ঢাকা ০২:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

পার্বত্য অঞ্চলের বন সংরক্ষণে জনসাধারণকে এগিয়ে আসতে হবে: সচিব মশিউর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মশিউর রহমান বলেছেন, শুধুমাত্র প্রজেক্টের মডেল, গাইড তৈরি আর সিস্টেম দিয়ে পার্বত্য অঞ্চলে বন ও পানি সংরক্ষণ করা নিশ্চিত হবে না। পার্বত্য অঞ্চলের বন সংরক্ষণে পার্বত্য অঞ্চলের আপামর জনসাধারণকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে বন সংরক্ষণের পাশাপাশি পানি সংরক্ষণ করা নিশ্চিত হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর বেইলি রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের মাল্টিপারপাস হলরুমে চিটাগাং হিলট্রাক্টস ওয়াটারশেড কো-ম্যানেজমেন্ট এক্টিভিটি-লেসনস লার্নড অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড শীর্ষক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য সচিব বলেন, পানি সংরক্ষণে পার্বত্য অঞ্চলে বন সৃজন, সংরক্ষণ ও প্রতিকারের বিষয়ে অনেক কাজ করার আছে। ভৌগোলিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক দিকগুলোকে বিবেচনা করে একটি যুগোপযোগী সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে।

তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশি-বিদেশি সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে এর সমাধান করা সহজ হবে।

ফরেস্ট রেজিস্ট্রেশন ও মালিকানা নিয়ে লিটিগেশন সমস্যা সংক্রান্ত কমিউনিটি চেঞ্জ মেকারের প্রসঙ্গ টেনে পার্বত্য সচিব মশিউর রহমান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে এখনো ল্যান্ড সার্ভে হয়নি। রিজার্ভ ফরেস্ট ট্রান্সফার হয় না।

পার্বত্য চট্টগ্রামে ল্যান্ড কমিশন ও আইন তৈরি করা হয়েছে। বিধিমালা তৈরির কাজ চলছে। বিধিমালা হয়ে গেলে ভূমি সংক্রান্ত লিটিগেশন বা সমস্যা আর থাকবে না বলে জানান পার্বত্য সচিব।

কর্মশালাটি ইউএসএইড, ইউএনডিপি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় সংস্থাগুলোর দেশি-বিদেশি প্রতিনিধি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি এই তিন জেলার কমিউনিটি চেঞ্জ মেকাররা অংশ নেন।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- পরিবেশ বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত অতিরিক্ত সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন, প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসেন চৌধুরী, ইউএনডিপি বাংলাদেশের ইকোনিমক গ্রোথ অফিস ডাইরেক্টর ড. মুহাম্মদ খান, ইউএনডিপি বাংলাদেশের পেুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টিটিভ মিজ সোনালী দয়ারত্নে প্রমুখ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু

পার্বত্য অঞ্চলের বন সংরক্ষণে জনসাধারণকে এগিয়ে আসতে হবে: সচিব মশিউর

আপডেট টাইম : ১২:১৯:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৩

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মশিউর রহমান বলেছেন, শুধুমাত্র প্রজেক্টের মডেল, গাইড তৈরি আর সিস্টেম দিয়ে পার্বত্য অঞ্চলে বন ও পানি সংরক্ষণ করা নিশ্চিত হবে না। পার্বত্য অঞ্চলের বন সংরক্ষণে পার্বত্য অঞ্চলের আপামর জনসাধারণকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে বন সংরক্ষণের পাশাপাশি পানি সংরক্ষণ করা নিশ্চিত হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর বেইলি রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের মাল্টিপারপাস হলরুমে চিটাগাং হিলট্রাক্টস ওয়াটারশেড কো-ম্যানেজমেন্ট এক্টিভিটি-লেসনস লার্নড অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড শীর্ষক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য সচিব বলেন, পানি সংরক্ষণে পার্বত্য অঞ্চলে বন সৃজন, সংরক্ষণ ও প্রতিকারের বিষয়ে অনেক কাজ করার আছে। ভৌগোলিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক দিকগুলোকে বিবেচনা করে একটি যুগোপযোগী সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে।

তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশি-বিদেশি সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে এর সমাধান করা সহজ হবে।

ফরেস্ট রেজিস্ট্রেশন ও মালিকানা নিয়ে লিটিগেশন সমস্যা সংক্রান্ত কমিউনিটি চেঞ্জ মেকারের প্রসঙ্গ টেনে পার্বত্য সচিব মশিউর রহমান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে এখনো ল্যান্ড সার্ভে হয়নি। রিজার্ভ ফরেস্ট ট্রান্সফার হয় না।

পার্বত্য চট্টগ্রামে ল্যান্ড কমিশন ও আইন তৈরি করা হয়েছে। বিধিমালা তৈরির কাজ চলছে। বিধিমালা হয়ে গেলে ভূমি সংক্রান্ত লিটিগেশন বা সমস্যা আর থাকবে না বলে জানান পার্বত্য সচিব।

কর্মশালাটি ইউএসএইড, ইউএনডিপি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় সংস্থাগুলোর দেশি-বিদেশি প্রতিনিধি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি এই তিন জেলার কমিউনিটি চেঞ্জ মেকাররা অংশ নেন।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- পরিবেশ বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত অতিরিক্ত সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন, প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসেন চৌধুরী, ইউএনডিপি বাংলাদেশের ইকোনিমক গ্রোথ অফিস ডাইরেক্টর ড. মুহাম্মদ খান, ইউএনডিপি বাংলাদেশের পেুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টিটিভ মিজ সোনালী দয়ারত্নে প্রমুখ।


প্রিন্ট