ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

উত্তরায় ছাত্রকে হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাসুদ পারভেজ (উত্তরা):উত্তরা থেকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র- জনতাকে হত্যা মামলার আরো তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তিদের মধ্যে এম শরীফ উদ্দন পিতার মৃত শফি উদ্দিন তাকে উত্তরা ৪ নং সেক্টর ২ নং রোডের ২৯ নং বাসা থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গ্রেফতার করেন। গত সোমবার এস এম তরিকুল ইসলামকে দক্ষিণখান ও ৫২ নং ওয়ার্ড শ্রমিকলীগের সভাপতি দিপুকে উত্তরা ১৪ নং সেক্টর থেকে মঙ্গলবার বিকালে গ্রেফতার করেন উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ।

জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাত ২ টায় উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর থেকে এম শরীফ উদ্দিন নামে আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতার করে হাজী ক্যাম্পে অবস্থিত সেনা ক্যাম্পের সেনা সদস্যরা। গ্রেফতারের পর সেনাবাহিনী তাকে উত্তরা পূর্ব থানায় হস্তান্তর করেন।

গ্রেফতার বিষয়টি নিশ্চিত করে উত্তরা পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহিববুলাহ্ বলেন, গতকাল দিবাগত রাত ২ টার দিকে এম শরীফ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে সেনাবাহিনী। তিনি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হত্যা মামলার আসামি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রাক্তন মেয়র আতিক, কাউন্সিলর যুবরাজ, কাউন্সিলর নাঈম সহ একাধিক আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। হত্যা মামলা পর থেকে গ্রেফতার এড়াতে সে নিজেকে বিএনপি পন্থী নেতা হিসাবে বিভিন্ন জায়গায় পরিচয় দেওয়া শুরু করে। রাজনীতির পালাবদলের সুযোগ নিয়ে উত্তরা ৪ নং সেক্টর কল্যাণ সমিতির অফিস সহ এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়িতে নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দিয়ে ভাঙচুর চালায় এবং দখলের অপচেষ্টা করে।

অপরদিকে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় আইন উপ-কমিটির অন্যতম সদস্য ব্যারিস্টার এস এম তারিকুল ইসলামকে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ গ্রেফতার করেন।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, সে উওরা পশ্চিম থানা হত্যা মামলার এজাহার ভুক্ত আসামী।

স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর পর তাদের দলীয় নেতা কর্মীরা আত্মগোপনে চলে যায়। কোটা সংস্কার আন্দোলনে

নিহতদের পরিবারের লোকজন উত্তরার বিভিন্ন থানায় ছাত্র-জনতার হত্যা মামলা করেন।

গত দুই- তিন সপ্তাহের যৌথ অভিযানে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী।

এ সময় উওরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, প্রভাবশালী এ আওয়ামী লীগ নেতা নিজ বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলো, সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাকে দক্ষিণখান চেয়ারম্যান বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

উত্তরায় ছাত্রকে হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

আপডেট টাইম : ১১:২৬:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪

মাসুদ পারভেজ (উত্তরা):উত্তরা থেকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র- জনতাকে হত্যা মামলার আরো তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তিদের মধ্যে এম শরীফ উদ্দন পিতার মৃত শফি উদ্দিন তাকে উত্তরা ৪ নং সেক্টর ২ নং রোডের ২৯ নং বাসা থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গ্রেফতার করেন। গত সোমবার এস এম তরিকুল ইসলামকে দক্ষিণখান ও ৫২ নং ওয়ার্ড শ্রমিকলীগের সভাপতি দিপুকে উত্তরা ১৪ নং সেক্টর থেকে মঙ্গলবার বিকালে গ্রেফতার করেন উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ।

জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাত ২ টায় উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর থেকে এম শরীফ উদ্দিন নামে আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতার করে হাজী ক্যাম্পে অবস্থিত সেনা ক্যাম্পের সেনা সদস্যরা। গ্রেফতারের পর সেনাবাহিনী তাকে উত্তরা পূর্ব থানায় হস্তান্তর করেন।

গ্রেফতার বিষয়টি নিশ্চিত করে উত্তরা পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহিববুলাহ্ বলেন, গতকাল দিবাগত রাত ২ টার দিকে এম শরীফ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে সেনাবাহিনী। তিনি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হত্যা মামলার আসামি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রাক্তন মেয়র আতিক, কাউন্সিলর যুবরাজ, কাউন্সিলর নাঈম সহ একাধিক আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। হত্যা মামলা পর থেকে গ্রেফতার এড়াতে সে নিজেকে বিএনপি পন্থী নেতা হিসাবে বিভিন্ন জায়গায় পরিচয় দেওয়া শুরু করে। রাজনীতির পালাবদলের সুযোগ নিয়ে উত্তরা ৪ নং সেক্টর কল্যাণ সমিতির অফিস সহ এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়িতে নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দিয়ে ভাঙচুর চালায় এবং দখলের অপচেষ্টা করে।

অপরদিকে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় আইন উপ-কমিটির অন্যতম সদস্য ব্যারিস্টার এস এম তারিকুল ইসলামকে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ গ্রেফতার করেন।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, সে উওরা পশ্চিম থানা হত্যা মামলার এজাহার ভুক্ত আসামী।

স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর পর তাদের দলীয় নেতা কর্মীরা আত্মগোপনে চলে যায়। কোটা সংস্কার আন্দোলনে

নিহতদের পরিবারের লোকজন উত্তরার বিভিন্ন থানায় ছাত্র-জনতার হত্যা মামলা করেন।

গত দুই- তিন সপ্তাহের যৌথ অভিযানে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী।

এ সময় উওরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, প্রভাবশালী এ আওয়ামী লীগ নেতা নিজ বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলো, সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাকে দক্ষিণখান চেয়ারম্যান বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


প্রিন্ট