ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরমাণু উপাদান পাচারের দায়ে জাপানি ইয়াকুজা সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

জাপানের অপরাধী চক্র ‘ইয়াকুজা’র এক সদস্যকে পারমাণু উপাদান, মাদক ও অস্ত্র পাচারের দায়ে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন নিউইয়র্কের একটি আদালত। মঙ্গলবার আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

দণ্ডপ্রাপ্ত ৬১ বছর বয়সি তাকেশি এবিসাওয়া ২০২২ সালের এপ্রিলে মাদক ও অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হন। তার সঙ্গে সোমফপ সিনহাসিরি নামে এক থাই নাগরিকও আটক হন। মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিইএ)’র দীর্ঘ তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার বিরুদ্ধে সামরিক মানের পরমাণু উপাদান বিক্রির চেষ্টা করার অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগে বলা হয়, তিনি হেরোইন ও মেথঅ্যামফেটামিনসহ বিভিন্ন মাদক বিক্রির অর্থ দিয়ে অস্ত্র কিনতে চেয়েছিলেন। এর মধ্যে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও ছিল। এসব অস্ত্র মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জন্য কেনার পরিকল্পনা ছিল বলে জানানো হয়।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা মোট ছয়টি অভিযোগ স্বীকার করেন।

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জন আইজেনবার্গ বলেন, ‘ইরানের কাছে অস্ত্র তৈরির উপযোগী প্লুটোনিয়াম বিক্রি এবং নিউইয়র্কে প্রাণঘাতী মাদক ছড়িয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য তাকেশি এবিসাওয়াকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পরমাণু উপাদান পাচারের দায়ে জাপানি ইয়াকুজা সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট টাইম : ১১:২০:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

জাপানের অপরাধী চক্র ‘ইয়াকুজা’র এক সদস্যকে পারমাণু উপাদান, মাদক ও অস্ত্র পাচারের দায়ে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন নিউইয়র্কের একটি আদালত। মঙ্গলবার আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

দণ্ডপ্রাপ্ত ৬১ বছর বয়সি তাকেশি এবিসাওয়া ২০২২ সালের এপ্রিলে মাদক ও অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হন। তার সঙ্গে সোমফপ সিনহাসিরি নামে এক থাই নাগরিকও আটক হন। মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিইএ)’র দীর্ঘ তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার বিরুদ্ধে সামরিক মানের পরমাণু উপাদান বিক্রির চেষ্টা করার অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগে বলা হয়, তিনি হেরোইন ও মেথঅ্যামফেটামিনসহ বিভিন্ন মাদক বিক্রির অর্থ দিয়ে অস্ত্র কিনতে চেয়েছিলেন। এর মধ্যে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও ছিল। এসব অস্ত্র মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জন্য কেনার পরিকল্পনা ছিল বলে জানানো হয়।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা মোট ছয়টি অভিযোগ স্বীকার করেন।

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জন আইজেনবার্গ বলেন, ‘ইরানের কাছে অস্ত্র তৈরির উপযোগী প্লুটোনিয়াম বিক্রি এবং নিউইয়র্কে প্রাণঘাতী মাদক ছড়িয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য তাকেশি এবিসাওয়াকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে।’


প্রিন্ট