ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ সংসদের অধিবেশন শুরু ইরা হত্যা মামলার রায় হচ্ছে না আজ, নতুন তারিখ ঘোষণা দুঃসময়ে বিবেকের পাশে ছিলেন অক্ষয়, যা বললেন অভিনেতা সাভারে হামলার প্রতিবাদে খুলনায় এনসিপির বিক্ষোভ স্যামসাংয়ের মুনাফা বৃদ্ধিতে আস্থা ফেরেনি, এশিয়ার শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রবণতায় দ. কোরিয়ার বাজারে পতন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকির সতর্কবার্তা ব্রাজিলের বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পরও আনচেলত্তির ওপরেই ভরসা ব্রাজিলের ইউক্রেন ও প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ নিয়ে শুরু ন্যাটো সম্মেলন রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

কুড়িগ্রামের ৪ আসনেই জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থীদের বিপুল ভাবে জয় লাভ –

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ

 

 

উত্তর-পশ্চিম সীমান্তবর্তী জেলা কুড়িগ্রামের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে চারটিতেই বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ঐক্যজোট সমর্থিত প্রার্থীরা। ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কুড়িগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে এই বিপুল ব্যবধানের জয় লাভ করেছেন।

কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী-ভূরুঙ্গামারী) আনোয়ারুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের সাইফুর রহমান রানা পেয়েছেন ১ লাখ ১৭হাজার ৩৬৫ ভোট। ১৭ হাজার ২৮৩ ভোটের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী।

কুড়িগ্রাম-২ (সদর-ফুলবাড়ী-রাজারহাট) এ আসনে শাপলা কলি প্রতীকের ডা. আতিক মুজাহিদ পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৯ ভোট। অপর দিকে ধানের শীষের সোহেল হাসনাইন কায়কোবাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৯ ভোট। ৯ হাজার ৫৩০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শাপলা কলি প্রার্থী।

কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাহবুবুল আলম সালেহী ১ লাখ ৫ হাজার ১৯৪ ভোট পেয়ে বিপুল জয় লাভ করেছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের তাসভীর উল ২৬ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়েছেন।

 

কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মোস্তাফিজুর রহমান ৯১ হাজার ৪১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের আজিজুর রহমান পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৩৫ ভোট। এ আসনে জয়ের ব্যবধান ২০ হাজার ৭৯ ভোট।

উল্লেখ্য, কুড়িগ্রামের চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে দাঁড়িপাল্লা এবং একটিতে শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী জয় লাভ করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিপুল ব্যবধানের জয় প্রমাণ করে জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থীরা। এ অঞ্চলের উন্নয়ন ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নতুন এই প্রতিনিধিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে ধারণা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ

কুড়িগ্রামের ৪ আসনেই জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থীদের বিপুল ভাবে জয় লাভ –

আপডেট টাইম : ০৪:৩৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ

 

 

উত্তর-পশ্চিম সীমান্তবর্তী জেলা কুড়িগ্রামের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে চারটিতেই বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ঐক্যজোট সমর্থিত প্রার্থীরা। ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কুড়িগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে এই বিপুল ব্যবধানের জয় লাভ করেছেন।

কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী-ভূরুঙ্গামারী) আনোয়ারুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের সাইফুর রহমান রানা পেয়েছেন ১ লাখ ১৭হাজার ৩৬৫ ভোট। ১৭ হাজার ২৮৩ ভোটের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী।

কুড়িগ্রাম-২ (সদর-ফুলবাড়ী-রাজারহাট) এ আসনে শাপলা কলি প্রতীকের ডা. আতিক মুজাহিদ পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৯ ভোট। অপর দিকে ধানের শীষের সোহেল হাসনাইন কায়কোবাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৯ ভোট। ৯ হাজার ৫৩০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শাপলা কলি প্রার্থী।

কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাহবুবুল আলম সালেহী ১ লাখ ৫ হাজার ১৯৪ ভোট পেয়ে বিপুল জয় লাভ করেছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের তাসভীর উল ২৬ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়েছেন।

 

কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মোস্তাফিজুর রহমান ৯১ হাজার ৪১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের আজিজুর রহমান পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৩৫ ভোট। এ আসনে জয়ের ব্যবধান ২০ হাজার ৭৯ ভোট।

উল্লেখ্য, কুড়িগ্রামের চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে দাঁড়িপাল্লা এবং একটিতে শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী জয় লাভ করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিপুল ব্যবধানের জয় প্রমাণ করে জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থীরা। এ অঞ্চলের উন্নয়ন ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নতুন এই প্রতিনিধিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে ধারণা।


প্রিন্ট