ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ সংসদের অধিবেশন শুরু ইরা হত্যা মামলার রায় হচ্ছে না আজ, নতুন তারিখ ঘোষণা দুঃসময়ে বিবেকের পাশে ছিলেন অক্ষয়, যা বললেন অভিনেতা সাভারে হামলার প্রতিবাদে খুলনায় এনসিপির বিক্ষোভ স্যামসাংয়ের মুনাফা বৃদ্ধিতে আস্থা ফেরেনি, এশিয়ার শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রবণতায় দ. কোরিয়ার বাজারে পতন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকির সতর্কবার্তা ব্রাজিলের বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পরও আনচেলত্তির ওপরেই ভরসা ব্রাজিলের ইউক্রেন ও প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ নিয়ে শুরু ন্যাটো সম্মেলন রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

পরিবর্তন আনতে,প্রধানমন্ত্রী ব্রিগেড সমাবেশ এর প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে

১৩ই মার্চ শুক্রবার , কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে, প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ কে কেন্দ্র করে চলছে জোড় কদমে প্রস্তুতির কাজ সমপন্ন হয়েছে।  ২০২৬-এ বাংলায় পরিবর্তন আনতে ভোটের আগে এই বিশাল সমাবেশ। আজ অর্থাৎ ১৪ ই মার্চ ঠিক দুপুর বারোটায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সমাবেশে উপস্থিত হবেন। এবং পরিবর্তনের বার্তা দেবেন।

আজকের প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন, ‌ সুকান্ত মজুমদার, মঙ্গল পান্ডে, সুনীল বানসাল, লকেট চ্যাটার্জি, অভিনেতা সুমনসহ বিজেপি কর্মীবৃন্দরা।

একদিকে যেমন সকাল থেকেই চলছে সবার তোড়জোড়, অন্যদিকে পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে উর্ধ্ববর্তন অফিসাররা মঞ্চ ও মাঠ পরিদর্শন করছেন, এমনকি বোম স্কোয়াডের অফিসাররা কুকুর নিয়ে মঞ্চ পরিদর্শন করছেন যাহাতে কোনো রকম দুর্ঘটনা না ঘটে, তাই প্রধানমন্ত্রী আসার আগেই যাবতীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

২০২৬ এর ভোটকে সামনে রেখে, এবং বাংলায় পরিবর্তন আনতে, কি আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ কোন পথে চালিত হবে তার বার্তা দিতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী কাল উপস্থিত হচ্ছেন।

রাজ্য সরকারি চরম অসহযোগিতা ও বই রিটা সত্বেও আজ পশ্চিমবঙ্গে 5 কোটি মানুষ কেন্দ্রীয় জল,- ধন যোজনার মাধ্যমে ব্যাংকিং পরিষেবার আওতাভুক্ত হয়েছেন, স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যে ৮০ লক্ষ শৌচালয় নির্মাণ সম্ভব করেছি, রাজ্যের শাসকদল যখন দরিদ্র মানুষের অন্য সংস্থান কেড়ে নিচ্ছে ,তখন আমরা ছোট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের ২. ৮২ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। অটল পেনশন যোজনায় ৫৬ লক্ষ প্রবীর নাগরিককে বার্ধক্যকে স্বনির্ভর করতে পেরে আমরা কৃতার্থ, উজ্জ্বল যোজনার মাধ্যমে ১ কোটির বেশি পরিবারে রান্নার গ্যাস সংযোগ পৌঁছে দিয়ে, মা-বোনেদের ধোঁয়ার জ্বালা থেকে মুক্তি দিতে পেরে আমরা ধন্য হয়েছি।, অন্নদাতাদের সারা দেশের ক্ষুধা নিবারণ করেন। এছাড়াও কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পে সরাসরি আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে 32 লক্ষের বেশি কৃষক ভাইদের মুখে হাসি ফোটাতে পেরেছি।।

একদিন এই পশ্চিমবাংলায় ছিল দেশের অর্থনীতির দিশারী, শিল্পায়নের অগ্রদূত, পশ্চিমবঙ্গের এই রুগ্ন জোড়া জীর্ণ দশা দেখে আমাদের হৃদয় ব্যথীত, শুধু তাই নয়, স্বামী বিবেকানন্দ ও ঋষি অরবিন্দের মতো যুগপুরুষরা যে পশ্চিমবঙ্গের স্বপ্ন দেখেছিলেন তা আজ ভোট ব্যাংকের সংকীর্ণ রাজনীতি। হিংসা নৈরাজ্যে জর্জরিত। পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে যা অত্যন্ত পীড়াদায়ক, আজ সেই পূর্ণভূমিতেই অবৈধ অনুপ্রবেশ ও নারী নির্যাতনে কলঙ্কিত,
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোনার বাংলায় আজ পুরো ভোটারের দাপট।

এই সকল আমরা আর বেশি দিন সহ্য করব না তাই বাংলায় পরিবর্তন আনতেই মানুষকে বার্তা দিতেই নরেন্দ্র মোদি জি এই সভায় উপস্থিত হচ্ছেন, আগামীকাল এখান থেকেই পরিবর্তনের বার্তা দিয়ে যাবেন, সকল নৈরাজ্যকে দূরে ঠেলে নতুন আলোর দিশা দেখাবেন। ২০২৬-এ পরিবর্তন হলে বাংলায় জ্বলে উঠবে নতুন আলো, হবে নারী সুরক্ষা,ঘুচবে মানুষের জ্বালা যন্ত্রণা, মিটবে বিকারু শিক্ষিতদের সমস্যা, তাই সবাই আসুন বিগেট সমাবেশে নির্ভয়ে, আমরা আছি সবাই আপনাদের পাশে।।

