ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

খালের কচুরিপানা উচ্ছেদে নেমেছেন ডা. প্রান গোপাল দও এমপি।

শাহাদাত কামাল শাকিল, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি::

কুমিল্লার চান্দিনায় কচুরিপানায় ভরা কার্জন খালের চেহারা পাল্টে দিতে পরিস্কারে নামলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি।
চান্দিনা ও বরুড়া উপজেলার ওই সংযোগ খালটির চিলোড়া অংশ থেকে পরিস্কার অভিযান শুরু করেন তিনি। এসময় স্বেচ্ছাশ্রমের বিনিময়ে বহু নেতা-কর্মী খালে নেমে কচুরিপানা পরিস্কার কাজে অংশ নেন। প্রাথমিক ভাবে খালটির সাড়ে ৩ কিলোমিটার এলাকা পরিস্কার করা হবে বলে জানান এমপি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি নিজেই যখন খালে নেমে পরিস্কার অভিযান শুরু করেন তখন তাঁর সাথে একাত্মতা করে নোংড়া পানির খালে নামেন এতবারপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারমান মো. ইউসুফ ও বাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আহসান হাবিব। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাবের মো. সোয়াইব, উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।
এমপি’র এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকার বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা বলেন, কার্জন খালটি একটি ঐতিহ্যবাহী খাল। এখনও এই খালটি অন্তত ৫০-৬০ ফুট প্রস্থ। বছরের শুকনো মৌসুম অতিক্রম করে গ্রীষ্মের খড়তাপে যেখানে বেশির ভাগ জলাশয় শুকিয়ে গেছে কিন্তু কার্জন খালে এখনও ৫-৭ ফুট গভীরের পানি আছে। ওই খালে এক সময় বড় বড় নৌকা চলতো। খালের পানিতে দুই উপজেলার কয়েক গ্রামের কৃষক সেচ করে জমিতে ফসল ফলাতো। কিন্তু খালটি সংস্কারে কোন উদ্যোগ না নেয়ায় কচুরিপানায় ভড়পুর হয়ে আছে। ফ্যাক্টরীর বর্জ্য ফেলে পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। খালটি খনন করা থাক দূরের কথা পরিস্কারে কেউ এগিয়ে আসেনি। এমপি প্রাণ গোপাল দত্ত নিজেই খাল পরিস্কারে নেমে এলাকার মানুষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় খালের বিকল্প নেই। এই খালের অনেক ঐতিহ্য রয়েছে। খালটি পরিস্কার করে, আমার উপজেলার সীমানা পর্যন্ত খনন করে দুই পাশে বৃক্ষ রোপণ করার উদ্যোগ নিয়েছি। ফ্যাক্টরীর বর্জ্য ফেলা বন্ধ করেছি। এই খালের বিশেষ একটি অংশে থাকবে নৌকা। এখানে এসে যাতে এলাকার মানুষ কিছুটা হলেও বিনোদন পায় সে ব্যবস্থা করবো।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

খালের কচুরিপানা উচ্ছেদে নেমেছেন ডা. প্রান গোপাল দও এমপি।

আপডেট টাইম : ১২:২৫:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪

শাহাদাত কামাল শাকিল, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি::

কুমিল্লার চান্দিনায় কচুরিপানায় ভরা কার্জন খালের চেহারা পাল্টে দিতে পরিস্কারে নামলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি।
চান্দিনা ও বরুড়া উপজেলার ওই সংযোগ খালটির চিলোড়া অংশ থেকে পরিস্কার অভিযান শুরু করেন তিনি। এসময় স্বেচ্ছাশ্রমের বিনিময়ে বহু নেতা-কর্মী খালে নেমে কচুরিপানা পরিস্কার কাজে অংশ নেন। প্রাথমিক ভাবে খালটির সাড়ে ৩ কিলোমিটার এলাকা পরিস্কার করা হবে বলে জানান এমপি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি নিজেই যখন খালে নেমে পরিস্কার অভিযান শুরু করেন তখন তাঁর সাথে একাত্মতা করে নোংড়া পানির খালে নামেন এতবারপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারমান মো. ইউসুফ ও বাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আহসান হাবিব। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাবের মো. সোয়াইব, উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।
এমপি’র এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকার বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা বলেন, কার্জন খালটি একটি ঐতিহ্যবাহী খাল। এখনও এই খালটি অন্তত ৫০-৬০ ফুট প্রস্থ। বছরের শুকনো মৌসুম অতিক্রম করে গ্রীষ্মের খড়তাপে যেখানে বেশির ভাগ জলাশয় শুকিয়ে গেছে কিন্তু কার্জন খালে এখনও ৫-৭ ফুট গভীরের পানি আছে। ওই খালে এক সময় বড় বড় নৌকা চলতো। খালের পানিতে দুই উপজেলার কয়েক গ্রামের কৃষক সেচ করে জমিতে ফসল ফলাতো। কিন্তু খালটি সংস্কারে কোন উদ্যোগ না নেয়ায় কচুরিপানায় ভড়পুর হয়ে আছে। ফ্যাক্টরীর বর্জ্য ফেলে পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। খালটি খনন করা থাক দূরের কথা পরিস্কারে কেউ এগিয়ে আসেনি। এমপি প্রাণ গোপাল দত্ত নিজেই খাল পরিস্কারে নেমে এলাকার মানুষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় খালের বিকল্প নেই। এই খালের অনেক ঐতিহ্য রয়েছে। খালটি পরিস্কার করে, আমার উপজেলার সীমানা পর্যন্ত খনন করে দুই পাশে বৃক্ষ রোপণ করার উদ্যোগ নিয়েছি। ফ্যাক্টরীর বর্জ্য ফেলা বন্ধ করেছি। এই খালের বিশেষ একটি অংশে থাকবে নৌকা। এখানে এসে যাতে এলাকার মানুষ কিছুটা হলেও বিনোদন পায় সে ব্যবস্থা করবো।


প্রিন্ট