ঢাকা ০৪:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ সংসদের অধিবেশন শুরু ইরা হত্যা মামলার রায় হচ্ছে না আজ, নতুন তারিখ ঘোষণা দুঃসময়ে বিবেকের পাশে ছিলেন অক্ষয়, যা বললেন অভিনেতা সাভারে হামলার প্রতিবাদে খুলনায় এনসিপির বিক্ষোভ স্যামসাংয়ের মুনাফা বৃদ্ধিতে আস্থা ফেরেনি, এশিয়ার শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রবণতায় দ. কোরিয়ার বাজারে পতন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকির সতর্কবার্তা ব্রাজিলের বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পরও আনচেলত্তির ওপরেই ভরসা ব্রাজিলের ইউক্রেন ও প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ নিয়ে শুরু ন্যাটো সম্মেলন রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

ইমরান ও ফজিলাতুন নেসা শপথ নিলেন

বিশেষ প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: মন্ত্রিসভার নতুন মন্ত্রী হিসেবে ইমরান আহমদ ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ফজিলাতুন নেসা শপথ নিয়েছেন। শনিবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ৩৮ মিনিটে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাদের শপথ পড়ান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইমরান আহমদকে মন্ত্রী ও ফজিলাতুন নেসাকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। শপথ নেয়ার দিন থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়।

নতুন একজন যুক্ত হওয়ায় এবং পুরোনো একজনের পদোন্নতির পর মন্ত্রিসভার আকার দাঁড়াবে মন্ত্রী ২৫ জন, প্রতিমন্ত্রী ১৯ জন ও উপমন্ত্রী তিনজন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের ছয় মাসের মাথায় সম্প্রসারিত হলো মন্ত্রিসভা। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত ৭ জানুয়ারি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ৪৬ সদস্যের ওই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৪ মন্ত্রী, ১৯ প্রতিমন্ত্রী ও তিনজন উপমন্ত্রী স্থান পান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে ছয় মন্ত্রণালয় রাখা হয়।

পরে গত ১৯ মে মন্ত্রিসভা পুনর্বিন্যাস করা হয়। তখন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়। এছাড়া ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে একই মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী করা হয়। এ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে।

একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানীয় সরকার বিভাগের মন্ত্রী করা হয় তাজুল ইসলামকে। তাকে আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও স্বপন ভট্টচার্যকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। একই মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন স্বপন ভট্টাচার্য।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ

ইমরান ও ফজিলাতুন নেসা শপথ নিলেন

আপডেট টাইম : ০৮:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০১৯

বিশেষ প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: মন্ত্রিসভার নতুন মন্ত্রী হিসেবে ইমরান আহমদ ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ফজিলাতুন নেসা শপথ নিয়েছেন। শনিবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ৩৮ মিনিটে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাদের শপথ পড়ান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইমরান আহমদকে মন্ত্রী ও ফজিলাতুন নেসাকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। শপথ নেয়ার দিন থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়।

নতুন একজন যুক্ত হওয়ায় এবং পুরোনো একজনের পদোন্নতির পর মন্ত্রিসভার আকার দাঁড়াবে মন্ত্রী ২৫ জন, প্রতিমন্ত্রী ১৯ জন ও উপমন্ত্রী তিনজন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের ছয় মাসের মাথায় সম্প্রসারিত হলো মন্ত্রিসভা। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত ৭ জানুয়ারি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ৪৬ সদস্যের ওই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৪ মন্ত্রী, ১৯ প্রতিমন্ত্রী ও তিনজন উপমন্ত্রী স্থান পান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে ছয় মন্ত্রণালয় রাখা হয়।

পরে গত ১৯ মে মন্ত্রিসভা পুনর্বিন্যাস করা হয়। তখন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়। এছাড়া ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে একই মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী করা হয়। এ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে।

একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানীয় সরকার বিভাগের মন্ত্রী করা হয় তাজুল ইসলামকে। তাকে আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও স্বপন ভট্টচার্যকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। একই মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন স্বপন ভট্টাচার্য।


প্রিন্ট