ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

খাদ্য মজুদদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জোরদার করা হবে : খাদ্য উপদেষ্টা

সিটিজেন প্রতিবেদকঃ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, খাদ্য মজুদদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চলমান আছে এবং এটা জোরদার করা হবে। তিনি বলেন, আমনে কিছুটা ফসলহানি হয়েছে। সেটা মোকাবেলায় কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, আমি সেটা অবগত হলাম। আমরা মনে হয় সঠিক পথেই আছি।সেই গতি আরো বাড়বে।সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ের নিজ দপ্তরের উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

কৃত্রিম খাদ্য সংকটের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, সেটা যেন না হতে পারে, আমাদের মন্ত্রণালয়ের কাজ আছে। আমরা খাদ্য মজুত করে মার্কেটে ইনজেক্ট করি যেন প্রাইস ঠিক থাকে। ওএমএসের মাধ্যমে আমরা যখন বিক্রি করছি তখন মার্কেটের ওপর চাপ কমছে। মজুতদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যবস্থা আছে। এগুলো চলমান আছে এবং জোরদার করা হবে।

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, গত দুই-তিন দিনে চালের দাম বাড়েনি, এর আগে কিছুটা বেড়েছিল। আমন ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে। উত্তরাঞ্চল আমাদের ফুড বাস্কেট। উত্তরাঞ্চলে আমন ধান নিরাপদে তুলতে পারলে, খাদ্য সংকট হবে না।

তিনি বলেন, আমনে কিছুটা ফসলহানি হয়েছে। সেটা মোকাবিলায় কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, আমি সেটা অবগত হলাম। আমার মনে হয় সঠিক পথেই আছি। সেই গতি আরও বাড়বে।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, আমাদের ফসল প্রকৃতি নির্ভর। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর, আবার ২০০৭ সালের নভেম্বরে সিডর হয়েছিল। আমরা দোয়া করি যেন বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয়। তাহলে আশা করছি আমনে ফসলহানি হয়েছে, সেটা কাটিয়ে উঠতে পারব। এটা পূরণের জন্য বিদেশ থেকেও আমদানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেগুলো পাইপলাইনে আছে।

আপনার কাজে কোনো অগ্রাধিকার থাকবে কি না– জানতে চাইলে আলী ইমাম মজুমদার বলেন, আপনার পকেটে ১০ হাজার টাকা থাকতে পারে কিন্তু খাদ্য না থাকলে আপনি দুই দিনও বাঁচবেন না, মরে যাবেন। কৃষক ফসল ফলায়, তাদের সবচেয়ে বড় অবদান। বেসরকারি খাত খাদ্যশস্য আমদানি করে, এটাকেও আমরা উৎসাহিত করি। কিছু ঘাটতি মোকাবিলায় সরকারিভাবে আমদানি করে মজুত রাখা হয়। পরে যেন আমরা মার্কেটে ইনজেক্ট করতে পারি। বেসরকারিভাবে খাদ্য আমদানিতে সব ট্যাক্স উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারিভাবেও আমদানির জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিছু শিপমেন্টও আছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ

খাদ্য মজুদদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জোরদার করা হবে : খাদ্য উপদেষ্টা

আপডেট টাইম : ০৩:৪৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০২৪

সিটিজেন প্রতিবেদকঃ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, খাদ্য মজুদদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চলমান আছে এবং এটা জোরদার করা হবে। তিনি বলেন, আমনে কিছুটা ফসলহানি হয়েছে। সেটা মোকাবেলায় কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, আমি সেটা অবগত হলাম। আমরা মনে হয় সঠিক পথেই আছি।সেই গতি আরো বাড়বে।সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ের নিজ দপ্তরের উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

কৃত্রিম খাদ্য সংকটের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, সেটা যেন না হতে পারে, আমাদের মন্ত্রণালয়ের কাজ আছে। আমরা খাদ্য মজুত করে মার্কেটে ইনজেক্ট করি যেন প্রাইস ঠিক থাকে। ওএমএসের মাধ্যমে আমরা যখন বিক্রি করছি তখন মার্কেটের ওপর চাপ কমছে। মজুতদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যবস্থা আছে। এগুলো চলমান আছে এবং জোরদার করা হবে।

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, গত দুই-তিন দিনে চালের দাম বাড়েনি, এর আগে কিছুটা বেড়েছিল। আমন ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে। উত্তরাঞ্চল আমাদের ফুড বাস্কেট। উত্তরাঞ্চলে আমন ধান নিরাপদে তুলতে পারলে, খাদ্য সংকট হবে না।

তিনি বলেন, আমনে কিছুটা ফসলহানি হয়েছে। সেটা মোকাবিলায় কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, আমি সেটা অবগত হলাম। আমার মনে হয় সঠিক পথেই আছি। সেই গতি আরও বাড়বে।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, আমাদের ফসল প্রকৃতি নির্ভর। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর, আবার ২০০৭ সালের নভেম্বরে সিডর হয়েছিল। আমরা দোয়া করি যেন বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয়। তাহলে আশা করছি আমনে ফসলহানি হয়েছে, সেটা কাটিয়ে উঠতে পারব। এটা পূরণের জন্য বিদেশ থেকেও আমদানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেগুলো পাইপলাইনে আছে।

আপনার কাজে কোনো অগ্রাধিকার থাকবে কি না– জানতে চাইলে আলী ইমাম মজুমদার বলেন, আপনার পকেটে ১০ হাজার টাকা থাকতে পারে কিন্তু খাদ্য না থাকলে আপনি দুই দিনও বাঁচবেন না, মরে যাবেন। কৃষক ফসল ফলায়, তাদের সবচেয়ে বড় অবদান। বেসরকারি খাত খাদ্যশস্য আমদানি করে, এটাকেও আমরা উৎসাহিত করি। কিছু ঘাটতি মোকাবিলায় সরকারিভাবে আমদানি করে মজুত রাখা হয়। পরে যেন আমরা মার্কেটে ইনজেক্ট করতে পারি। বেসরকারিভাবে খাদ্য আমদানিতে সব ট্যাক্স উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারিভাবেও আমদানির জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিছু শিপমেন্টও আছে।


প্রিন্ট