ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিএনসিসির কাউন্সিলর শফিকুলের বিরুদ্ধে দুর্দকের তদন্ত প্রতিবেদন

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ড (মোহাম্মদপুর) কাউন্সিলর মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের (সেন্টু) বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ দুদক প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বাসসকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদনে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মামলা দায়েরের সুপারিশ করেছেন।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামের নামে মোট ৬ কোটি ৬৩ লাখ ৬৫ হাজার ৩৫৭ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিপরীতে ২ কোটি ৩১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৪৪ টাকার ঋণ বা দায় রয়েছে। দায়-দেনা বাদ দিলে তার নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ৩১ লাখ ৮৯ হাজার ৮১৩ টাকা।

এছাড়া পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় হিসেবে ১ কোটি ২০ লাখ ১২ হাজার ৩২৫ টাকা হিসাব করা হয়েছে। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫ কোটি ৫২ লাখ ২ হাজার ১৩৮ টাকা।

অপরদিকে, তার বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৫১ হাজার ২৯০ টাকা। এর ফলে তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার ৮৪৮ টাকা, যা মোট সম্পদের প্রায় ৪৬ দশমিক ২৮ শতাংশ।

দুদকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি এ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

এ প্রেক্ষিতে, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় একটি মামলা দায়েরে জন্য কমিশনের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।
দুদক জানায়, দুদকের কমিশন গঠন হওয়ার পর তার বিষয়টি কমিশনের উপস্থাপন করা হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ডিএনসিসির কাউন্সিলর শফিকুলের বিরুদ্ধে দুর্দকের তদন্ত প্রতিবেদন

আপডেট টাইম : ০৭:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ড (মোহাম্মদপুর) কাউন্সিলর মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের (সেন্টু) বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ দুদক প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বাসসকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদনে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মামলা দায়েরের সুপারিশ করেছেন।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামের নামে মোট ৬ কোটি ৬৩ লাখ ৬৫ হাজার ৩৫৭ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিপরীতে ২ কোটি ৩১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৪৪ টাকার ঋণ বা দায় রয়েছে। দায়-দেনা বাদ দিলে তার নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ৩১ লাখ ৮৯ হাজার ৮১৩ টাকা।

এছাড়া পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় হিসেবে ১ কোটি ২০ লাখ ১২ হাজার ৩২৫ টাকা হিসাব করা হয়েছে। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫ কোটি ৫২ লাখ ২ হাজার ১৩৮ টাকা।

অপরদিকে, তার বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৫১ হাজার ২৯০ টাকা। এর ফলে তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার ৮৪৮ টাকা, যা মোট সম্পদের প্রায় ৪৬ দশমিক ২৮ শতাংশ।

দুদকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি এ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

এ প্রেক্ষিতে, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় একটি মামলা দায়েরে জন্য কমিশনের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।
দুদক জানায়, দুদকের কমিশন গঠন হওয়ার পর তার বিষয়টি কমিশনের উপস্থাপন করা হবে।


প্রিন্ট