ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িতদের নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বুরকিনা ফাসো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পশ্চিমাবিরোধী সামরিক জান্তা শাসিত বুরকিনা ফাসো যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত হওয়া লোকজনকে গ্রহণ করতে স্পষ্টভাবে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

দেশটি জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থানেরই প্রতিফলন। ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র অভিবাসন দমনে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে এমন অভিবাসীদের বহিষ্কার করা হচ্ছে, যাদের নিজ দেশ বা অঞ্চলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই।

সম্প্রতি আফ্রিকার দেশ ইসোয়াতিনি, ঘানা, রুয়ান্ডা এবং দক্ষিণ সুদান যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত লোকজনকে গ্রহণ করেছে।

তবে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে বুরকিনা ফাসোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী কারামোকো জিন-মেরি ট্রাওরে জাতীয় টেলিভিশনে বলেন, তারা ওয়াশিংটনের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই, এই প্রস্তাবটিকে আমরা অশোভন ও মর্যাদাহানিকর মনে করছি। এটি আমাদের মর্যাদার নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।’

এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে দেশটির রাজধানী ওয়াগাদুগুতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ঘোষণা করে যে, বুরকিনা ফাসোর নাগরিকদের জন্য নিয়মিত ভিসা পরিষেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

এর ফলে বুরকিনাবি নাগরিকদের এখন থেকে প্রতিবেশী দেশ টোগোর রাজধানী লোমে গিয়ে ভিসা সংক্রান্ত কাজ সারতে হবে।

জ্যাঁ-মারি ট্রাওরে প্রশ্ন রাখেন, ‘এটা কি আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করার একটা উপায়? এটা কি ব্ল্যাকমেইল? যাই হোক না কেন, বুরকিনা ফাসো হলো মর্যাদার দেশ, একটি গন্তব্য, বহিষ্কারের জায়গা নয়।’

বুরকিনা ফাসোর শাসক ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওরে, নিজেকে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী একজন প্যান-আফ্রিকান শক্তিশালী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই তিনি তার সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ফ্রান্স এবং বৃহত্তর পশ্চিমা বিশ্বকে এড়িয়ে চলেছেন। এর পরিবর্তে তিনি রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িতদের নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বুরকিনা ফাসো

আপডেট টাইম : ০৭:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পশ্চিমাবিরোধী সামরিক জান্তা শাসিত বুরকিনা ফাসো যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত হওয়া লোকজনকে গ্রহণ করতে স্পষ্টভাবে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

দেশটি জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থানেরই প্রতিফলন। ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র অভিবাসন দমনে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে এমন অভিবাসীদের বহিষ্কার করা হচ্ছে, যাদের নিজ দেশ বা অঞ্চলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই।

সম্প্রতি আফ্রিকার দেশ ইসোয়াতিনি, ঘানা, রুয়ান্ডা এবং দক্ষিণ সুদান যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত লোকজনকে গ্রহণ করেছে।

তবে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে বুরকিনা ফাসোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী কারামোকো জিন-মেরি ট্রাওরে জাতীয় টেলিভিশনে বলেন, তারা ওয়াশিংটনের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই, এই প্রস্তাবটিকে আমরা অশোভন ও মর্যাদাহানিকর মনে করছি। এটি আমাদের মর্যাদার নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।’

এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে দেশটির রাজধানী ওয়াগাদুগুতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ঘোষণা করে যে, বুরকিনা ফাসোর নাগরিকদের জন্য নিয়মিত ভিসা পরিষেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

এর ফলে বুরকিনাবি নাগরিকদের এখন থেকে প্রতিবেশী দেশ টোগোর রাজধানী লোমে গিয়ে ভিসা সংক্রান্ত কাজ সারতে হবে।

জ্যাঁ-মারি ট্রাওরে প্রশ্ন রাখেন, ‘এটা কি আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করার একটা উপায়? এটা কি ব্ল্যাকমেইল? যাই হোক না কেন, বুরকিনা ফাসো হলো মর্যাদার দেশ, একটি গন্তব্য, বহিষ্কারের জায়গা নয়।’

বুরকিনা ফাসোর শাসক ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওরে, নিজেকে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী একজন প্যান-আফ্রিকান শক্তিশালী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই তিনি তার সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ফ্রান্স এবং বৃহত্তর পশ্চিমা বিশ্বকে এড়িয়ে চলেছেন। এর পরিবর্তে তিনি রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন।


প্রিন্ট