ঢাকা ১২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঝিনাইদহে নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক কর্মশালা ইসরাইলি প্রস্তাবের বিরোধিতা করতে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর প্রতি হামাসের আহ্বান বাগেরহাটে সাড়ম্বরে জন্মাষ্টমী পালিত রাশিয়ার আকাশসীমা নিয়ে কিয়েভের ‘অবৈধ’ সতর্কবার্তার নিন্দা মস্কোর জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হচ্ছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তারুণ্যের অদম্য শক্তিতে মেধাবী দেশ গড়তে চায় সরকার : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী রাশিয়ার হা/ম/লায় ইউক্রেনের এসবিইউ সদর দপ্তর ক্ষ/তিগ্র/স্ত বাগেরহাটে পানি প্রকল্প পুনরায় চালুর উদ্যোগ রাজবাড়ীতে আ/গুনে পাঁচটি দোকান পু/ড়ে কোটি টাকার ক্ষ/য়ক্ষ/তি শার্শায় পু/লিশের অভিযানে ২০ পিস ইয়া/বাসহ যু/বক গ্রে/প্তার

খুলনায় কোরবানির অতিরিক্ত পশু ৩ লাখ

আর মাত্র এক সপ্তাহ পরেই ঈদুল আজহা। তাই শেষ সময়ে কোরবানির পশু নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন খুলনা অঞ্চলের খামারিরা। বিভাগের ১০ জেলায় এবার চাহিদার তুলনায় মোট তিন লাখ বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় গরুর দাম ও আশানুরূপ বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা।

খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন খামারের সরেজমিন চিত্র বলছে, শেষ সময়ে কোরবানির পশুর বাড়তি যত্নে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও কর্মীরা।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে সাপ্তাহিক গরুর হাট বসতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে পশু কেনাবেচাও। খুলনা বিভাগে এবার কোরবানির হাট বসবে ১৬৩টি।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্যমতে, বিভাগের ১০ জেলায় এবার কোরবানির পশুর চাহিদা সাড়ে ৮ লাখের মতো। যার বিপরীতি লালন পালন করা হয়েছে ১২ লাখের বেশি পশু।

তবে চাহিদার তুলনায় যোগান বেশি থাকলেও গো-খাদ্য ও নানা উপকরণসহ সার্বিক লালন-পালনে খরচ বেড়েছে। এতে পশুর দাম গতবারের তুলনায় বেশি বলছেন খামারিরা, ক্রেতারা পড়েছেন বিপাকে। এ অবস্থায় কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

এক খামারি বলেন, গমের ভুষি, মুগ ভুষি, সাইলেস এরকম গো-খাদ্যের দাম বাজারে অনেক চড়া। যে কারণে আমাদের কোরবানির পশু লালন-পালনে খরচ অনেক বেশি হয়েচে। সে অনুযায়ী দাম চাইলে সহজে ক্রেতা মিলছে না। এতে আমরা বিপাকে পড়েছি।

এদিকে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ ঠেকাতে না পারলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পরার শঙ্কাও রয়েছে তাদের। আরেকজন খামারি বলেন, যদি ভারত থেকে গরু ঢুকে, তাহলে আমাদের আশা শেষ।

গত তিন মাস ধরে খামারিদের প্রশিক্ষিত করার কথা জানিয়ে খুলনা বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উপ পরিচালক ডা. এবিএম জাকির হোসেন বলেন, খামারিরা প্রতিবারই লাভবান হন। হয়তো কম হয়, না হয় বেশি হয়। তবে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে যদি কোরবানির পশু না আসে, তাহলে সেটি আমাদের জন্য ভালোই হবে।

খুলনা বিভাগের মধ্যে এবার ঝিনাইদহ জেলায় সবচেয়ে বেশি দুই লাখ চার হাজার কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনাইদহে নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক কর্মশালা

খুলনায় কোরবানির অতিরিক্ত পশু ৩ লাখ

আপডেট টাইম : ১২:৪৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জুন ২০২৩

আর মাত্র এক সপ্তাহ পরেই ঈদুল আজহা। তাই শেষ সময়ে কোরবানির পশু নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন খুলনা অঞ্চলের খামারিরা। বিভাগের ১০ জেলায় এবার চাহিদার তুলনায় মোট তিন লাখ বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় গরুর দাম ও আশানুরূপ বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা।

খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন খামারের সরেজমিন চিত্র বলছে, শেষ সময়ে কোরবানির পশুর বাড়তি যত্নে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও কর্মীরা।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে সাপ্তাহিক গরুর হাট বসতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে পশু কেনাবেচাও। খুলনা বিভাগে এবার কোরবানির হাট বসবে ১৬৩টি।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্যমতে, বিভাগের ১০ জেলায় এবার কোরবানির পশুর চাহিদা সাড়ে ৮ লাখের মতো। যার বিপরীতি লালন পালন করা হয়েছে ১২ লাখের বেশি পশু।

তবে চাহিদার তুলনায় যোগান বেশি থাকলেও গো-খাদ্য ও নানা উপকরণসহ সার্বিক লালন-পালনে খরচ বেড়েছে। এতে পশুর দাম গতবারের তুলনায় বেশি বলছেন খামারিরা, ক্রেতারা পড়েছেন বিপাকে। এ অবস্থায় কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

এক খামারি বলেন, গমের ভুষি, মুগ ভুষি, সাইলেস এরকম গো-খাদ্যের দাম বাজারে অনেক চড়া। যে কারণে আমাদের কোরবানির পশু লালন-পালনে খরচ অনেক বেশি হয়েচে। সে অনুযায়ী দাম চাইলে সহজে ক্রেতা মিলছে না। এতে আমরা বিপাকে পড়েছি।

এদিকে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ ঠেকাতে না পারলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পরার শঙ্কাও রয়েছে তাদের। আরেকজন খামারি বলেন, যদি ভারত থেকে গরু ঢুকে, তাহলে আমাদের আশা শেষ।

গত তিন মাস ধরে খামারিদের প্রশিক্ষিত করার কথা জানিয়ে খুলনা বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উপ পরিচালক ডা. এবিএম জাকির হোসেন বলেন, খামারিরা প্রতিবারই লাভবান হন। হয়তো কম হয়, না হয় বেশি হয়। তবে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে যদি কোরবানির পশু না আসে, তাহলে সেটি আমাদের জন্য ভালোই হবে।

খুলনা বিভাগের মধ্যে এবার ঝিনাইদহ জেলায় সবচেয়ে বেশি দুই লাখ চার হাজার কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে।


প্রিন্ট