ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

হার না মানা সোহানা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

এইচএসসি পরীক্ষার পর বিয়ে হয়ে যাওয়া স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে সংসার পরিচালনার কাছে হার মানেনি। একজন সংগ্রামী নারী, সংসার এবং ক্যারিয়ার সমানতালে এগিয়ে নিয়েছেন। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেন সোহানা শারমিন।

জন্মসূত্রে কক্সবাজার জেলার রামু থানার অন্তর্ভুক্ত খুনিয়া পালং ইউনিয়নের জহিরুল হক শিকদারের বড় মেয়ে ও ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ নাফিজ মাহবুব এর স্ত্রী এডভোকেট সোহানা শারমিন। এডভোকেট সোহানা শারমিন অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে ঢাকা জজ কোর্ট ও হাইকোর্ট ডিভিশনে তালিকাভুক্ত হয়ে গত চার বছর যাবত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আইন পেশায় নিজেকে নিযুক্ত রেখেছেন। বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলবিতে মাস্টার্স কমপ্লিট করার পর প্রথমে নিম্ন আদালতের অ্যাডভোকেট পরবর্তীতে উচ্চ আলাদতে আইনজীবী হিসেবে কর্মরত।এছাড়াও ভিবিন্ন সামাজিক সংগঠনে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়মিত আত্মনিয়োগ করে যাচ্ছেন। এডভোকেট সোহানা শারমিনের পারিবারিক জীবনে দুই সন্তানের জননী তাছাড়া স্বামী একজন রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক। এইচএসসি পরীক্ষার পর বিয়ে হয়ে যায় এই নারী আইনজীবীর,
সাধারণত সমাজে বিবাহিত নারীরা পিছিয়ে যায় কিংবা থেমে থাকে কিন্তু এডভোকেট সোহানা শারমিন একজন সংগ্রামী নারী, সংসার এবং ক্যারিয়ার সমানতালে এগিয়ে নিয়েছেন। সুবিধাবঞ্চিত নারী ও শিশুদের বিনামূল্যে আইনি সেবা প্রদান করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন।
সোহানা শারমিন আরও বলেন – মেয়েদের নিজের একটা সুনির্দিষ্ট পরিচয় তৈরি করা উচিত, পৃথিবীতে কেউ কাউকে চেয়ার ছেড়ে দেয়না, নিজের কর্মদক্ষতা এবং সততার সঙ্গে অর্জন করতে হয়। সৎ উদ্দেশ্যে পরিশ্রম করলে সফলতা অবশ্যই আসবে, নারীদের চলার পথ কখনোই সুগম ছিল না, একজন বউ, মা হিসেবে সেই পথ যথেষ্ট কঠিন। আগামী পাঁচ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চাইবেন সেই পরিকল্পনা এবং লক্ষ্য আপনাকে আজই স্থির করতে হবে। ছোটোবেলা থেকে মেধাবী এই আইনজীবী আরও বলেন নারীদের জন্য পরিবার হচ্ছে বড় শক্তি।
বাংলাদেশের অধিকাংশ নারী প্রথম বঞ্চনার শিকার হয় মোটামুটিভাবে পরিবার কিংবা কাছের মানুষের কাছ থেকে তাই নারীদের এগিয়ে যাওয়ার পথটা সুগম করতে হয় মোটামুটি পরিবারকে। স্বামী রাজনীতিবিদ নাফিজ মাহবুব সবসময় সহযোদ্ধা হিসেবে পাশে ছিলেন বলেই পথচলা মোটামুটি সহজ ছিল।
মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সবসময় সৎ চেষ্টা থাকবে এবং সব ধরনের অধিকার বঞ্চিত নারীদের নিয়ে কাজ করাই একমাত্র লক্ষ্য আমার।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

হার না মানা সোহানা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেন

আপডেট টাইম : ০৯:৫৮:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক:

এইচএসসি পরীক্ষার পর বিয়ে হয়ে যাওয়া স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে সংসার পরিচালনার কাছে হার মানেনি। একজন সংগ্রামী নারী, সংসার এবং ক্যারিয়ার সমানতালে এগিয়ে নিয়েছেন। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেন সোহানা শারমিন।

জন্মসূত্রে কক্সবাজার জেলার রামু থানার অন্তর্ভুক্ত খুনিয়া পালং ইউনিয়নের জহিরুল হক শিকদারের বড় মেয়ে ও ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ নাফিজ মাহবুব এর স্ত্রী এডভোকেট সোহানা শারমিন। এডভোকেট সোহানা শারমিন অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে ঢাকা জজ কোর্ট ও হাইকোর্ট ডিভিশনে তালিকাভুক্ত হয়ে গত চার বছর যাবত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আইন পেশায় নিজেকে নিযুক্ত রেখেছেন। বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলবিতে মাস্টার্স কমপ্লিট করার পর প্রথমে নিম্ন আদালতের অ্যাডভোকেট পরবর্তীতে উচ্চ আলাদতে আইনজীবী হিসেবে কর্মরত।এছাড়াও ভিবিন্ন সামাজিক সংগঠনে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়মিত আত্মনিয়োগ করে যাচ্ছেন। এডভোকেট সোহানা শারমিনের পারিবারিক জীবনে দুই সন্তানের জননী তাছাড়া স্বামী একজন রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক। এইচএসসি পরীক্ষার পর বিয়ে হয়ে যায় এই নারী আইনজীবীর,
সাধারণত সমাজে বিবাহিত নারীরা পিছিয়ে যায় কিংবা থেমে থাকে কিন্তু এডভোকেট সোহানা শারমিন একজন সংগ্রামী নারী, সংসার এবং ক্যারিয়ার সমানতালে এগিয়ে নিয়েছেন। সুবিধাবঞ্চিত নারী ও শিশুদের বিনামূল্যে আইনি সেবা প্রদান করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন।
সোহানা শারমিন আরও বলেন – মেয়েদের নিজের একটা সুনির্দিষ্ট পরিচয় তৈরি করা উচিত, পৃথিবীতে কেউ কাউকে চেয়ার ছেড়ে দেয়না, নিজের কর্মদক্ষতা এবং সততার সঙ্গে অর্জন করতে হয়। সৎ উদ্দেশ্যে পরিশ্রম করলে সফলতা অবশ্যই আসবে, নারীদের চলার পথ কখনোই সুগম ছিল না, একজন বউ, মা হিসেবে সেই পথ যথেষ্ট কঠিন। আগামী পাঁচ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চাইবেন সেই পরিকল্পনা এবং লক্ষ্য আপনাকে আজই স্থির করতে হবে। ছোটোবেলা থেকে মেধাবী এই আইনজীবী আরও বলেন নারীদের জন্য পরিবার হচ্ছে বড় শক্তি।
বাংলাদেশের অধিকাংশ নারী প্রথম বঞ্চনার শিকার হয় মোটামুটিভাবে পরিবার কিংবা কাছের মানুষের কাছ থেকে তাই নারীদের এগিয়ে যাওয়ার পথটা সুগম করতে হয় মোটামুটি পরিবারকে। স্বামী রাজনীতিবিদ নাফিজ মাহবুব সবসময় সহযোদ্ধা হিসেবে পাশে ছিলেন বলেই পথচলা মোটামুটি সহজ ছিল।
মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সবসময় সৎ চেষ্টা থাকবে এবং সব ধরনের অধিকার বঞ্চিত নারীদের নিয়ে কাজ করাই একমাত্র লক্ষ্য আমার।


প্রিন্ট