ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

নারীর কঙ্কাল উদ্ধারের রহস্য উদঘাটন, বাবা-ছেলে গ্রেফতার

মাগুরায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে খুন হওয়া মারিয়া খাতুনের কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনায় প্রেমিক শশী আহমেদ ও তার বাবা নবুয়াত আলীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ভোরে শ্রীপুর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা ওই গ্রামের বাসিন্দা। জানা যায়, কয়েক মাস আগে শশী ও মারিয়া খাতুনের মধ্যে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর তাকে হত্যা করে মরদেহ সদর উপজেলার গাংনালিয়া ব্রিজের নিচে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা।

এদিকে, গত ১৫ নভেম্বর এলাকাবাসীর খবরের ভিত্তিতে সদর উপজেলার গাংনালিয়ায় কুমার নদের ব্রিজের নিচে কচুরিপানার মধ্যে থেকে একটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। পরে পোশাক ও ঘড়ি থেকে মারিয়ার স্বজনরা মরদেহটি শনাক্ত করেন। এরপর পুলিশ তদন্তে নেমে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রমাণ পায়। মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে ওই দুইজন জড়িত থাকায় তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

সদর থানার ওসি শেখ সেকেন্দার আলী জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেননি। তবে পুলিশকে শশী জানিয়েছেন, মেয়েটির সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। শ্বাসকষ্টজনিত রোগের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নদীর তীরে শশী ফেলে রেখে যান।

তিনি আরো বলেন, গ্রেফতারদের বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের নির্দেশে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার এস আই আলমগীর হোসেন বলেন, নিহত মারিয়ার সঙ্গে শশী আহমেদের মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সূত্র ধরে মারিয়া শহরের আদর্শ পাড়ায় আমির খসরুর বাড়িতে শশীর ভাড়া করা কক্ষে আসা যাওয়া করতেন। এরই এক পর্যায়ে অজ্ঞাত কারণে শশী মারিয়াকে হত্যা করেন। পরে বাবার সহযোগিতায় তার মরদেহ তোষক দিয়ে মুড়িয়ে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যান।

তিনি আরো জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো রহস্যজনক। অভিযুক্তদের রিমান্ড আবেদন করা হবে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

নারীর কঙ্কাল উদ্ধারের রহস্য উদঘাটন, বাবা-ছেলে গ্রেফতার

আপডেট টাইম : ১২:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৩

মাগুরায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে খুন হওয়া মারিয়া খাতুনের কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনায় প্রেমিক শশী আহমেদ ও তার বাবা নবুয়াত আলীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ভোরে শ্রীপুর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা ওই গ্রামের বাসিন্দা। জানা যায়, কয়েক মাস আগে শশী ও মারিয়া খাতুনের মধ্যে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর তাকে হত্যা করে মরদেহ সদর উপজেলার গাংনালিয়া ব্রিজের নিচে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা।

এদিকে, গত ১৫ নভেম্বর এলাকাবাসীর খবরের ভিত্তিতে সদর উপজেলার গাংনালিয়ায় কুমার নদের ব্রিজের নিচে কচুরিপানার মধ্যে থেকে একটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। পরে পোশাক ও ঘড়ি থেকে মারিয়ার স্বজনরা মরদেহটি শনাক্ত করেন। এরপর পুলিশ তদন্তে নেমে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রমাণ পায়। মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে ওই দুইজন জড়িত থাকায় তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

সদর থানার ওসি শেখ সেকেন্দার আলী জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেননি। তবে পুলিশকে শশী জানিয়েছেন, মেয়েটির সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। শ্বাসকষ্টজনিত রোগের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নদীর তীরে শশী ফেলে রেখে যান।

তিনি আরো বলেন, গ্রেফতারদের বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের নির্দেশে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার এস আই আলমগীর হোসেন বলেন, নিহত মারিয়ার সঙ্গে শশী আহমেদের মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সূত্র ধরে মারিয়া শহরের আদর্শ পাড়ায় আমির খসরুর বাড়িতে শশীর ভাড়া করা কক্ষে আসা যাওয়া করতেন। এরই এক পর্যায়ে অজ্ঞাত কারণে শশী মারিয়াকে হত্যা করেন। পরে বাবার সহযোগিতায় তার মরদেহ তোষক দিয়ে মুড়িয়ে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যান।

তিনি আরো জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো রহস্যজনক। অভিযুক্তদের রিমান্ড আবেদন করা হবে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।


প্রিন্ট