত সাত) টাকা থাকলেও তিনি প্রতিটি বোর্ড মিটিংয়ে প্রতিষ্ঠানের দায়-দেনার হিসাব দেখিয়েছেন ৩,৩২, ৮৫, ১৬৪/- (তিন কোটি বত্রিশ লক্ষ পঁচাশি হাজার একশত চৌষট্টি) টাকা । এখানেও প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত দায়-দেনা গোপন করে আর্থিক অনিয়ম করেছেন প্রায় ৩,২৮,৬৫,৯৪৩/= (তিন কোটি আটাশ লক্ষ পয়ষট্টি হাজার নয়শত তেতাল্লিশ) টাকা ।
সর্বোপরি বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে চেয়ারম্যান ডা. মোঃ আব্দুল কুদ্দুস ও সাবেক ব্যবস্থপনা পরিচালক ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম অর্থ আত্মসাৎ করে প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগকারীদের ও রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন । স্বাস্থ্য সেবার নামে এদেশের জনগণ ও বিনিয়োগকারীদেরকে ঠকিয়ে অর্থ আত্মসাত করার প্রতিবাদ করলে তারা দুইজন উক্ত প্রতিষ্ঠানে ভিতর একটি গ্রুপিং করে অভিযোগকারীকে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে। অভিযোগকারী তখন হাতিরঝিল থানায় গত ২২/০৯/২০১১ইং তারিখ (জি.ডি নং ১১১৬) একটি সাধারণ ডায়েরি করেন ।
বর্ণিত বিষয়ের আলোকে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণে দুদক চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ওই অভিযোগকারী ।


প্রিন্ট