ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দিনাজপুরের বিরামপুরে উৎসবমুখর বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত উপস্থিত ছিলেন মাননীয় মন্ত্রী, ডা. জাহিদ হোসেন স্বামীর নির্যাতনে ঘরছাড়া এক সন্তানের মা রিমা, স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের নতুন কমিটি অনুমোদন সভাপতি নাহিদ সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া খান জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী আদর্শের সাথে দেশের জনগণকে একত্রিত করার লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠন করেন-এমপি, ফজলুল হক মিলন গাইবান্ধায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবিবার্ষিকী উদযাপিত আনন্দ র‍্যালি ও সমাবেশ কালিয়াকৈরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বিএনপির ৬ মাসের উন্নয়ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান ‘বিএনপি সরকার ব্যর্থ হয় না’ -পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ বিপদে পড়লেই মানুষ চেনা যায়,আসল বন্ধু পাশে থাকে, নকল বন্ধু দূরে সরে যায় কেশবপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা করে প্রেসক্রিপশন, ফার্মেসিকে জরিমানা

‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ সংসদে পাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: জেল-জরিমানার বিধান করে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনে বিলটি উত্থাপন করেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিস্তৃত হাওর ও জলাভূমি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি হাওরকে সমন্বিতভাবে ব্যবস্থাপনা; অবকাঠামোগত উন্নয়ন; সেচব্যবস্থা; বন্যা নিয়ন্ত্রণ; মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি সম্প্রসারণের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে ‘হাওর উন্নয়ন বোর্ড’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদফতর প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর হাওর অঞ্চলের অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন; অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ; নদীপথে বাধা সৃষ্টি; বিষ ও কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং পর্যটনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার জন্য আইনি কাঠামোর অপ্রতুলতা অনুভূত হয়।

বিবৃতিতে তিনি আরও জনান, সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) ২০২০ সালে দায়ের করা রিট পিটিশনের রায়ে হাইকোর্ট জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন দ্রুত প্রণয়নের নির্দেশ প্রদান করেন।

এই প্রেক্ষাপটে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা, মাহমান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা এবং হাওর ও জলাভূমি এলাকার পরিবেশ, প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্রের সংরক্ষণের জন্য ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন, ২০২৬’ বিলটি আইনে পরিণত করা প্রয়োজন।

আইনের বিধান লঙ্ঘনে দু’বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে উভয় দণ্ডের অতিরিক্ত দণ্ড হবে না।

পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে সেটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দিনাজপুরের বিরামপুরে উৎসবমুখর বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত উপস্থিত ছিলেন মাননীয় মন্ত্রী, ডা. জাহিদ হোসেন

‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ সংসদে পাশ

আপডেট টাইম : ০৩:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: জেল-জরিমানার বিধান করে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনে বিলটি উত্থাপন করেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিস্তৃত হাওর ও জলাভূমি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি হাওরকে সমন্বিতভাবে ব্যবস্থাপনা; অবকাঠামোগত উন্নয়ন; সেচব্যবস্থা; বন্যা নিয়ন্ত্রণ; মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি সম্প্রসারণের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে ‘হাওর উন্নয়ন বোর্ড’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদফতর প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর হাওর অঞ্চলের অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন; অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ; নদীপথে বাধা সৃষ্টি; বিষ ও কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং পর্যটনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার জন্য আইনি কাঠামোর অপ্রতুলতা অনুভূত হয়।

বিবৃতিতে তিনি আরও জনান, সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) ২০২০ সালে দায়ের করা রিট পিটিশনের রায়ে হাইকোর্ট জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন দ্রুত প্রণয়নের নির্দেশ প্রদান করেন।

এই প্রেক্ষাপটে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা, মাহমান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা এবং হাওর ও জলাভূমি এলাকার পরিবেশ, প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্রের সংরক্ষণের জন্য ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন, ২০২৬’ বিলটি আইনে পরিণত করা প্রয়োজন।

আইনের বিধান লঙ্ঘনে দু’বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে উভয় দণ্ডের অতিরিক্ত দণ্ড হবে না।

পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে সেটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।


প্রিন্ট