ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভুঁয়া সনদ ও প্রজ্ঞাপন দিয়ে ৮ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন আবুল কাসেম

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা মো, আবুল কাশেম ভোলা জেলার লালমোহন এক মুক্তিযোদ্ধাকে ভুঁয়া সনদ ও রাস্ট্রপতির অদ্যাশিত গেজেটের ভুয়া প্রজ্ঞাপন কপি দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে অভিযোগ পাওয়া গোছে। এমন ভুয়া কাগজ দিয়ে বিভিন্ন জেলার একাধিক লোকের কাছ থেকেও বিপুল পরিমানে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভূগী জানায় মুক্তিযোদ্ধার কাগজ ঠিক করতে মন্ত্রনালয়ে আসলে কাসেমের সাথে পরিচয় হয় এবং কাসেম নকল সনদ দিয়ে ৫ লাখ টানা নেন। ২০১৫ সালে নকল সনদের বিষয়টি বুঝতে পেরে মন্ত্রনালয়ে কাসেমের কাছে আসলে কাসেম সব ঠিক করে দিবে এবং কয়েক দিনের মধ্যে অনলাইনে সব দেখতে পাবে বলে আশ্বাস দেন।

বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রনালয়ে কর্মরত কাসেমের সাথে আলাপ করলে সে ৩ মাসের ভিতরে সব কিছু ঠিক করে  দিচ্ছি বলে আশ্বাস দেন। কয়েকদিন পর রাস্ট্রপতির অদ্যাশিত গেজেটের ভুঁয়া প্রজ্ঞাপন কপি হাতে দিয়ে আরো ৩ লাখ টাকা নেন। গেজেট প্রকাশিত না হওয়ায় মন্ত্রনালয়ে এসে প্রজ্ঞাপন কপি দেখালে এটি নকল বলে জানায় একজন উপসচিব। পরবর্তিতে কাসেমের সাথে যোগাযোগ করে টাকা ফেরত চাইলে সে এক মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দিবে বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু কয়েক বছর পার হলেও কাসেম কোন টাকা না দিয়ে শুধু তারিখের পর তারিখ দেন। ৪ লাখ টাকার ব্যাংক চেক দিলেও কোনটি ক্যাশ হয়নি। বর্তমানে কাসেম অবসরে আছেন তবে অবসর ও পেনশনের টাকা এখনও পাননি বলে ভিকটিমকে জানান
মো. আবুল কাসেম।
অভিযোগের বিষয়ে আবুলে কাসেম এর বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মুঠো ফোন ০১৭৯৬৮৩৬৬৩২ নম্বরে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আবুল কাসেমের স্বীকারুক্ত মূলক ভিডিওসহ বিস্তারিত আসবে আগামী পর্বে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভুঁয়া সনদ ও প্রজ্ঞাপন দিয়ে ৮ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন আবুল কাসেম

আপডেট টাইম : ০৩:০১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা মো, আবুল কাশেম ভোলা জেলার লালমোহন এক মুক্তিযোদ্ধাকে ভুঁয়া সনদ ও রাস্ট্রপতির অদ্যাশিত গেজেটের ভুয়া প্রজ্ঞাপন কপি দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে অভিযোগ পাওয়া গোছে। এমন ভুয়া কাগজ দিয়ে বিভিন্ন জেলার একাধিক লোকের কাছ থেকেও বিপুল পরিমানে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভূগী জানায় মুক্তিযোদ্ধার কাগজ ঠিক করতে মন্ত্রনালয়ে আসলে কাসেমের সাথে পরিচয় হয় এবং কাসেম নকল সনদ দিয়ে ৫ লাখ টানা নেন। ২০১৫ সালে নকল সনদের বিষয়টি বুঝতে পেরে মন্ত্রনালয়ে কাসেমের কাছে আসলে কাসেম সব ঠিক করে দিবে এবং কয়েক দিনের মধ্যে অনলাইনে সব দেখতে পাবে বলে আশ্বাস দেন।

বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রনালয়ে কর্মরত কাসেমের সাথে আলাপ করলে সে ৩ মাসের ভিতরে সব কিছু ঠিক করে  দিচ্ছি বলে আশ্বাস দেন। কয়েকদিন পর রাস্ট্রপতির অদ্যাশিত গেজেটের ভুঁয়া প্রজ্ঞাপন কপি হাতে দিয়ে আরো ৩ লাখ টাকা নেন। গেজেট প্রকাশিত না হওয়ায় মন্ত্রনালয়ে এসে প্রজ্ঞাপন কপি দেখালে এটি নকল বলে জানায় একজন উপসচিব। পরবর্তিতে কাসেমের সাথে যোগাযোগ করে টাকা ফেরত চাইলে সে এক মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দিবে বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু কয়েক বছর পার হলেও কাসেম কোন টাকা না দিয়ে শুধু তারিখের পর তারিখ দেন। ৪ লাখ টাকার ব্যাংক চেক দিলেও কোনটি ক্যাশ হয়নি। বর্তমানে কাসেম অবসরে আছেন তবে অবসর ও পেনশনের টাকা এখনও পাননি বলে ভিকটিমকে জানান
মো. আবুল কাসেম।
অভিযোগের বিষয়ে আবুলে কাসেম এর বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মুঠো ফোন ০১৭৯৬৮৩৬৬৩২ নম্বরে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আবুল কাসেমের স্বীকারুক্ত মূলক ভিডিওসহ বিস্তারিত আসবে আগামী পর্বে।


প্রিন্ট