ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেল ও গ্যাসে আরও বিনিয়োগের প্রয়োজন হতে পারে: আইইএ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বর্তমান উৎপাদন স্তর বজায় রাখতে নতুন তেল ও গ্যাস প্রকল্প প্রয়োজন হতে পারে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)।

আজ মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)।

চাহিদা হ্রাসের পূর্বাভাস নিয়ে সংস্থাটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে প্রকাশ্য বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা এক প্রতিবেদনে বলেছে, ১৫ হাজার তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রের বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে উৎপাদন অতীতের তুলনায় দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে, বাজার ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর যার প্রভাব রয়েছে।

প্যারিসভিত্তিক এ সংস্থা প্রতিবছর জ্বালানি প্রবণতা নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করে। দশকের শেষ নাগাদ তেলের চাহিদা সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছাবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। এতে ভবিষ্যতের বিনিয়োগের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়বে।

গত কয়েক মাস ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সমালোচনার মুখেও পড়েছে সংস্থাটি। জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট জুলাই মাসে হুমকি দিয়েছেন যে যদি তারা তাদের কার্যক্রমের সংস্কার না করে, তাহলে তারা আইইএ থেকে বেরিয়ে আসবে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, অফশোর ও ফ্র্যাকিং ক্ষেত্রের কম উৎপাদনশীলতার কারণে ক্ষেত্রগুলোতে দ্রুত উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে।

আইইএ প্রধান ফাতিহ বিরল এক বিবৃতিতে বলেন, বাজারের ভারসাম্য জ্বালানি নিরাপত্তা ও নির্গমনের সম্ভাব্য পরিণতির দিকে সতর্ক দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।

আইইএ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে সময়ের সাথে সাথে বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস উৎপাদন স্থিতিশীল রাখতে নতুন সম্পদের উন্নয়ন অপরিহার্য।

সংস্থাটি আরও জানায়, অনুমোদিত ও চলমান প্রকল্পগুলো বিবেচনায় নিলেও একটি বড় ঘাটতি থেকে যাবে। যা পূরণে নতুন প্রচলিত তেল ও গ্যাস প্রকল্প লাগবে।

সূত্র : এএফপি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তেল ও গ্যাসে আরও বিনিয়োগের প্রয়োজন হতে পারে: আইইএ

আপডেট টাইম : ০৭:২৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বর্তমান উৎপাদন স্তর বজায় রাখতে নতুন তেল ও গ্যাস প্রকল্প প্রয়োজন হতে পারে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)।

আজ মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)।

চাহিদা হ্রাসের পূর্বাভাস নিয়ে সংস্থাটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে প্রকাশ্য বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা এক প্রতিবেদনে বলেছে, ১৫ হাজার তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রের বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে উৎপাদন অতীতের তুলনায় দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে, বাজার ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর যার প্রভাব রয়েছে।

প্যারিসভিত্তিক এ সংস্থা প্রতিবছর জ্বালানি প্রবণতা নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করে। দশকের শেষ নাগাদ তেলের চাহিদা সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছাবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। এতে ভবিষ্যতের বিনিয়োগের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়বে।

গত কয়েক মাস ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সমালোচনার মুখেও পড়েছে সংস্থাটি। জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট জুলাই মাসে হুমকি দিয়েছেন যে যদি তারা তাদের কার্যক্রমের সংস্কার না করে, তাহলে তারা আইইএ থেকে বেরিয়ে আসবে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, অফশোর ও ফ্র্যাকিং ক্ষেত্রের কম উৎপাদনশীলতার কারণে ক্ষেত্রগুলোতে দ্রুত উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে।

আইইএ প্রধান ফাতিহ বিরল এক বিবৃতিতে বলেন, বাজারের ভারসাম্য জ্বালানি নিরাপত্তা ও নির্গমনের সম্ভাব্য পরিণতির দিকে সতর্ক দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।

আইইএ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে সময়ের সাথে সাথে বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস উৎপাদন স্থিতিশীল রাখতে নতুন সম্পদের উন্নয়ন অপরিহার্য।

সংস্থাটি আরও জানায়, অনুমোদিত ও চলমান প্রকল্পগুলো বিবেচনায় নিলেও একটি বড় ঘাটতি থেকে যাবে। যা পূরণে নতুন প্রচলিত তেল ও গ্যাস প্রকল্প লাগবে।

সূত্র : এএফপি।


প্রিন্ট