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ

পরিবর্তন আনতে,প্রধানমন্ত্রী ব্রিগেড সমাবেশ এর প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে

আপডেট টাইম : ১১:১৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

১৩ই মার্চ শুক্রবার , কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে, প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ কে কেন্দ্র করে চলছে জোড় কদমে প্রস্তুতির কাজ সমপন্ন হয়েছে।  ২০২৬-এ বাংলায় পরিবর্তন আনতে ভোটের আগে এই বিশাল সমাবেশ। আজ অর্থাৎ ১৪ ই মার্চ ঠিক দুপুর বারোটায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সমাবেশে উপস্থিত হবেন। এবং পরিবর্তনের বার্তা দেবেন।

আজকের প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন, ‌ সুকান্ত মজুমদার, মঙ্গল পান্ডে, সুনীল বানসাল, লকেট চ্যাটার্জি, অভিনেতা সুমনসহ বিজেপি কর্মীবৃন্দরা।

একদিকে যেমন সকাল থেকেই চলছে সবার তোড়জোড়, অন্যদিকে পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে উর্ধ্ববর্তন অফিসাররা মঞ্চ ও মাঠ পরিদর্শন করছেন, এমনকি বোম স্কোয়াডের অফিসাররা কুকুর নিয়ে মঞ্চ পরিদর্শন করছেন যাহাতে কোনো রকম দুর্ঘটনা না ঘটে, তাই প্রধানমন্ত্রী আসার আগেই যাবতীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

২০২৬ এর ভোটকে সামনে রেখে, এবং বাংলায় পরিবর্তন আনতে, কি আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ কোন পথে চালিত হবে তার বার্তা দিতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী কাল উপস্থিত হচ্ছেন।

রাজ্য সরকারি চরম অসহযোগিতা ও বই রিটা সত্বেও আজ পশ্চিমবঙ্গে 5 কোটি মানুষ কেন্দ্রীয় জল,- ধন যোজনার মাধ্যমে ব্যাংকিং পরিষেবার আওতাভুক্ত হয়েছেন, স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যে ৮০ লক্ষ শৌচালয় নির্মাণ সম্ভব করেছি, রাজ্যের শাসকদল যখন দরিদ্র মানুষের অন্য সংস্থান কেড়ে নিচ্ছে ,তখন আমরা ছোট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের ২. ৮২ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। অটল পেনশন যোজনায় ৫৬ লক্ষ প্রবীর নাগরিককে বার্ধক্যকে স্বনির্ভর করতে পেরে আমরা কৃতার্থ, উজ্জ্বল যোজনার মাধ্যমে ১ কোটির বেশি পরিবারে রান্নার গ্যাস সংযোগ পৌঁছে দিয়ে, মা-বোনেদের ধোঁয়ার জ্বালা থেকে মুক্তি দিতে পেরে আমরা ধন্য হয়েছি।, অন্নদাতাদের সারা দেশের ক্ষুধা নিবারণ করেন। এছাড়াও কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পে সরাসরি আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে 32 লক্ষের বেশি কৃষক ভাইদের মুখে হাসি ফোটাতে পেরেছি।।

একদিন এই পশ্চিমবাংলায় ছিল দেশের অর্থনীতির দিশারী, শিল্পায়নের অগ্রদূত, পশ্চিমবঙ্গের এই রুগ্ন জোড়া জীর্ণ দশা দেখে আমাদের হৃদয় ব্যথীত, শুধু তাই নয়, স্বামী বিবেকানন্দ ও ঋষি অরবিন্দের মতো যুগপুরুষরা যে পশ্চিমবঙ্গের স্বপ্ন দেখেছিলেন তা আজ ভোট ব্যাংকের সংকীর্ণ রাজনীতি। হিংসা নৈরাজ্যে জর্জরিত। পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে যা অত্যন্ত পীড়াদায়ক, আজ সেই পূর্ণভূমিতেই অবৈধ অনুপ্রবেশ ও নারী নির্যাতনে কলঙ্কিত,
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোনার বাংলায় আজ পুরো ভোটারের দাপট।

এই সকল আমরা আর বেশি দিন সহ্য করব না তাই বাংলায় পরিবর্তন আনতেই মানুষকে বার্তা দিতেই নরেন্দ্র মোদি জি এই সভায় উপস্থিত হচ্ছেন, আগামীকাল এখান থেকেই পরিবর্তনের বার্তা দিয়ে যাবেন, সকল নৈরাজ্যকে দূরে ঠেলে নতুন আলোর দিশা দেখাবেন। ২০২৬-এ পরিবর্তন হলে বাংলায় জ্বলে উঠবে নতুন আলো, হবে নারী সুরক্ষা,ঘুচবে মানুষের জ্বালা যন্ত্রণা, মিটবে বিকারু শিক্ষিতদের সমস্যা, তাই সবাই আসুন বিগেট সমাবেশে নির্ভয়ে, আমরা আছি সবাই আপনাদের পাশে।।

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ


প্রিন্ট