ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ সংসদের অধিবেশন শুরু ইরা হত্যা মামলার রায় হচ্ছে না আজ, নতুন তারিখ ঘোষণা দুঃসময়ে বিবেকের পাশে ছিলেন অক্ষয়, যা বললেন অভিনেতা সাভারে হামলার প্রতিবাদে খুলনায় এনসিপির বিক্ষোভ স্যামসাংয়ের মুনাফা বৃদ্ধিতে আস্থা ফেরেনি, এশিয়ার শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রবণতায় দ. কোরিয়ার বাজারে পতন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকির সতর্কবার্তা ব্রাজিলের বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পরও আনচেলত্তির ওপরেই ভরসা ব্রাজিলের ইউক্রেন ও প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ নিয়ে শুরু ন্যাটো সম্মেলন রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

কাঁদতে কাঁদতে ফারিণ বললেন, ‘মায়ের আগে আমার মৃত্যু হোক’

বিনোদন ডেস্ক: চলতি সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণের আজকের এই অবস্থানের নেপথ্যে তার মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। সেই কথা অকপটে স্বীকার করে কাঁদলেন তিনি।

তার ভাষায়, ‘মায়ের মৃত্যুর আগে আমার মৃত্যু হোক। তার চলে যাওয়া আমি কখনোই দেখতে চাই না। পৃথিবীর সব মা ভালো থাকুক।’

রোববার (১০ মে) মা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সন্তানের সাফল্যে ‘গর্বিনী মা’ সম্মাননা অনুষ্ঠানে তাসনিয়া ফারিণের মা সৈয়দা শারমিনকে সম্মানিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে ফারিণ জানান, তার আজকের এই অবস্থানের পেছনে বাবার চেয়ে মায়ের অবদানই মূখ্য। তিনি বলেন, ‘আমার মা আমার বাবার সাথে যুদ্ধ করে আমাকে নাচের স্কুলে ভর্তি করেছেন। মানুষ ইমোশনটাকে দুর্বলতা মনে করে।’

‘আমি ইউজুয়ালি ভেরি ইমোশনাল, কিন্তু ইমোশন দেখাতে চাই না। তবে আজ এখানে সবার মাঝে হয়তো আমি সবচেয়ে ইয়াঙ্গেস্ট। এই বয়সে আমার এত অর্জন আমি কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি। কিন্তু আমার মা ভেবেছিলেন।’

ফারিণ আরও বলেন, ‘আমার অভিনয় জীবনের যাত্রা বা গান শেখা সবকিছুর পেছনেই আমার মায়ের অবদান। এটা আমার বাবা না, সম্পূর্ণ আমার মায়ের অবদান। পরীক্ষার মাঝখানে কোনো কাজ আসলে মা বাবার সাথে ফাইট করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, তোমার মেয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি অন্য সব বিষয়েও ভালো করবে।’

তার কথায়, ‘মা আমার স্কুল ছুটির পর বসে থাকতেন, আমাকে নিয়ে নজরুল একাডেমিতে গানের ক্লাসে যেতেন। রিহার্সাল চললে রাত ১০টা পর্যন্ত আমি স্কুল ড্রেস পরে বসে থাকতাম, মা বাসা থেকে খাবার নিয়ে আসতেন।’

ক্যারিয়ারের শুরুতে মায়ের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রথম যখন কাজের অফার আসে, মা-ই আমাকে জোর করেছিলেন। তিনিই প্রথম আমার ভেতরের সৃজনশীলতাকে চিনতে পেরেছিলেন।

ফারিণ বলেন, ‘তিনি সবসময় আমার পাশে বটগাছের মতো ছিলেন, এখনো আছেন। আমি চাই আমার মায়ের মৃত্যুর আগে যেন আমার মৃত্যু হয়। কারণ, এটা আসলে আমি সইতে পারব না, দেখতে চাই না।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ

কাঁদতে কাঁদতে ফারিণ বললেন, ‘মায়ের আগে আমার মৃত্যু হোক’

আপডেট টাইম : ১০:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক: চলতি সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণের আজকের এই অবস্থানের নেপথ্যে তার মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। সেই কথা অকপটে স্বীকার করে কাঁদলেন তিনি।

তার ভাষায়, ‘মায়ের মৃত্যুর আগে আমার মৃত্যু হোক। তার চলে যাওয়া আমি কখনোই দেখতে চাই না। পৃথিবীর সব মা ভালো থাকুক।’

রোববার (১০ মে) মা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সন্তানের সাফল্যে ‘গর্বিনী মা’ সম্মাননা অনুষ্ঠানে তাসনিয়া ফারিণের মা সৈয়দা শারমিনকে সম্মানিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে ফারিণ জানান, তার আজকের এই অবস্থানের পেছনে বাবার চেয়ে মায়ের অবদানই মূখ্য। তিনি বলেন, ‘আমার মা আমার বাবার সাথে যুদ্ধ করে আমাকে নাচের স্কুলে ভর্তি করেছেন। মানুষ ইমোশনটাকে দুর্বলতা মনে করে।’

‘আমি ইউজুয়ালি ভেরি ইমোশনাল, কিন্তু ইমোশন দেখাতে চাই না। তবে আজ এখানে সবার মাঝে হয়তো আমি সবচেয়ে ইয়াঙ্গেস্ট। এই বয়সে আমার এত অর্জন আমি কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি। কিন্তু আমার মা ভেবেছিলেন।’

ফারিণ আরও বলেন, ‘আমার অভিনয় জীবনের যাত্রা বা গান শেখা সবকিছুর পেছনেই আমার মায়ের অবদান। এটা আমার বাবা না, সম্পূর্ণ আমার মায়ের অবদান। পরীক্ষার মাঝখানে কোনো কাজ আসলে মা বাবার সাথে ফাইট করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, তোমার মেয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি অন্য সব বিষয়েও ভালো করবে।’

তার কথায়, ‘মা আমার স্কুল ছুটির পর বসে থাকতেন, আমাকে নিয়ে নজরুল একাডেমিতে গানের ক্লাসে যেতেন। রিহার্সাল চললে রাত ১০টা পর্যন্ত আমি স্কুল ড্রেস পরে বসে থাকতাম, মা বাসা থেকে খাবার নিয়ে আসতেন।’

ক্যারিয়ারের শুরুতে মায়ের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রথম যখন কাজের অফার আসে, মা-ই আমাকে জোর করেছিলেন। তিনিই প্রথম আমার ভেতরের সৃজনশীলতাকে চিনতে পেরেছিলেন।

ফারিণ বলেন, ‘তিনি সবসময় আমার পাশে বটগাছের মতো ছিলেন, এখনো আছেন। আমি চাই আমার মায়ের মৃত্যুর আগে যেন আমার মৃত্যু হয়। কারণ, এটা আসলে আমি সইতে পারব না, দেখতে চাই না।’


প্রিন্ট