ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্কে আ.লীগের দুর্বৃত্তায়ন নিচে চাপা পড়ছে : মির্জা ফখরুল

সিটিজেন প্রতিবেদকঃ রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্কে আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তায়ন নিচে চাপা পড়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদ্যুৎ খাতের ‘ব্যাপক দুর্নীতি’ নিয়ে আয়োজন করা হয় এই সংবাদ সম্মেলন।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিদ্যুৎ খাতে ম্যাজিক দেখাতে গিয়ে আওয়ামী লীগ বিদ্যুৎ দেওয়ার নাম করে মানুষের পকেট কেটে নিয়ে গেছে। মানুষকে সর্বস্বান্ত করেছে। এগুলো এখন বৈদেশিক মুদ্রায় পেমেন্ট করতে হচ্ছে। যার ফলে, ২০২৭ সালের পরে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার ভয়াবহ সংকট দেখা দেবে। তার মূল কারণ হবে বিদ্যুৎ।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎখাতে রাজনৈতিক দুর্নীতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বজনপ্রীতি, নিয়মবূর্হিভূত করার কারণে বিশাল পরিমাণে দুর্নীতি হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতটা তারা (আওয়ামী লীগ) ব্যবসার খাত বানিয়েছিলেন। তারা বুঝতে পেরেছেন কোনো হিসাব না দিয়ে এই খান থেকে দ্রুত টাকা বানানো যায়। কারণ বিদ্যুৎ তো হাওয়া, এটা তো দেখা যায় না। ক্যাপাসিটি চার্জ, এখন কোনো মেশিনের ক্যাপাসিটি চার্জ কত সেটা কে নির্ণয় করবে? সুতরাং এই ক্যাপাসিটি চার্জের নামে অনেক টাকা বের করে নিয়ে গেছে আওয়ামী লীগ। তাদের দুর্নীতির বোঝা এখন জনগণকে বহন করতে হচ্ছে। এই বিদ্যুৎ উন্নয়ন টেকসই নয় এবং যেকোনো সময় মুখ থুবড়ে পড়বে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হওয়া বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সব চুক্তি জনগণের কাছে উন্মুক্ত করা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম কাজ বলে উল্লেখ করে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিদ্যুৎ তো টেন্ডার ছাড়া কেনা হয়েছে।  সুতরাং জনগণের তো জানা উচিত, তাদের টাকায় টেন্ডার ছাড়া কি ক্রয় করেছো।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্কে আ.লীগের দুর্বৃত্তায়ন নিচে চাপা পড়ছে : মির্জা ফখরুল

আপডেট টাইম : ০৩:০২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫

সিটিজেন প্রতিবেদকঃ রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্কে আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তায়ন নিচে চাপা পড়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদ্যুৎ খাতের ‘ব্যাপক দুর্নীতি’ নিয়ে আয়োজন করা হয় এই সংবাদ সম্মেলন।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিদ্যুৎ খাতে ম্যাজিক দেখাতে গিয়ে আওয়ামী লীগ বিদ্যুৎ দেওয়ার নাম করে মানুষের পকেট কেটে নিয়ে গেছে। মানুষকে সর্বস্বান্ত করেছে। এগুলো এখন বৈদেশিক মুদ্রায় পেমেন্ট করতে হচ্ছে। যার ফলে, ২০২৭ সালের পরে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার ভয়াবহ সংকট দেখা দেবে। তার মূল কারণ হবে বিদ্যুৎ।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎখাতে রাজনৈতিক দুর্নীতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বজনপ্রীতি, নিয়মবূর্হিভূত করার কারণে বিশাল পরিমাণে দুর্নীতি হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতটা তারা (আওয়ামী লীগ) ব্যবসার খাত বানিয়েছিলেন। তারা বুঝতে পেরেছেন কোনো হিসাব না দিয়ে এই খান থেকে দ্রুত টাকা বানানো যায়। কারণ বিদ্যুৎ তো হাওয়া, এটা তো দেখা যায় না। ক্যাপাসিটি চার্জ, এখন কোনো মেশিনের ক্যাপাসিটি চার্জ কত সেটা কে নির্ণয় করবে? সুতরাং এই ক্যাপাসিটি চার্জের নামে অনেক টাকা বের করে নিয়ে গেছে আওয়ামী লীগ। তাদের দুর্নীতির বোঝা এখন জনগণকে বহন করতে হচ্ছে। এই বিদ্যুৎ উন্নয়ন টেকসই নয় এবং যেকোনো সময় মুখ থুবড়ে পড়বে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হওয়া বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সব চুক্তি জনগণের কাছে উন্মুক্ত করা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম কাজ বলে উল্লেখ করে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিদ্যুৎ তো টেন্ডার ছাড়া কেনা হয়েছে।  সুতরাং জনগণের তো জানা উচিত, তাদের টাকায় টেন্ডার ছাড়া কি ক্রয় করেছো।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট