ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

রাজনৈতিক দলগুলোকে ছাড় দিতে হবে : আলী রীয়াজ

সিটিজেন প্রতিবেদক: মৌলিক বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্যে আসার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে ছাড় দিতে হবে বলে মনে করেন ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ভিন্ন অবস্থান থাকা সত্ত্বেও কিছু মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্যে আসতে হবে। আর এসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ছাড় দিবেন। তাদের কাছ থেকে কমিশন এটাই প্রত্যাশা করে।

বুধবার (৭ মে) জাতীয় সংসদ ভবনের এল. ডি হলে নাগরিক ঐক্যের বর্ধিত আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

আলোচনায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সনদ তৈরির জন্য সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন উল্লেখ করে অধ্যাপক রীয়াজ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ভিন্ন অবস্থান থাকা সত্ত্বেও কিছু মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্যে আসতে হবে। আর এসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ছাড় দিবেন। তাদের কাছ থেকে কমিশন এটাই প্রত্যাশা করে।

তিনি বলেন, কমিশন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করছে, তবে শুধু কমিশনের আলোচনায় যথেষ্ট নয়। রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের সহযোগী ও প্রতিপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে জাতীয় সনদ তৈরির লক্ষ্যে একমত হতে হবে।

নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সারের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের হয়ে মোফাখখারুল ইসলাম নবাব, মঞ্জুর কাদির, শাহনাজ রানু, ফেরদৌসী আক্তার সুমি এবং সাকিব আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন।

সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কমিশন কার্যক্রম শুরু করে। প্রথম পর্যায়ে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার, জনপ্রশাসন সংস্কার, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, বিচার বিভাগ সংস্কার এবং দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখিত সুপারিশগুলো নিয়ে মতামত চাওয়া হয়।

এ পর্যন্ত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩৫টি দলের মতামত পেয়েছে কমিশন। সংস্কার কমিশনের সুপারিশ চূড়ান্ত করতে গত ২০ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ইতোমধ্যে নাগরিক ঐক্যসহ ২৫টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শেষ করেছে কমিশন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ

রাজনৈতিক দলগুলোকে ছাড় দিতে হবে : আলী রীয়াজ

আপডেট টাইম : ০৩:৪৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

সিটিজেন প্রতিবেদক: মৌলিক বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্যে আসার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে ছাড় দিতে হবে বলে মনে করেন ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ভিন্ন অবস্থান থাকা সত্ত্বেও কিছু মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্যে আসতে হবে। আর এসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ছাড় দিবেন। তাদের কাছ থেকে কমিশন এটাই প্রত্যাশা করে।

বুধবার (৭ মে) জাতীয় সংসদ ভবনের এল. ডি হলে নাগরিক ঐক্যের বর্ধিত আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

আলোচনায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সনদ তৈরির জন্য সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন উল্লেখ করে অধ্যাপক রীয়াজ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ভিন্ন অবস্থান থাকা সত্ত্বেও কিছু মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্যে আসতে হবে। আর এসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ছাড় দিবেন। তাদের কাছ থেকে কমিশন এটাই প্রত্যাশা করে।

তিনি বলেন, কমিশন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করছে, তবে শুধু কমিশনের আলোচনায় যথেষ্ট নয়। রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের সহযোগী ও প্রতিপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে জাতীয় সনদ তৈরির লক্ষ্যে একমত হতে হবে।

নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সারের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের হয়ে মোফাখখারুল ইসলাম নবাব, মঞ্জুর কাদির, শাহনাজ রানু, ফেরদৌসী আক্তার সুমি এবং সাকিব আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন।

সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কমিশন কার্যক্রম শুরু করে। প্রথম পর্যায়ে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার, জনপ্রশাসন সংস্কার, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, বিচার বিভাগ সংস্কার এবং দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখিত সুপারিশগুলো নিয়ে মতামত চাওয়া হয়।

এ পর্যন্ত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩৫টি দলের মতামত পেয়েছে কমিশন। সংস্কার কমিশনের সুপারিশ চূড়ান্ত করতে গত ২০ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ইতোমধ্যে নাগরিক ঐক্যসহ ২৫টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শেষ করেছে কমিশন।


প্রিন্ট